এএসপি শিপন হত্যা জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড : ডিসি হারুন

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি গাজীপুর
প্রকাশিত: ০৬:৪৮ পিএম, ১১ নভেম্বর ২০২০

এএসপি শিপন হত্যা একটি জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড বলে মন্তব্য করেছেন ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনার হারুন অর রশিদ।

তিনি বলেন, ভিডিও ফুটেজ এবং এ পর্যন্ত তদন্তে যা পাওয়া গেছে তা থেকে প্রমাণ হয় এটি একটি জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড। এ ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। ইতিমধ্যে ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১০ জনের সাতদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে। অপরজন হাসপাতালের পরিচালক ডা. নিয়াজ অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তিনি সুস্থ হলে রিমান্ডের আবেদন করা হবে।

বুধবার (১১ নভেম্বর) নিহত পুলিশের সিনিয়র এএসপি আনিসুল করিম শিপনের পরিবারকে সমবেদনা জানাতে গাজীপুরের বরুদা এলাকায় নিহতের বাসায় যান তিনি।

jagonews24

এ সময় পুলিশের সিনিয়র এএসপি আনিসুল করিম শিপন হত্যার সুষ্ঠু বিচার দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও আইজিপির হস্তক্ষেপ কামনা করেন নিহতের বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফাইজুদ্দিন আহমেদ ও বড় ভাই রেজাউল করিম সবুজ।

তিনি আরও বলেন, পুলিশের সিনিয়র এএসপি আনিসুল করিম শিপনকে যেভাবে একটি অন্ধকার প্রকোষ্ঠে নিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে, এটি কোনো চিকিৎসা ব্যবস্থা নয়। তারা কোনো চিকিৎসা জানে না, সে ব্যাপারে তাদের কোনো জ্ঞান বা ধারণাও নেই। তাদের কোনো লাইসেন্স নেই। যারা চিকিৎসার নামে নির্যাতন করেছে, তারা কেউ চিকিৎসক নন। তারা শুধু ওয়ার্ড বয় ও স্কুল কলেজের ছাত্র। শুধু পুলিশের বেলায় নয়, যে কোনো সাধারণ মানুষকে নির্যাতনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশ সব সময় কাজ করছে। আমরা শিপনের পরিবারকে সমবেদনা জানাচ্ছি।

এ সময় তার সঙ্গে নিহতের ব্যাচমেট পুলিশের ৩৫জন কর্মকর্তাসহ সহকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। কাপাসিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আমানত হোসেন খান, গাজীপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট রীনা পারভীন ও স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাসান আজমল ভুইয়াসহ বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কেন্দ্রীয় কবরস্থানে শিপনের কবরে শ্রদ্ধা এবং দোয়া করেন।

jagonews24

এর আগে গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার নিহত এএসপি আনিসুল করিম শিপনের বাসায় যান এবং স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তার সঙ্গে গাজীপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) রাসেল শেখ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) শহীদুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার একেএম জহিরুল ইসলাম ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আমিনুল ইসলামসহ পুলিশের বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে নিহত শিপন হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও অপরাধীদের বিচারের দাবিতে সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে ও নিহতের বাসার পার্শ্ববর্তী হাড়িনাল সড়কে পৃথক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এএইচ/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।