ডিএনএ’র রিপোর্ট পেয়েছে পুলিশ, কিবরিয়াই শিশুটির বাবা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি যশোর
প্রকাশিত: ১২:৫৫ পিএম, ৩০ অক্টোবর ২০১৯
ফাইল ছবি

যশোরের মণিরামপুরের সেই কিশোরীর সদ্য জন্ম দেয়া শিশুর ডিএনএ টেস্টের রিপোর্ট হাতে পেয়েছে পুলিশ। রিপোর্ট অনুযায়ী তার জন্ম দেয়া শিশুর বাবা মণিরামপুরের পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনের সহকারী কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া। যার ধর্ষণে ১২ বছরের কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে গত ৫ সেপ্টেম্বর সন্তান জন্ম দেয়। কিন্তু এতদিন অস্বীকার করে আসছিলেন গোলাম কিবরিয়া।

মণিরামপুর থানা পুলিশের এসআই সৌমেন কুমার দাস জানান, সদ্য জন্ম নেয়া শিশুর ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট গত ২৭ অক্টোবর হাতে পেয়েছেন। এতে কিবরিয়া ওই সন্তানের বাবা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। খুব দ্রুতই এ ঘটনায় হওয়া মামলার চার্জশিট দেব আদালতে।

প্রসঙ্গত, মণিরামপুরে পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশনের উপজেলার সহকারী কর্মকর্তা কিবরিয়া একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করতেন। তার বাড়িতে কাজের মেয়ে হিসেবে ওই কিশোরী থাকতেন। চলতি বছরের শুরু থেকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীকে দিনের পর দিন ধর্ষণ করেন কিবরিয়া। এসময় ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। কিন্তু এরপর কিবরিয়া ও তার স্বজনরা অস্বীকার করেন। ফলে আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হন কিশোরীর স্বজনরা। তখন পুলিশ কিবরিয়াকে আটক করে। বর্তমানে তিনি কারাগারে আছেন। আর মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পড়ে মণিরামপুর থানা পুলিশের এসআই সৌমেন কুমার দাসের ওপর।

এরই মধ্যে ৫ সেপ্টেম্বর প্রসব বেদনা উঠলে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার সন্তান প্রসব করানো হয়। এর আগে আদালতের আদেশে ভুক্তভোগী কিশোরী ও তার সন্তানের ডিএনএ পরীক্ষার জন্য আদেশ দেন। ঢাকায় নিয়ে মা ও সন্তানের ডিএনএ পরীক্ষা করানো হয়। গত ২৭ অক্টোবর ওই ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন পেয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা। ফলাফলে কিবরিয়াই ওই সন্তানের বাবা বলে রিপোর্ট এসেছে। তদন্ত কর্মকর্তা বলেছেন, রিপোর্ট পেয়েছেন। এখন খুব দ্রুত সময়ে ওই মামলার চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হবে।

মিলন রহমান/এমএএস/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]