বিএনপির সাবেক এমপি শহিদুলের ৯ বছর কারাদণ্ড


প্রকাশিত: ০৩:৫৬ পিএম, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপন করে অর্থ পাওয়ার অভিযোগে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য শহিদুল আলম তালুকদারকে ৯ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তার সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দেয়া হয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় পটুয়াখালীর স্পেশাল ও দায়রা জজ আদালত সোমবার দুপুরে এ আদেশ দেন।

তিনি বাউফল উপজেলা বিএনপির একাংশের সভাপতি। রায় ঘোষণার সময় শহিদুল আলম তালুকদার আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১০ সালের ২৫ এপ্রিল পটুয়াখালী দুদকের উপ-পরিচালক লুৎফর রহমান বাউফলের সাবেক সংসদ সদস্য শহিদুল আলম তালুকদারকে আসামি করে মামলা করেন। মামলায় এক লাখ ২৩ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত তথ্য এবং অবৈধভাবে ২৩ লক্ষাধিক টাকার সম্পদ অর্জন গোপন করার অভিযোগ আনা হয় আসামির বিরুদ্ধে। দীর্ঘ তদন্ত শেষে তদন্ত কর্মকর্তা শহিদুল আলম তালুকদারকে আসামি করে সংশ্লিষ্ট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে পটুয়াখালী স্পেশাল ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক বাসু দেব রায় ২০০৪ সালের দুদক আইনের ২৬-এর ২ ও ২৭ এর ১ নং ধারায় আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সাত বছর ও দুই বছর মোট ৯ বছর এবং এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ছয় মাস সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেন। এছাড়া তার সম্পদ বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেন আদালত।

রায় ঘোষণার পরপরই আদালতে উপস্থিত শহিদুল আলম তালুকদারকে পুলিশ তড়িঘড়ি করে প্রিজনভ্যানে কারাগারে নিয়ে যায়।

রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাড. গাজী নেছার উদ্দিন। মামলার রায়ের তথ্য তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাড. রুহুল আমিন ও অ্যাড. মজিবর রহমান টোটন।

এআরএ/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।