৩৮ হাজার পরিবারকে ঈদ উপহার দেবেন সেলিম ওসমান

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশিত: ১২:০৬ এএম, ২৭ মে ২০১৯

ঈদুল ফিতরে প্রতিটি পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে প্রতিবারের ন্যায় এ বছরেও ঈদ উপহার সামগ্রী নিয়ে দরিদ্র অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংদস্য সেলিম ওসমান।

এ বছর ৩৮ হাজার পরিবারকে (৩৮ হাজার প্যাকেট) ঈদ উপহার সামগ্রী দেবেন তিনি। যার মধ্যে ব্যবসায়ী সংগঠন বিকেএমইএ পক্ষ থেকে আড়াইহাজার প্যাকেট এবং বাকিগুলো তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে দিয়েছেন। প্রতি প্যাকেট রয়েছে ১টি শাড়ি অথবা ১টি লুঙ্গি, ১ কেজি প্রাণ চিনিগুঁড়া চাল, ১ কেজি তীর চিনি, ১ লিটার তীর সয়াবিন তেল, ৪০০ গ্রাম প্রাণগুঁড়া দুধ, ৪০০ গ্রাম লাচ্ছা সেমাই। একটি পরিবারে কমপক্ষে ৪ জন সদস্য হিসাব করে এই প্যাকেটগুলো করা হয়েছে। যেখানে আনুমানিক মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩ কোটি টাকা।

রোববার দুপুরে শহরে সমবায় ভবনের চতুর্থতলায় বিএসবিএল কমার্শিয়াল কমপ্লেক্সে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অসহায় দরিদ্র মানুষের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণের লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৭টি ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং ৭টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেম্বারদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান একথা বলেন।

ঈদুল ফিতরে প্রতিটি পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে প্রতিবারের ন্যায় এ বছরেও ৩৮ হাজার পরিবারকে (৩৮ হাজার প্যাকেট) ঈদ উপহার সামগ্রী দিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংদস্য সেলিম ওসমান। যার মধ্যে ব্যবসায়ী সংগঠন বিকেএমইএ পক্ষ থেকে আড়াইহাজার প্যাকেট এবং বাকিগুলো তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে দিয়েছেন। প্রতি প্যাকেট রয়েছে ১টি শাড়ি অথবা ১টি লুঙ্গি, ১ কেজি প্রাণ চিনিগুড়া চাল, ১ কেজি তীর চিনি, ১ লিটার তীর সয়াবিন তেল, ৪০০ গ্রাম প্রাণ গুড়ো দুধ, ৪০০ গ্রাম লাচ্ছা সেমাই। একটি পরিবারে কমপক্ষে ৪ জন সদস্য হিসাব করে এই প্যাকেটগুলো করা হয়েছে। যেখানে আনুমানিক মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩ কোটি টাকা।

সেলিম ওসমান আশা প্রকাশ করেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অর্থনীতিতে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে সামনের দিনগুলোতে যেন দেশে কোনো অসহায় দরিদ্র মানুষ না থাকে। তাকে যেন এভাবে আর সহযোগিতা নিয়ে মানুষের সামনে আসতে না হয়। অসহায় মানুষদের মুখে হাসি ফোটানোই আমার একমাত্র লক্ষ্য। এজন্য আমি আপনাদের সবার কাছে সহযোগিতা কামনা করছি। প্যাকেটগুলো আপনাদের দায়িত্বে বিতরণ করবেন। মনে রাখবেন ভোট বিবেচনা করে নয় প্রকৃত অসহায় মানুষের হাতে ঈদ উপহার সামগ্রীগুলো পৌঁছে দেবেন। যাতে করে ঈদটা তারা আনন্দে উপভোগ করতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীরা সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করে অথচ ওইদিন তাদের বাড়িতে চুলো জ্বলে না। দলীয় এমন কর্মীদের সহযোগিতা করতে কোন বাধা নেই। এটা আপনারা চেয়ারম্যান মেম্বাররা একটু খেয়াল রাখবেন।

তিনি বলেন, আমরা সবাই মিলে কিছু অসহায় মানুষের কাছে যেতে চাই। এজন্য সবার সহযোগিতা কামনা করছি। প্রতি বছরই আমি কিছু না কিছু করার চেষ্টা করি। বিত্তবানের উচিত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো। এটাই সবচেয়ে বড় ইবাদত। ঈদ আনন্দের দিন। আমরা রোজা রাখি, আমরা ভালো খাই। আর যারা বছর ধরেই রোজা রাখে না খেয়ে থাকে, তারা একটা দিন একটু ভালো খেতে চাই, পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে। তাদের মুখে হাসি ফোটাতে চাই।

তিনি আরও বলেন, আমরা নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে কখনও দল দেখে কাজ করি নাই। আমি সরকারি দল না বিরোধী দল নিজেও জানি না। আমি রাজনীতি বুঝি না, বুঝতেও চাই না। আওয়ামী লীগ বিএনপি জাতীয় পার্টি সবাই একসঙ্গে বসে কাজ করেছি। আমি মনে করি আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া এটাই। সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করতে পারি। এজন্য আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানায়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি খালেদ হায়দার খান কাজল, বিকেএমইএর সহ সভাপতি মনসুর আহমেদ, বন্দর উপজেলার চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুল, বন্দর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি এম এ রশিদ, নারায়ণগঞ্জ জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক আবু জাহের প্রমুখ।

মো. শাহাদাত হোসেন/জেএইচ

আপনার মতামত লিখুন :