মৌমাছির আক্রমণে ৬ জন হাসপাতালে

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি পঞ্চগড়
প্রকাশিত: ০৯:৫৯ পিএম, ০৪ এপ্রিল ২০১৯

পঞ্চগড়ে মৌমাছির কামড়ে অসুস্থ হয়ে নারী, শিশুসহ ছয়জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে সদর উপজেলার গড়িনাবাড়ি ইউনিয়নের টাঙ্গন সেতু এলাকায় মৌমাছির হামলার শিকার হন তারা। পরে অসুস্থ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে ব্যাটারিচালিত একটি অটোরিকশায় নারী, শিশুসহ চারজন পঞ্চগড় শহর থেকে আটোয়ারীর দিকে যাচ্ছিলেন। অটোরিকশাটি টাঙ্গন সেতু এলাকায় পৌঁছালে আকস্মিকভাবে একঝাঁক মৌমাছি তাদের কামড়াতে থাকে। এ সময় অটোরিকশার চালকের চিৎকার ও ছোটাছুটিতে স্থানীয় ব্যক্তিরা এসে আগুন জ্বালিয়ে তাদের উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে পঞ্চগড় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থল গিয়ে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করেন।

অসুস্থ ব্যক্তিরা হলেন- পঞ্চগড় সদর উপজেলার দরদরিয়া পাড়া এলাকার সৌরভ (২৮), ধাক্কামারা এলাকার মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী মেহেরুন (৩৫), তার ছেলে আলিফ (৩), ঝলই এলাকার দসিরের ছেলে দবিরুল ইসলাম (৩০), আটোয়ারী উপজেলার ছোটদাপ এলাকার হামিদুল ইসলামের ছেলে লাজু (১৮) ও হোসেন আলীর ছেলে রকি (২০)।

মৌমাছির আক্রমণের শিকার অটোরিকশার চালক দবিরুল ইসলাম বলেন, আমি অটোরিকশা নিয়ে ফুটকিবাড়ি এলাকার দিকে যাচ্ছিলাম। এ সময় হঠাৎ একঝাঁক মৌমাছি আমাকে জড়িয়ে কামড়াতে শুরু করে। আমার পেছনে থাকা অটোরিকশায় আরও কয়েকজন ছিলেন তাদেরও কামড়াতে শুরু করে। এ সময় আমরা কোথাও লুকানোর জায়গা পাচ্ছিলাম না। পরে আমাদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন আগুন ধরিয়ে ধোঁয়া দিতে থাকে। ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে আমাদের হাসপাতালে নিয়ে যায় তারা।

পঞ্চগড় ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা নিরঞ্জন সরকার বলেন, মৌমাছির আক্রমণের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করেছে। পরে আমরা স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

পঞ্চগড় সদর হাসপাতালের চিকিৎসক মনোয়ার হোসেন বলেন, বেলা সোয়া ১টার দিকে মৌমাছি কামড়ানো ছয়জন রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। এখন পর্যন্ত তারা চিকিৎসাধীন।

এএম/এমকেএইচ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।