নিখোঁজের ১৬ দিন পর মিলল স্কুলছাত্রের মরদেহ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ফরিদপুর
প্রকাশিত: ০৭:৪৫ পিএম, ১৭ জুলাই ২০১৯

নিখোঁজের ১৬ দিন পর ফরিদপুরের নগরকান্দায় আবু বক্কার খলিফা (৮) নামে এক স্কুলছাত্রের গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার সকালে উপজেলার পুরাপাড়া ইউনিয়নের মেহেরদিয়া এলাকার কুমার নদের কচুরীপানার নিচ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

আবু বক্কার খলিফা নগরকান্দা উপজেলার পুরাপাড়া ইউনিয়নের মেহেরদিয়া গ্রামের পাচু খলিফা ও তাছলিমা বেগমের ছেলে। সে মেহেরদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণিতে পড়ালেখা করতো। চার বোন ও দুই ভাইয়ের মধ্যে আবু বক্কার খলিফা পঞ্চম সন্তান। আবু বক্কার খলিফার বাবা পাচু খলিফা পেশায় অটোবাইক চালক এবং মা তাছলিমা বেগম সৌদি আরবে চাকরি করতেন। ছেলে নিখোঁজের সংবাদ পেয়ে কয়েকদিন আগে দেশে এসেছেন তাসলিমা বেগম।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১ জুলাই বিকেলে আবু বক্কার বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় পরদিনই নগরকান্দা থানায় জিডি করেন তার বাবা পাচু খলিফা। ওইদিনই পাচু খলিফার কাছে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন অজ্ঞাত ব্যক্তি। পরে পাচু খলিফা বাদী হয়ে ১০ জুলাই নগরকান্দা থানায় একটি মামলা করেন।

তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ও বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে আবু বক্কার খলিফার চাচাতো ভাই জিনদার খলিফাকে (২২) আটক করে নগরকান্দা থানা পুলিশ। আটক জিনদার মেহেরদিয়া গ্রামের টুকু খলিফার ছেলে। জিনদার খলিফা এ বছর এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল। এছাড়া এ ঘটনায় মেহেরদিয়া গ্রামের কাঞ্চু শেখের ছেলে অটোবাইক চালক মাহাবুব শেখকেও (২৫) আটক করা হয়। তাদের দেয়া তথ্যানুসারে আবু বক্কারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নগরকান্দা থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মিরাজ হোসেন বলেন, জিনদার খলিফাকে আটকের পর তার দেয়া তথ্যানুসারে উপজেলার পুরাপাড়া ইউনিয়নের মেহেরদিয়া এলাকার কুমার নদের কচুরীপানার নিচ থেকে আবু বক্কারের গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আবু বক্কারকে গলা টিপে হত্যার পর কুমার নদের কচুরীপানার নিচে মরদেহ লুকিয়ে রাখে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘাতক জিনদার খলিফা জানিয়েছে। তবে কী কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে সে বিষয়টি এখনও জানা যায়নি।

বি কে সিকদার সজল/আরএআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।