স্রোতের কারণে খনন কাজ হচ্ছে না : নৌমন্ত্রী


প্রকাশিত: ১০:২৭ এএম, ২১ আগস্ট ২০১৫

কাওড়াকান্দি-শিমুলিয়া নৌরুটের চ্যানেলমুখে নাব্যতা সঙ্কটের কারণে প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে ফেরি চলাচল। এদিকে ফেরি চলাচল সচল রাখতে নৌ-চ্যানেলগুলো খনন অব্যাহত থাকলেও প্রচণ্ড স্রোতের কারণে খননকাজ চালিয়ে যাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান। শুক্রবার সকালে শিবচরের কাওড়াকান্দি ঘাটে সংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

পরে দুপুরে নৌ পরিবহন মন্ত্রী মাওয়ার শিমুলিয়া ঘাটে এ নৌরুটের অচলাবস্থা নিরসন কল্পে এক সভা করেন। সভায় বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমানসহ বিআইডব্লিউটিএর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় মন্ত্রী আরো বলেন, পদ্মায় স্রোতের তীব্রতা থাকায় খনন যন্ত্রগুলো এক জায়গায় রাখা যাচ্ছে না। এমনকি আইটি জাহাজ দিয়েও আমরা চেষ্টা করে দেখেছি। তাও সম্ভব হচ্ছে না। ফলে খননকাজ তীব্রভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তাছাড়া স্রোতের কারণে খুব দ্রুত খনন স্থানে পুনরায় পলি এসে জমা হয়ে যাচ্ছে। তবে এরমধ্যেও আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

মন্ত্রী বলেন, আসন্ন ঈদে যেন ঘরমুখো মানুষেরা দুর্ভোগে না পড়েন সে বিষয়টি মাথায় রেখে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ঘাট থেকে ইউটিলিটি ফেরিসহ অপেক্ষাকৃত ছোট ফেরি এ নৌরুটে নিয়ে আসার কথা বলেন তিনি। এছাড়াও কাওড়াকান্দি-শিমুলিয়ায় ফেরি চলাচলের জন্য বিকল্প রুট তৈরি করার জন্য সার্ভে করার কথা উল্লেখ করেন তিনি। এতে করে পদ্মা পার হতে সময় বেশি লাগলেও ফেরি চলাচল সচল রাখার জন্য প্রয়োজনে এ ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি বলেন, আসন্ন ঈদুল আযহা উলক্ষে যাতে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীরা নির্বিঘ্নে বাড়ি যেতে পারেন সেজন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হচ্ছে। ড্রেজার দিয়ে পলি খননন কাজও চলবে দ্রুত। ফেরি চলাচলের জন্য যে পরিমাণ পানির প্রয়োজন, তা চ্যানেল মুখে নেই। তবে জোয়ারের সময় আমরা ছোট ফেরিগুলো চলাচলের জন্য নির্দেশ দিয়েছি।

উল্লেখ্য, কাওড়াকান্দি-শিমুলিয়া নৌরুটের লৌহজং টার্নিং পয়েন্টে নাব্যতা সঙ্কট থাকায় ফেরি চলাচল বাঁধার মুখে পড়েছে। রোরো ফেরি চলাচল পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। তাছাড়া স্রোতের তীব্রতায় আবার ডাম্প ও কে-টাইপ চলাচলও বন্ধ হওয়ার পথে।

এ কে এম নাসিরুল হক/এমজেড/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।