নোয়াখালীতে শিক্ষার্থী-পুলিশ সংঘর্ষ
নোয়াখালীতে আন্দোলনরত মেডিকেল অ্যাসিসটেন্ট স্কুলের (ম্যাটস্) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে তিন পুলিশ ও ম্যাটসের ১৭ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে ১১ শিক্ষার্থীকে আটক করেছে পুলিশ।
আহত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৮ জনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন চৌধুরী জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে ম্যাটস্ শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয়। এক পর্যায়ে তারা জেলা প্রশাসক বদরে মুনির ফেরদৌসের গাড়ি আটকে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে চলে যেতে বললে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে।
বিক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থীরা পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যানসহ সড়কে কয়েকটি অটোরিকশা ও পৌর পার্কের বাতি ভাঙচুর করে। এক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদেরকে ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। সংঘর্ষে অতিরিক্তি পুলিশ সুপারের দেহরক্ষি, গাড়ির চালক ও এক এসআইসহ ১৭ শিক্ষার্থী আহত হন।
এদিকে পুলিশের লাঠিচার্জে অন্তত ১৭ শিক্ষার্থী আহত হন এবং ৩০ জন ছাত্রছাত্রীর কোনো খোঁজ মিলছে না বলে দাবি করেছেন ম্যাসট্ শিক্ষার্থীরা।
উচ্চ শিক্ষার সুযোগ প্রদান, সরকারি কমিউনিটি ক্লিনিক ও বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকে কাজ করার সুযোগ দেয়াসহ চার দফা দাবিতে ম্যাটস্ শিক্ষার্থীরা গত কয়েকদিন থেকে আন্দোলন চালিয়ে আসছে।
মিজানুর রহমান/এফএ/এমএস