বগুড়ায় ছেলের হাতে বাবা ও অটোরিকশাচালক খুন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:৩০ এএম, ৩০ জুন ২০১৭

বগুড়ায় পৃথক ঘটনায় ছেলের রডের আঘাতে বাবা এবং ছিনতাইকারীদের হাতে অটোরিকশাচালক খুন হয়েছেন।

শুক্রবার ভোরে এই ঘটনার পর পুলিশ দুপুরে মরদেহ দুইটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্র জানায়, বগুড়া সদর উপজেলার বারপুর গ্রামে ছেলের রডের আঘাতে খুন হন বাবা নান্নু মিয়া (৫০)। শুক্রবার ভোররাতে এই ঘটনার পর ঘাতক ছেলে তোতা মিয়াকে (২০) এলাকাবাসীর সহায়তায় পুলিশ গ্রেফতার করে।

তোতা মিয়ার পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বাবা নান্নু মিয়া এবং ছেলে তোতা মিয়ার মধ্যে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি চলছিল। এরই একপর্যায়ে ভোরে তোতা মিয়া লোহার রড দিয়ে নান্নুর মাথায় আঘাত করে।

এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। এ সময় পালিয়ে যায় তোতা মিয়া। খবর পেয়ে পুলিশ নিহত নান্নুর মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। পরে শহরের চারমাথা এলাকা থেকে তোতাকে গ্রেফতার করা হয়।

বগুড়া সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) আসলাম আলী জানান, বাবাকে হত্যার অভিযোগে ছেলে তোতা মিয়ার বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা হয়েছে।

এদিকে, অপর এক ঘটনায় অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত যুবকের ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাটি নিয়ে গেছে ছিনতাইকারীরা। ঘটনাটি শুক্রবার ভোররাতে শহরতলীর ছোট কুমিড়া এলাকার।

পুলিশ শুক্রবার দুপুরে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। নিহত মামুন (২৪) জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল উপজেলার বেলতা বানদীঘি গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে।

সদর থানা পুলিশের ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আসলাম আলী জানান, মামুন বগুড়ায় থেকে ব্যাটারিচালিত রিকশা চালাতেন। প্রতিদিনের মতো তিনি গ্যারেজ থেকে রিকশা নিয়ে বের হয়েছিলেন। ভোর রাতের কোনো এক সময় তাকে শহরতলীর ছোট ও বড় কুমিড়া এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে ছিনতাইকারীরা। তার মাথায় শক্ত বস্তু দিয়ে আঘাত করার পর মরদেহ সেখানে ফেলে রিকশাটি নিয়ে যায় তারা।

লিমন বাসার/এএম/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।