লক্ষ্যমাত্রা ছাড়াল ঝালকাঠির বোরো আবাদ
ঝালকাঠি জেলায় বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে। বোরো আবাদ লাভজনক হওয়ায় কৃষকের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। যার ফলে লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে চাষাবাদ বেশি হয়েছে ১ হাজার ২৩৬ হেক্টর জমিতে।
ঝালকাঠি জেলায় বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল হাইব্রিড ৯১ হেক্টর, উফশী ৮ হাজার ৩৫০ হেক্টর, স্থানীয় জাতের ৩২ হেক্টর। চাষাবাদ হয়েছে হাইব্রিড ২৩১ হেক্টর, উফশী ৯ হাজার ৪৫৫ হেক্টর, স্থানীয় জাতের ২৩ হেক্টর।
ঝালকাঠি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহ জালাল জানান, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক বোরো আবাদে জেলায় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৮ হাজার ৪৭৩ হেক্টর জমিতে। বোরো চাষাবাদ হয়েছে ৯ হাজার ৭০৯ হেক্টর জমিতে।
সদর উপজেলায় লক্ষ্য মাত্রা ছিল ৪ হাজার ৫৬৭ হেক্টরের। চাষাবাদ হয়েছে ৪ হাজার ৫৫০ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে হাইব্রিড ৪৭ হেক্টর, উফশী ৪ হাজার ৫০০ হেক্টর, স্থানীয় জাতের ২০ হেক্টর জমিতে।
এছাড়া বোরো চাষাবাদ হয়েছে হাইব্রিড ২০০ হেক্টর, উফশী ৪ হাজার ৩৫০ হেক্টর। স্থানীয় জাতের কোনো অগ্রগতি নেই। নলছিটি উপজেলায় লক্ষ্য মাত্রা ছিল ৩ হাজার ৮৫৪ হেক্টরের। চাষাবাদ হয়েছে ৫ হাজার ৫৩ হেক্টর। এর মধ্যে হাইব্রিড ৪২ হেক্টর, উফশী ৩ হাজার ৮০০ হেক্টর, স্থানীয় জাতের ১২ হেক্টর।
চাষাবাদ হয়েছে হাইব্রিড ৩০ হেক্টর, উফশী ৫ হাজার হেক্টর ও স্থানীয় জাতের ২৩ হেক্টর। রাজাপুর উপজেলায় লক্ষ্য মাত্রা ছিল ২৭ হেক্টরের। চাষাবাদ হয়েছে ৮৬ হেক্টর। এর মধ্যে হাইব্রিড ২ হেক্টর, উফশী ২৫ হেক্টর। চাষাবাদ হয়েছে হাইব্রিড ১ হেক্টর, উফশী ৮৫ হেক্টর।
এছাড়া কাঠালিয়া উপজেলায় লক্ষ্য মাত্রা ছিল ২৭ হেক্টরের। চাষাবাদ হয়েছে ২০ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে হাইব্রিড ২ হেক্টর, উফশী ২৫ হেক্টর। চাষাবাদ হয়েছে উফশী ২০ হেক্টর জমিতে।
বাসন্ডা ইউনিয়নের কৃষ্ণকাঠি এলাকার কৃষক আবুল হালাদার বলেন, দেড় বিঘা জমিতে বোরো চাষ করেছি। বোরো চাষে ফলন বেশি হয়। ফসল ঘরে তুলতেও তেমন কষ্ট পেতে হয় না। জ্যৈষ্ঠ মাসেই ধান ঘরে তোলা যায়। প্রতি কাঠা জমিতে ১ মণ ধান পাওয়া যায়। অন্য ধান প্রতিকাঠায় ২৫ কেজি করে পাওয়া যায়। তাই আমরা প্রতিবছরই এ বোরো চাষ করছি।
মোঃ আতিকুর রহমান/এএম/জেআইএম