ব্যাংক কর্মকর্তা নির্যাতন: মাদক নিরাময় কেন্দ্রের পরিচালক কারাগারে

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশিত: ১০:১৩ পিএম, ০৭ ডিসেম্বর ২০২০
মো. শফিউল আজম খোকন

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজলার ফতুল্লায় ব্যাংক কর্মকর্তাকে নির্যাতনের অভিযাগে দায়েরকৃত মামলায় দীপ্তি মাদকাসক্তি নিরাময় চিকিৎসা ও পুর্নবাসন কেন্দ্রের পরিচালক মো. শফিউল আজম খোকনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৭ ডিসেম্বর) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাউছার আলমের আদালত শুনানি শেষে জামিন না মঞ্জুর তাকে কারাগারে পাঠান।

এর আগে রোববার রাতে নির্যাতনের শিকার ব্যাংক কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন বাবুর বড় ভাই জামাল হোসেন বাদী হয়ে সাত জনের বিরুদ্ধে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার বরাত দিয়ে ফতুল্লা মডল থানার ওসি আসলাম হোসেন জানান, অগ্রণী ব্যাংক নারায়ণগঞ্জ টানবাজার শাখার ব্যবস্থাপক শাহাদাৎ হাসন বাবু ও তার স্ত্রী রওশন আরা তুলি বেগমের সঙ্গে বিয়ের পর থেকে পারিবারিক বিরোধ চলে আসছিল। এ কারণে শাহাদাৎ হোসেন বাবু মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। এতে রওশন আরা তুলি বগম সরল বিশ্বাসে সুচিকিৎসার জন্য দীপ্তি মাদকাসক্তির সরণাপন্ন হলে তারা শাহাদাৎ হোসেনকে মাদকাসক্ত হিসেবে চিহ্নিত করে চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়।

narayonganj

তিনি আরও জানান, এরপর তাকে শহরের কলেজ রোড থেকে একটি মাইক্রোবাসে উঠিয়ে দীপ্তি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে হাত-পা বেঁধে মাথার চুল কেটে ফেলে এবং তাকে মারধর করে। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ গিয়ে মাদক নিরাময় কেন্দ্র থেকে শাহাদাৎ হোসেনকে উদ্ধার করে। এ সময় নিরাময় কেন্দ্রের পরিচালক মো. শফিউল আজম খোকনকে গ্রেফতার করা হয়।

ব্যাংক কর্মকর্তার স্ত্রী রওশন আরা তুলি বেগম বলেন, আমার স্বামী শাহাদাৎ হোসেন বাবুর বিরুদ্ধে আমার কোনো অভিযাগ নাই। দীপ্তি মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুর্নবাসন কেন্দ্রের পরিচালক মো. শফিউল আজম আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। আমার স্বামী মাদকাসক্ত কিনা তার জন্য চিকিৎসার দায়ীত্ব নিয়েছেন। তিনি চিকিৎসা না দিয়ে সন্ত্রাসীমূলক কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছেন।

মো. শাহাদাত হোসেন/এসজে/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।