দৌলতদিয়ায় যানবাহনের সাড়ে ৬ কিলোমিটার লাইন

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি রাজবাড়ী
প্রকাশিত: ০৭:০৮ পিএম, ২৯ মে ২০২১

দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় নদী পারের অপেক্ষায় প্রায় সাড়ে ৬ কিলোমিটার সড়কে যানবাহনের লাইন।

শনিবার (২৯ মে) বিকেলে দৌলতদিয়া ঘাটের জিরোপয়েন্ট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের প্রায় তিন কিলোমিটার সড়কে যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও বাইপাস সড়কে প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস এবং ঘাট থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে গোয়ালন্দের রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের প্রায় সাড়ে ৩ কিলোমিটার সড়কে পণ্যবাীহি ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান সিরিয়ালে থাকতে দেখা গেছে।

এদিকে, সিরিয়ালে পড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা নদী পারের অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে যাত্রী ও চালকদের। ফলে তীব্র গরম, খাওয়া-দাওয়া ও টয়লেট সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাদের।

এছাড়া ট্রাকগুলোকে দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে নদী পারের জন্য। ফলে সময় মত মালামাল পরিবহন করতে না পারায় বিপাকে পড়ছেন ট্রাক-চালক ও মালিকরা। এছাড়া মালামাল নিয়ে সড়কের খোলা আকাশের নিচে থেকে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ট্রাকচালকরা।

jagonews24

ট্রাক-চালক কমির মিয়া জানান, এক দিন হলো গোয়ালন্দ মোড় এলাকায় আটকে আছেন। যেখান থেকে ঘাট ১৪ কিলোমিটার দূরে। কবে-কখন ফেরির নাগাল পাবেন তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না। এখানে খাবার হোটেল, পাবলিক টয়লেট না থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। ভ্যানে বিক্রি করা হকার্সদের থেকে অতিরিক্ত মূল্যে খাবার কিনে খেতে হচ্ছে। এছাড়া সময় মত মালামাল পরিবহন করা নিয়েও সমস্যায় পড়েছেন।

একাধিক ঢাকামুখী বাসের যাত্রীরা বলেন, ঘাট এলাকায় এসে তারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফেরির অপেক্ষায় বসে আছেন। তীব্র গরমে তাদের খুব কষ্ট হচ্ছে। এছাড়া টয়লেট ও খাবার সমস্যায় ভোগান্তি পোহাচ্ছেন। ফেরির নাগাল পেলে একটু শান্তি পেতেন।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) ফিরোজ শেখ জানান, লকডাউন শেষ হতে চলেছে। হয়তো সে কারণে ঢাকায় ফিরছে অনেকে। এতে যানবাহনের বাড়তি চাপ পড়েছে দৌলতদিয়ায়। বর্তমানে এ রুটে ছোট বড় ১৫টি ফেরি চলাচল করছে এবং দৌলতদিয়া প্রান্তের তিনটি ঘাট সচল রয়েছে। ফেরি স্বাভাবিকভাবে চলাচল করলে দ্রুত চাপ কমে যাবে।

রুবেলুর রহমান/এসজে/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।