মিয়ানমার থেকে ফিরল ৬ বাংলাদেশি

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি কক্সবাজার
প্রকাশিত: ১১:৫১ এএম, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৭ | আপডেট: ১২:০৩ পিএম, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৭
মিয়ানমার থেকে ফিরল ৬ বাংলাদেশি

বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ভোগের পর ৬ বাংলাদেশি জেলেকে ফেরত দিয়েছে মিয়ানমার। মিয়ারমারের মংডুতে বিজিবি ও বিজিপি এবং মিয়ানমার ইমিগ্রেশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে সোমবার বিকেলে তাদের ফেরত আনা হয়েছে। টেকনাফ ২ বিজিবির ঝিমংখালী বিওপি কোম্পানি কমান্ডর সুবেদার মো. ইব্রাহিম হোসেন সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

ফেরত আসা বাংলাদেশিরা হলো, টেকনাফ অলিয়াবাদ গ্রামের মৃত খুইল্লা মিয়ার ছেলে রশিদ উল্লাহ (৩২), সেন্টমার্টিনের সাইর মোহাম্মদের ছেলে হামিদ হোছাইন (৩৭), লাল মিয়ার ছেলে সাদ্দাম হোসেন (২২), অসিউর রহমানের ছেলে ফজল আহমদ (৩৫), মো. ইসমাইলের ছেলে মোহাম্মদ হোসেন (৩৫) ও আলী চানের ছেলে হাসিম (২২)।

সূত্র জানায়, ২০১৬ সালের ৯ নভেম্বর সেন্টমার্টিন উপকূলের পার্শ্বে মাছ ধরার সময় তাদের মিয়ানমার সরকারি বাহিনী ধরে নিয়ে যায়। পরে তাদের সাজা প্রদান করে। সাজা ভোগ শেষে তাদেরকে ফেরত নেয়ার জন্য পত্র পাঠায় মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ। এরই সূত্র ধরে সোমবার তাদের ফেরত আনা হয়।

সাজাভোগ শেষে ফেরত আসা রশিদ উল্লাহ বলেন, সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে সেন্টমার্টিন এলাকা থেকে আমাদের ধরে নিয়ে যায় মিয়ানমার বাহিনী। প্রায় ১৪ মাস কারাভোগ করার পর দেশে ফেরত আসতে পেরে ভালোই লাগছে।

jagonews24

বিজিবি সূত্র জানায়, সোমবার সকাল ১০টার দিকে টেকনাফ বিজিবি বিওপি জেটি থেকে টেকনাফ উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন ছিদ্দিক, গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ শফি, টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের সেকেন্ড অফিসার আবুল খায়ের, বিজিবি সুবেদার মো. ইব্রাহিমসহ ৯ সদস্যের প্রতিনিধি দল মংডুর উদ্দেশে রওয়ানা দেয়।

সেখানে পৌঁছানোর পর মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) ও মংডু শহরের ইমিগ্রেশন অফিসার ইউ অং চ্য সিন’র নেতৃত্বে ৮ সদস্যের প্রতিনিধি দল বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠক শেষে বেলা ১টার দিকে টেকনাফ ট্রানজিট জেটিতে ফিরে আসেন।

টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের সেকেন্ড অফিসার আবুল খায়ের বলেন, ফেরত আনা ৬ বাংলাদেশিকে তদন্ত সাপেক্ষে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের করা হয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন ছিদ্দিক বলেন, অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বৈঠকটি সম্পন্ন হয়েছে।

সায়ীদ আলমগীর/এমএএস/আরআইপি