রমেক হাসপাতালে বেড়েছে কক্সকি আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক রংপুর
প্রকাশিত: ১২:১৭ এএম, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১

রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়ার পাশাপাশি হ্যান্ড, ফুট অ্যান্ড মাউথ নামে নতুন রোগে আক্রান্ত শিশুরোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এই রোগে শিশুদের হাত-পায়ে এবং মুখে ফোসকা দেখা দেয়। বাচ্চারা খাবার খাওয়া কমিয়ে দেয়।

সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণকেন্দ্রে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত শিশুদের ভিড় বেড়েছে।

মিঠাপুকর উপজেলার রাণীপুকুর ইউনিয়নের গুচ্ছ গ্রামের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম জানান, তার শিশুপুত্র সাপাহান হ্যান্ড, ফুট অ্যান্ড মাউথ রোগে আক্রান্ত হলে গত সপ্তাহে তাকে শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করেছেন। বর্তমানে সাপাহান ভালো আছে বলে জানান রফিকুল।

শিশু ওয়ার্ডের রেজিস্ট্রার ডা. আ.ন.ম তানভীর চৌধুরী বলেন, মূলত এই সময়ে শিশু ওয়ার্ডগুলোতে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। প্রতিদিন ৭০ থেকে ৮০ জন নতুন শিশু বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। তবে এ বছরই প্রথম উল্লেখযোগ্য পরিমাণে হ্যান্ড, ফুট অ্যান্ড মাউথ নামে নতুন রোগে আক্রান্ত শিশুরাও চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসছে। গত ২ মাস ধরে এই রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৪ থেকে ৫ জন শিশু এ ধরনের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসছে। মূলত কক্সকি ভাইরাসের মাধ্যমে এই রোগ ছড়ায়।

তিনি আরও বলেন, এতে ভয়ের কিছু নেই। এই রোগে শিশুদের পুষ্টিকর খাবারের পাশাপাশি পানি এবং তরল খাবার বেশি করে খাওয়াতে হবে। এছাড়া আক্রান্ত শিশুদের কাছে অন্য শিশুরা যাতে না আসে তা খেয়াল রাখতে হবে। সাধারণত দেড় বছর থেকে শুরু করে ৬ বছরের শিশুরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে।

রমেক হাসাপাতালের শিশু ওয়ার্ডের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ডা. অতনু বসাক বলেন, বর্তমানে শিশু ওয়ার্ডে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিদিন যে সংখ্যায় শিশুরা হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে এর শতকরা ৫০ ভাগ নবজাতক। এ বছর বেশি হ্যান্ড, ফুট অ্যান্ড মাউথ রোগ নিয়ে শিশুরা হাসপাতালে আসছে। এই রোগে অভিভাবকদের আতঙ্কিত না হয়ে বেশি করে পুষ্টিকর খাবার খাওয়াতে হবে।

জিতু কবীর/এমএইচআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]