জন্মস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত সাংবাদিক রাশীদ উন নবী বাবু

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক বগুড়া
প্রকাশিত: ০৪:২৯ পিএম, ০৯ জুলাই ২০২০

জাতীয় প্রেস ক্লাব ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সিনিয়র সদস্য সাংবাদিক রাশীদ উন নবী বাবুর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বাদ জোহর তার জন্মস্থান বগুড়া শহরের মালতিনগর এলাকার এমএস ক্লাব মাঠে জানাজা শেষে শহরের ঠনঠনিয়া এলাকায় অবস্থিত ভাই পাগলার মাজার কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হয়।

এর আগে বুধবার (৮ জুলাই) রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে রাজধানীর পান্থপথের বিআরবি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাংবাদিক রাশীদ উন নবী বাবু শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন

বৃহস্পতিবার সকালে সাংবাদিক রাশীদ উনি নবী বাবুর মরদেহ ঢাকা থেকে বিশেষ অ্যাম্বুলেন্সে বগুড়ার বাসায় আনা হয়। সেখানে বগুড়ার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতা এবং সাংবাদিকরা তাকে শেষবারের মতো দেখার জন্য হাজির হন এবং মরদেহে শ্রদ্ধা জানান।

৪৫ বছরের সাংবাদিকতা জীবনে রাশীদ উনি নবী বাবু দৈনিক বাংলা, বাংলার বাণী, দেশ বাংলা, আজকের কাগজ, ইত্তেফাক, সমকাল, আমার দেশ, যুগান্তর, এনটিভি, চ্যানেল ওয়ান, ইনকিলাব, সাপ্তাহিক পূর্ণিমাসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। তিনি দৈনিক সকালের খবরের সম্পাদক ছিলেন। সর্বশেষ তিনি দৈনিক আমার দিন পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়েন।

তার ছোট ভাই রায়হান আহম্মেদ বলেন, গত বছরের এপ্রিলে রাশীদ উনি নবী বাবুর অগ্নাশয়ে ক্যান্সার ধরা পড়লে প্রথমে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে চিকিৎসা চলে। এরপর মে মাসে তাকে ভারতের তামিলনাড়ুর ভেলোরের ক্রিশ্চিয়ান মিশনারি হাসপাতালে (সিএমসি) নেয়া হয়। সেখানে এক মাস চিকিৎসার পর তাকে মুম্বাইয়ের টাটা মেমোরিয়াল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে দুই মাস কেমোথেরাপি দেয়ার পর তার অস্ত্রোপচার হয়। চিকিৎসা শেষে একপর্যায়ে বাংলাদেশে ফিরলেও তার শারীরিক অবস্থার ততোটা উন্নতি হয়নি। ক্যান্সার তার শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। হঠাৎ শারীরে মারাত্মক জটিলতা তৈরি হলে গত দুই মাসে চারবার তাকে বিআরবি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি স্ত্রী ও এক কন্যাসন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন।

আরএআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]