প্রতিবেশীর দেয়া বেড়ায় ৭ দিন ধরে অবরুদ্ধ কৃষক পরিবার

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নওগাঁ
প্রকাশিত: ০৫:৩৪ পিএম, ১০ আগস্ট ২০২১

নওগাঁর ধামইরহাটে কৃষক ইকবাল হোসেনের পরিবারকে এক সপ্তাহ থেকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ৮ আগস্ট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ইকবাল হোসেন। জায়গা জবরদখলে বাঁধা দেয়ায় তাদের অবরুদ্ধ করে রাখা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি উপজেলার খেলনা ইউনিয়নের রসপুর গ্রামে ইকবাল হোসেনের বাড়ির খলিয়ান (ধান ও খড় রাখার জায়গা) জোরপূর্বক দখল করে ইটের খোয়া বিছিয়ে চলাচলের রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা করে তার প্রতিবেশী মোহাম্মদ আলী। এতে বাধা দিলে মোহাম্মদ আলী ও তার লোকজন বাড়ির চারপাশে বাঁশের বেড়া দিয়ে ইকবালের পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখেন।

ভুক্তভোগী কৃষক ইকবাল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার বাড়ির খলিয়ান জোরপূর্বক দখল করে মোহাম্মদ আলী রাস্তা তৈরি করতে চায়। এতে বাঁধা দেয়ায় আমার পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখে। বাড়িতে খাবার না থাকায় গত রোববার (৮ আগস্ট) ছেলে শাকিল হোসেন বাড়ির পিছন দিক দিয়ে বাজার করে বাড়িতে ঢোকার সময় মোহাম্মদ আলীর লোকজন তাকে ধাওয়া করে। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার জন্য জনপ্রতিনিধিদের কাছে আবেদন করেও কোনো লাভ হয়নি। উল্টো তারা নানাভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে।’

তবে খলিয়ানের জায়গাটি নিজের দাবি করে মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘বেড়া দিয়ে কাউকেই অবরুদ্ধ করে রাখা হয়নি। ইকবাল হোসেনের পরিবারের সবাই যাওয়া আসা করছে।’

স্থানীয় ইউপি সদস্য আমিনুর রহমান বলেন, ‘যে জায়গা নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছে সেটি রাস্তার নয়। কিন্তু বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা ঠিক হয়নি। উভয় পক্ষের সমঝোতা না হওয়ায় এ ঘটনা ঘটেছে।’

স্থানীয় প্রতিবেশী মেহেদী হাসান ও রহিম বক্সসহ অনেকেই এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে দ্রুত সমস্যা সমাধানের দাবি জানান।

ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আব্দুল গণি বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরই একজন কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তদন্তে বিষয়টির সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আব্বাস আলী/এসজে/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।