বিষাক্ত রাসায়নিকে কাঁচা আম পাকা, ধরলেন ম্যাজিস্ট্রেট

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক বগুড়া
প্রকাশিত: ০৯:৪৫ পিএম, ০৯ জুন ২০১৯

বগুড়ায় বিষাক্ত রাসায়নিক ইথোপেন দিয়ে পাকানো হচ্ছে কাঁচা আম। অভিযান চালানোর সময় কাঁচা আম পাকানোর বিষয়টি হাতেনাতে ধরলেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। পরে এসব আম ধ্বংস করা হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বিষাক্ত রাসায়নিক ইথোপেন দিয়ে কাঁচা আম পাকানোর সময় রোববার বিকেলে শহরের দুটি ফলের আড়ত থেকে ৭৪০ কেজি আম জব্দ করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে দুটি আড়তের মালিককে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বগুড়া জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ মহল শহরের স্টেশন রোডের প্রেস ক্লাবের সামনের এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। অভিযানের সময় বগুড়া পৌরসভার স্বাস্থ্য পরিদর্শক শাহ আলীসহ পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ মহল বলেন, জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর বিষাক্ত রাসায়নিক ইথোপেন দিয়ে কাঁচা আম পাকানোর সময় রোববার বিকেলে শহরের দুটি ফলের আড়ত থেকে ৭৪০ কেজি আম জব্দ করা হয়। হাতেনাতে এবং পরীক্ষায় প্রমাণ পাওয়ায় ভোক্তা অধিকার আইনের ৪৩ ধারায় আমগুলো ধ্বংস করা হয়। তবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের খবর পেয়ে বেশ কয়েকজন আম ব্যবসায়ী দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যান।

বগুড়া পৌরসভার স্বাস্থ্য পরিদর্শক শাহ আলী বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিকেল ৪টার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত স্টেশন রোডে সোহাগ ফল ভান্ডারে যান। সেখানে জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর বিষাক্ত রাসায়নিক ইথোপেন দিয়ে কাঁচা আম পাকানোর প্রমাণ পাওয়া যায়। এরপর ওই আড়ত থেকে ৪০০ কেজি আম জব্দ করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে ওই আড়ত মালিক সনাতন চন্দ্র দাসকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এরপর আদালত মোশাররফ হোসেনের মালিকানাধীন পূজা ফল ভান্ডারে যান। সেখানেও রাসায়নিক মিশ্রিত ৩৪০ কেজি আম জব্দ এবং ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে জব্দ করা আমগুলো জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।

লিমন বাসার/এএম/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]