কালীগঞ্জে বিনোদনের ভরসা রেল স্টেশন-ব্রিজ

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক কালীগঞ্জ (গাজীপুর)
প্রকাশিত: ০১:৫৮ পিএম, ১৮ আগস্ট ২০১৯
চরসিন্দুর সেতুতে বিনোদন প্রেমীদের ভিড়

গাজীপুরের কালীগঞ্জে নেই সরকারি-বেসরকারি কোনো বিনোদন পার্ক বা কেন্দ্র। তাই স্থানীয়দের অবসর বা বিনোদনের মুহূর্ত উপভোগ করার ভরসা ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের আড়িখোলা রেলওয়ে স্টেশন, শীতলক্ষ্যা নদীর উপরে ঘোড়াশাল ব্রিজ, টঙ্গী-কালীগঞ্জ-নরসিংদী বাইপাস সড়কের শহীদ ময়েজউদ্দিন সেতু, আজমতপুর-ইটাখোলা বাইপাস সড়কের চরসিন্দুর সেতু এবং বালু নদী উপরে উত্তরা-কালীগঞ্জ সড়কের তেরমুখ সেতু। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এসব স্থাপনায় স্থানীয়রা অবসর সময় কাটান।

এ অবস্থায় কালীগঞ্জে বিনোদন পার্ক বা কেন্দ্র তৈরির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে শিগগিরই এই এলাকায় বিনোদন স্পট নির্মাণ করা হবে।

স্থানীয়রা জানান, ঈদের সময় তারা অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে বের হন। কিন্তু এলাকায় বিনোদনের তেমন কোনো স্থান না পেয়ে নিরাশ হয়েই তাদের বাড়ি ফিরতে হয়।

southeast

জানা গেছে এক সময় এ উপজেলায় দর্শকদের মাতিয়ে রাখতো ‘আলোঘর’ ও ‘জামালপুর’ সিনেমা হল। বর্তমানে এসব সিনেমা হল ভেরঙ সেখানে নির্মাণ করা হয়েছে বহুতল মার্কেট। ফলে স্থানীয় সিনেমা প্রেমীরাও হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন। কেউ কেউ আশপাশের বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ভিড় করলেও অনেকের পক্ষে নানা কারণে তা সম্ভব হয় না।

উত্তরা-কালীগঞ্জ সড়কের তেরমুখ সেতুতে ঘুরতে আসা একটি বেসরকারি হাসপাতালের চাকরিজীবী সালাউদ্দিন রনি বলেন, কালীগঞ্জে পরিবার নিয়ে ঘুরে বেড়ানো বা অবসর কাটানোর মত কোনো স্থান নেই। নেই বিনোদনের জন্য কোনো সিনেমা হল বা পাবলিক থিয়েটার।

southeast

কালীগঞ্জ পৌর এলাকার বাসিন্দা অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই এ উপজেলায় বিনোদন কেন্দ্রের জন্য উদ্যোগ নেয়নি কোনো সরকার। এমনকি বেসরকারি পর্যায়েও ভালো পার্ক বা উদ্যান গড়ে ওঠেনি। আলোঘর ও জামালপুর নামে যে দুটি সিনেমা হল ছিল এক যুগ আগে তাও বন্ধ হয়ে যায়। ফলে স্থানীয়রা হলে বসে সিনেমা দেখারও সুযোগ পাচ্ছেন না। অথচ এক সময় এ দুটি সিনেমা হলে কালোবাজারিতেও টিকিট পাওয়া দুষ্কর ছিল।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শিবলী সাদিক বলেন, বিনোদন পার্ক বা কেন্দ্র নির্মাণের জন্য উপজেলার দুটি স্থানের নাম উল্লেখ করে ইতোমধ্যে গাজীপুর জেলা প্রশাসকের কাছে প্রস্তাবনা পাঠিয়েছি। সেগুলো অনুমোদন হলে স্থানীয়দের অবসর কাটানো বা বিনোদনের কোনো সমস্যা হবে না।

আব্দুর রহমান আরমান/এমএমজেড/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।