দৌলতদিয়ায় আটকা পড়েছে ৪ শতাধিক যানবাহন
দেশের ব্যস্ততম দৌলতদিয়া ঘাটে নদী পারের অপেক্ষায় আটকা পড়েছে পণ্যবোঝাই কয়েকশ যানবাহন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে সরকারি নিষেধাজ্ঞা ছাড়াও বিভিন্ন কারণে কয়েকদিন ধরে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে যানবাহন পারাপার ছিল শিথিল। ব্যাস্ততম এ নৌরুটে যান পারাপার কমে যাওয়ায় ঘাট এলাকা ছিল ফাঁকা।
বুধবার সকাল থেকে আবারও পাল্টাতে থাকে চিরচেনা ২১ জেলার প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত দৌলতদিয়া ঘাটের পরিস্থিতি। বিকেল ৪টা নাগাদ দৌলতদিয়া প্রান্তে নদী পারের অপেক্ষায় সাড়ে ৩ কিলোমিটার মহাসড়কে আটকা পড়ে অন্তত চার শতাধিক যানবাহন।
বিআইডব্লিউটিসি ও ঘাট সূত্র জানায়, ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে ২৯ তারিখ রাত ১২টা থেকে ৩০ তারিখ ১২টা পর্যন্ত ফেরিসহ সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ ছিল। নির্বাচনের আগে ও পরে কয়েকদিন যানবাহন পারাপার উল্লেখযোগ্য হারে কমে যায়।
তবে মঙ্গলবার রাত থেকে স্বাভাবিক সময়ের মতো নদী পারের জন্য দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে দৌলতদিয়া ঘাটে যানবাহন আসতে শুরু করে। বুধবার ব্যাপক হারে যানবাহন আসতে থাকায় মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট লাগে।
নদী পার হতে আসা যানবাহনের চালকরা জানান, তারা দক্ষিণঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে দৌলতদিয়া দিয়ে নদী পার হয়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাওয়ার জন্য সকালে দৌলতদিয়া ঘাটে এসে আটকে পড়েছেন। বিকেল ৩টা পর্যন্ত অনেকে ঘাট পর্যন্ত যেতে পারেননি। কখন ফেরিতে উঠবেন আর কখন গন্তব্যে যাবেন তা বলতে পারছেন না কেউ। তবে দীর্ঘ সময় সিরিয়ালে আটকে পড়ে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন যাত্রীরা। কাঁচামালবাহী ট্রাকের চালকরা পণ্য নিয়ে বিপাকে পড়েছেন।
বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনের কারণে বেশ কয়েকদিন যানবাহন পারাপার কম থাকায় বুধবার থেকে প্রায় একযোগে বিভিন্ন যানবাহন আসতে শুরু করে। এ কারণে ঘাট এলাকায় কয়েকশ যানবাহনের দীর্ঘ সারির সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থায় যাত্রীবাহী যানবাহন ও কাঁচামাল বোঝাই যানবাহনকে অগ্রাধিকার দিয়ে পার করা হচ্ছে। এই রুটে ছোট বড় ১৭ ফেরি রয়েছে।
রুবেলুর রহমান/এএম/এমএস