করিমগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানকে অপসারণ


প্রকাশিত: ০২:৩১ পিএম, ২৪ মে ২০১৭

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সুমনকে চেয়ারম্যানের পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে।

টিআর/কাবিখা, এডিপি ও রাজস্ব তহবিল ব্যবহারে অনিয়ম, নিজ দফতরে অনুপস্থিত থাকা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগে উপজেলা পরিষদের দুইজন ভাইস চেয়ারম্যান ও ১১ জন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনায় তাকে অপসারণ করা হয়। একই সঙ্গে করিমগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়।

মঙ্গলবার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব লুৎফুন্নাহার সাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ অপসারণের আদেশ দেয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, যেহেতু অনাস্থা প্রস্তাবের বিষয়ে উপজেলা পরিষদ সদস্য ও মহিলা সদস্যদের বিধিমালা ২০১৬ অনুযায়ী বিভাগীয় কমিশনার ঢাকা কর্তৃক সরেজমিন তদন্ত ও উপজেলা পরিষদের বিশেষ সভা আহ্বান করে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হয়। অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে ১৩টি এবং বিপক্ষে একটি ভোট পড়ে। তাই জনস্বার্থে তাকে তার পদ থেকে অপসারণের সিদ্ধান্ত নেয়।

গত ৮ মার্চ করিমগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন দিদারের সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদের মাসিক সভায় পরিষদের চেয়ারমান সাইফুল ইসলাম সুমনের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনে দুইজন ভাইস চেয়ারম্যান ও ১১ জন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।

বিভাগীয় কমিশনারের কাছে অনাস্থা প্রস্তাবের সিদ্ধান্ত পাঠানোর পর গত ৪ এপ্রিল ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোহাম্মদ মুনির হোসেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারমান সাইফুল ইসলাম সুমনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন।

গত ১৮ এপ্রিল নোটিশের জবার দেন সাইফুল ইসলাম সুমন। কিন্তু জবার সন্তোষজনক না হওয়ায় তাকে অপসারণের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

নূর মোহাম্মদ/এএম/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।