উদ্ধার হয়নি চুরি হওয়া নবজাতক, তদন্ত কমিটি গঠন
যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল থেকে চুরি হওয়া নবজাতক উদ্ধার হয়নি। চুরির ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। আর আটক সন্দেহভাজন মমতাজ পারভীন নামের এক নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, যশোর সদর উপজেলার রূপদিয়া বাজার এলাকার বাসিন্দা সাইফুলের স্ত্রী রুপালী বেগম শনিবার রাতে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ছেলে সন্তান জন্ম দেন।
গতকাল রোববার (০৯ জুলাই) সকালে হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগ থেকে অজ্ঞাত এক মহিলা শিশুটিকে কোলে নেয়ার কথা বলে চম্পট দেয়। এ ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হলেও শিশুটিকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।
এ ব্যাপারে যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক কামরুল ইসলাম বেনু বলেন, নবজাতক চুরির ঘটনায় হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট আবদুর রহিম মোড়লকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
যশোর কোতোয়ালি থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জকে উদ্ধৃত করে কামরুল ইসলাম বেনু বলেন, ওসির সঙ্গে সকালে কথা বলেছি। তিনি আমাকে জানিয়েছেন নবজাতক উদ্ধার হয়নি। ছাত্রলীগের সম্মেলন নিয়ে ব্যস্ত রয়েছে পুলিশ।
তবে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক কামরুল ইসলাম বেনু দাবি করেন, নবজাতক চুরির ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো অবহেলা কিংবা গাফিলতি নেই। চিকিৎসকরা আগে থেকেই নবজাতক চুরির বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। ওয়ার্ডে আগেই এই বিষয়ে নোটিশ দেয়া ছিল।
এদিকে, নবজাতক চুরির ঘটনায় সন্দেহভাজন একজনকে আটক করা হয়েছে। আটক মমতাজ পারভীন শহরের মোল্লাপাড়া এলাকার সাখাওয়াত হোসেনের স্ত্রী। তিনি ওই ওয়ার্ডে ঘোরাঘুরি করছিলেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
তবে আটক মমতাজ দাবি করেন, তিনি তার স্বামীর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে এসেছিলেন। শিশুটির মা ও দাদী কান্নাকাটি করছিল দেখে তিনি বাইরে খোঁজাখুঁজির পরামর্শ দেন। তিনি আর কিছুই জানেন না।
মিলন রহমান/এএম/এমএস