সার কেলেঙ্কারি : সেই নবীর দম্পতির বিরুদ্ধে দুদকে আরেক মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক বগুড়া
প্রকাশিত: ০৩:০৪ পিএম, ০১ ডিসেম্বর ২০২০

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার বাফার গুদামের সার কেলেঙ্কারির হোতা হিসেবে পরিচিত নবীর উদ্দিন খান (তৎকালীন উপপ্রধান প্রকৌশলী, যান্ত্রিক) ও তার স্ত্রী মোহছীনা বেগমের বিরুদ্ধে আরও পাঁচ কোটি ৩৭ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা হয়েছে।

সোমবার (৩০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বগুড়ার সমন্বিত কার্যালয়ে মামলা করেছেন সংস্থাটির সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম।

সার কেলেঙ্কারির সময় নবীর উদ্দিন সান্তাহার বাফার গুদামের ইনচার্জ ছিলেন। সার লোপাটের ঘটনায় আরও দুটি মামলারও আসামি নবীর উদ্দিন। মামলার পর থেকে তারা পলাতক রয়েছেন।

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) অধীন সান্তাহার বাফার গুদাম। উৎপাদনের পাশাপাশি ঘাটতি পূরণে সার আমদানি করে থাকে বিসিআইসি। দেশের ২৪টি বাফার গুদামে এসব সার সংরক্ষণ করা হয়। আমদানি করা সার গুদাম পর্যন্ত আনা হয় বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। কিন্তু সার পরিবহনের সময় নানা অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। এরপর তদন্তে নামে দুদক। তদন্তে নবীর উদ্দিন ও তার স্ত্রীর বিষয়ে অবৈধ সম্পদের খোঁজ পায়।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, বাফার গুদামের ১৫৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকারও বেশি মূল্যের প্রায় ৫২ হাজার ৩৪২ মেট্রিক টন সার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর একটি মামলা করে দুদক। ওই মামলার আসামি নবীর উদ্দিন এবং উপজেলা শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক রাশেদুল ইসলাম রাজা। মামলার তদন্তে দুদক নবীর উদ্দিন ও তার স্ত্রীর নামে অঢেল সম্পদের খোঁজ পান। পরে গত বছরের ১৬ অক্টোবর নবীর উদ্দিন খান ও মোহছীনা বেগমের বিরুদ্ধে প্রায় পাঁচ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা হয়। এ মামলার তদন্তকালে দুদক আরও পাঁচ কোটি ৩৭ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদের খোঁজ পায় বলে জানান সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম। এ প্রেক্ষাপটে সোমবার সন্ধ্যায় দুদকের বগুড়া কার্যালয়ে তাদের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা হলো।

এএইচ/এমকেএইচ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।