পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ১৩ মামলার আসামি নিহত

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ফরিদপুর
প্রকাশিত: ১০:১৭ এএম, ১৫ জানুয়ারি ২০২০
ফাইল ছবি

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ১৩ মামলার আসামি ডাকাত সর্দার এনায়েত হোসেন (৩৫) নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৫ জানুয়ারি) ভোররাতে উপজেলার শেখর ইউনিয়নের বারাংকুল গ্রামের পিয় নাথ পালের মেহগনি বাগানে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত এনায়েত হোসেন একই উপজেলার চতুল ইউনিয়নের বনচাকি গ্রামের মৃত মজিবর হোসেনের ছেলে। তার বিরুদ্ধে বোয়ালমারীসহ বিভিন্ন থানায় হত্যা, ধর্ষণ ও ডাকাতিসহ ১৩টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ সময় ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি ওয়ান শুটার গান, দুটি শর্টগানের গুলি, দুটি শর্টগানের এমটি কার্তুজ, একটি চাপাতি ও একটি চাইনিজ কুড়াল উদ্ধার করা হয়। বন্দুকযুদ্ধে বোয়ালমারী থানার ওসিসহ ছয় পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জামাল পাশা জানান, একাধিক হত্যা, ডাকাতি, ধর্ষণসহ ১৩টি মামলার আসামি এনায়েতকে আটকের পর তার দেয়া তথ্য মোতাবেক অস্ত্র উদ্ধারে গেলে এনায়েতের সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় পুলিশের কাছ থেকে ছুটে দৌড়ে পালিয়ে যায় এনায়েত। হামলাকারীদের লক্ষ্য করে পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়লে তারা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় বাগান থেকে গুলিবিদ্ধ এনায়েতকে উদ্ধার করে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

বোয়ালমারী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুর রহমান বলেন, মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) ঝিনাইদহের শৈলকুপা থানার হাটফাজিলপুর বাজার এলাকা থেকে কুখ্যাত ডাকাত এনায়েত হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায় ডাকাতিতে ব্যবহৃত অস্ত্রশস্ত্র বোয়ালমারী থানাধীন বারাংকুলা গ্রামের জনৈক প্রিয় নাথ পালের মেহগনি বাগানে লুকানো আছে। বাগানে থাকা অস্ত্র-শস্ত্রের বিষয়ে তার সহযোগী (সেকেন্ড ইন কমান্ড) মনির শিকদার অবগত আছে এবং যেকোনো সময় সে অস্ত্রগুলো সরিয়ে নেবে। এনায়েত শেখের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে অস্ত্রগুলো উদ্ধারের জন্য পুলিশ ওই বাগানে অভিযানে গেলে ডাকাতদের সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

তিনি আরও জানান, এনায়েত হোসেনের বিরুদ্ধে বোয়ালমারী থানাসহ বিভিন্ন জেলায় ডাকাতি, দস্যুতা, অস্ত্র, খুন, ধর্ষণসহ মোট ১৩টি মামলা রয়েছে।

বি কে সিকদার সজল/আরএআর/এমএস