সাংবাদিক বালু হত্যার বিচারের দাবিতে খুলনায় র্যালি
খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি, দৈনিক জন্মভূমির সম্পাদক হুমায়ুন কবীর বালু হত্যাকাণ্ডের ১১ বছর পূর্ণ হলেও আজও হয়নি বিচার। বালুর বিচার প্রত্যাশী পরিবার, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ীরা আজও বয়ে বেড়াচ্ছেন স্বজন হারানোর ক্ষত। দীর্ঘ সময়েও এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন না হওয়ায় নিহতের পরিবার ও সাংবাদিক সমাজে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।
এদিকে দৈনিক জন্মভূমি পত্রিকার সম্পাদক ও খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি হুমায়ুন কবীর বালুর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী শনিবার পালন করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের খুনীসহ নেপথ্যের অর্থযোগানদাতা ও পরিকল্পনাকারীদের চিহ্নিত করা এবং বিচারের আওতায় আনার দাবিতে শোক র্যালি, সমাবেশ, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, সাংবাদিক স্মৃতিস্তম্ভে পূস্পমাল্য অর্পন, প্রতীকৃতীতে শ্রদ্ধা নিবেদনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। রোববার সকালে আলোচনা সভার কর্মসূচি রয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে খুলনা ওয়ার্কিং জার্নালিস্ট ইউনিটির উদ্যোগে সকাল ১০টায় খুলনা প্রেসক্লাব চত্বর থেকে কালো ব্যাজ ধারণের পর শোক র্যালি বের হয়। র্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে সাংবাদিক স্মৃতিস্তম্ভে পুস্পমাল্য অর্পন করা হয়।
এখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তৃতা করেন খুলনা ওয়ার্কিং জার্নালিস্ট ইউনিটির আহ্বায়ক গৌরাঙ্গ নন্দী। এ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন শেখ আবু হাসান, এস এম জাহিদ হোসেন, কাজী মোতাহার রহমান বাবু, এস এস সাহিদ হোসেন, ইউনিটির সদস্য সচিব শাহ আলম, আবু তৈয়ব, মুন্সী মাহাবুব আলম সোহাগ, মামুন রেজা, হাসান আহমেদ মোল্লা, মোজাম্মেল হক হাওলাদার, দেবব্রত রায়, তরিকুল ইসলাম, ওয়াহেদ উজ জামান বুলু, কৌশিক দে, সামছুজ্জামান শাহীন, রকিবুল ইসলাম মতি, হেদায়েৎ হোসেন, কাজী শামীম আহমেদ, মোস্তফা জামাল পপলু, আমিরুল ইসলাম, মিজানুর রহমান মিল্টন, প্রবীর বিশ্বাস, শাহজালাল মোল্লা মিলন, শেখ রাসেল, কবিরুজ্জামান বাপ্পী, নাজমুল হক পাপ্পু প্রমুখ।
এ কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে নেতৃবৃন্দ বালু হত্যা মামলায় আসামি পক্ষের আইনজীবী নিযুক্ত হওয়া আশরাফুল ইসলাম বাচ্চু ও বালু সম্পর্কে কটূক্তিকারী এরশাদ আলীকে অবিলম্বে প্রেসক্লাব থেকে বহিস্কার, বালুর হাতে গড়া প্রেসক্লাবের নতুন ভবনের ভিআইপি লাউঞ্জের নামকরণ বালু স্মৃতি মিলনায়তন করার দাবি জানানো হয়।
সমাবেশ থেকে খুলনা প্রেসক্লাবের বালু স্মৃতি মিলনায়তনে (ভিআইপি লাউঞ্জ) রোববারের আলোচনা সভা সফল করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
আলমগীর হান্নান/এমএএস/আরআইপি