রাজশাহী বিভাগে আ.লীগ ৬০, বিএনপি ৯


প্রকাশিত: ০৭:৩৯ পিএম, ৩১ মার্চ ২০১৬

দ্বিতীয় ধাপে রাজশাহী বিভাগে ৮৪টি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। এই ফলাফল অনুযায়ী চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত (নৌকা প্রতীক) প্রার্থীরা ৬০টি ইউপিতে নির্বাচিত হয়েছেন। বিএনপি মনোনীত (ধানের শীষ) প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন ৯টিতে। স্বতন্তসহ অন্যান্য প্রার্থী জয়ী হয়েছেন ১৩টি ইউপিতে। বাকি দুটি ইউপির ফলাফল ঘোষণা স্থগিত রাখা হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় এসব জেলার কেন্দ্রগুলোতে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এরপর ভোট গণনা চলে রাত পর্যন্ত।

রাজশাহী বিভাগে নির্বাচন হওয়া জেলাগুলো হলো : চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জয়পুরহাট, নওগাঁ, নাটোর, পাবনা, বগুড়া ও সিরাজগঞ্জ।

বিস্তারিত পড়ুন ওই জেলাগুলোর প্রতিনিধিদের পাঠানো নিউজে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ :
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদের ৬টিতেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী জয় লাভ করেছে। বাকি দুইটির মধ্যে বিএনপি ১টিতে ও জামায়াত ১টিতে জয় পেয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে প্রতিনিধি মোহা. আব্দুল্লাহ জানান, বিজয়ীরা হলেন- গোমস্তাপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের (নৌকা) প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান জামালউদ্দিন মন্ডল, রহনপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের (নৌকা) প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান আলী আনসারী মামলত, বাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের (নৌকা) প্রার্থী মো. সাদরুল ইসলাম, রাধানগর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের (নৌকা) প্রার্থী মো. মামুনুর রশিদ, বোয়ালিয়া ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী (ধানের শীষ) মো. জিয়াউর রহমান আকবর, আলীনগর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. তরিকুল ইসলাম (নৌকা), পার্বতীপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. লিয়াকত আলী খাঁন (নৌকা)।

এছাড়া চৌডালা ইউনিয়নে জামায়াতের (স্বতন্ত্র) বর্তমান চেয়ারম্যান শাহ আলম (অটোরিক্সা) জয় পেয়েছেন।

জয়পুরহাট :
ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে বৃহস্পতিবার জয়পুরহাট সদর উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ৬টিতে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। বাকি ৩টি ইউনিয়নের মধ্যে জামালপুরে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হাসানুজ্জামান মিঠু, চকবরকত ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী শাহজাহান আলী নৌকা প্রতীক নিয়ে ও ভাদসা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী আনারস প্রতীক নিয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

এই ৩টি ইউনিয়নে ৭ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং সাধারণ ২৭৮ ও সংরক্ষিত ১১১ সদস্য প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

জয়পুরহাট উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ৯টি ইউনিয়নের ৮১টি কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটাররা দীর্ঘক্ষণ সারিবদ্ধভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেন।

জয়পুরহাট সদর উপজেলা পরিষদের ৯টি ইউনিয়ন নির্বাচনে প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট পরেছে বলে জানিয়েছেন সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল মোত্তালেব।

নওগাঁ :
দ্বিতীয় পর্যায়ের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নওগাঁয় (পত্নীতলা ও ধামইরহাট) ১৯টি ইউনিয়নের মধ্যে আওয়ামী লীগ ১৪টিতে, স্বতন্ত্র প্রার্থী ৪টিতে এবং বিএনপি ১টিতে জয় পেয়েছে।  

নওগাঁ থেকে আব্বাস আলী জানান, নওগাঁয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পত্নীতলায় ১১টি ইউনিয়নের মধ্যে আওয়ামী লীগের ৮ জন, স্বতস্ত্র ৩ জন এবং ধামইরহাটে ৮টি ইউনিয়নের মধ্যে আওয়ামী লীগের ৬ জন, স্বতস্ত্র ১জন ও বিএনপির ১জন বে-সরকারিভাবে চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে ধামইরহাট উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জেবুন্নেসা শাম্মী এবং পত্নীতলা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা দুলাল হোসেন রাত সাড়ে ৯টার দিকে বে-সরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

পত্নীতলায় বে-সরকারিভাবে জয়ী চেয়ারম্যানরা হলেন, ঘোষনগর আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবু বক্কর সিদ্দিক। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির রফিকুল আলম। পত্নীতলায় জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের মোস্তফা শাহ্ চৌধুরী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আশরাফুল ইসলাম। শিহাড়ায় আওয়ামী লীগের মোস্তাফিজুর রহমান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সিরাজুল ইসলাম। আকবরপুরে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী কামাল হোসেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ ইয়াকুব আলী চৌধুরী। মাটিন্দরে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের নজরুল ইসলাম। আমাইড়ে আওয়ামী লীগের ইসমাঈল হোসেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আব্দুর রফিক। পাটিচরা আওয়ামী লীগ রায়হানুল আলমের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মেহেদী হাসান। নজিপুরে আওয়ামী লীগের বিজয়ী প্রার্থী সাদেক উদ্দীনের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাবিবুর রহমান মিন্টু। দিবর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের আব্দুল হামিদ সরকার জয় পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নুরুজ্জামান। নির্মইলে আওয়ামী লীগের আবুল কালাম আজাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আতাউর রহমান। কৃষ্ণপুর বিএনপি স্বতন্ত্র নজরুল ইসলাম জয় পেয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আব্দুস সামাদ।

ধামইরহাটে বে-সরকারিভাবে জয়ী চেয়ারম্যানরা হলেন, আগ্রাদ্বিগুন আ’লীগের ছালেহ উদ্দিন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নাজমুল বারী। আড়ানগর আ’লীগের শাহাজাহান আলী কমল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শামীম কবির মিল্টন। খেলনা আ’লীগের আব্দুস ছালাম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আলহিল মাহমুদ চৌধুরী। ইসবপুর আ’লীগের আবু ওয়াদুদ সামার। তা নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এসএম জাহাঙ্গীর আলম। আলমপুর আ’লীগের ফজলুর রহমান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আলহাজ রুহল আমিন। জাহানপুর আ’লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী ওসমান আলী। এর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের গোলাম কিবরিয়া এবং বিএনপির শাহাদত আলী মোল্লা। ধামইরহাট আ’লীগের কামরুজ্জামান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির দেওয়ান ওয়াজেদ আলী কবির এবং উমার বিএনপি’র আলহাজ নুরুজ্জামান মন্ডল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাসুদুর রহমান সরকার।

নাটোর :
নাটোরের লালপুর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অর্জুনপুর বরমহাটি ইউনিয়ের একটি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত হওয়ায় বাকি ১০ ইউনিয়নের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী ৯টি ইউনিয়নেই চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী এবং বাগাতিপাড়া উপজেলার একটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয় লাভ করেছেন।

নাটোর থেকে রেজাউল করিম রেজা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে লালপুর উপজেলা নির্বাচন সমন্বয়কারী নজরুল ইসলাম বলেছেন, দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে লালপুর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বেসরকারি ফলাফলে ১ নম্বর লালপুর সদর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী আবু বক্কর সিদ্দিক পলাশ, ২ নম্বর ঈশ্বরদী ইউপিতে আমিনুল ইসলাম জয়, ৩ নম্বর চংধুপইল ইউপিতে আবু আল বেলাল, ৪ নম্বর আরবাব ইউপিতে ইসাহাক আলী, ৫ নম্বর বিলমারিয়া ইউপিতে মিজানুর রহমান মিন্টু, ৬ নম্বর দুয়ারিয়া ইউপিতে নূরুল ইসলাম লাভলু, ৭ নম্বর ওয়ালিয়া ইউপিতে আনিছুর রহমান মাস্টার, ৮ নম্বর দুড়দুড়িয়া ইউপিতে আব্দুল হান্নান (৯ নম্বর অর্জুনপুর বরমহাটি ইউপিতে নির্বাচন ফলাফল স্থগিত করা হয়) এবং ১০ নম্বর কদমচিলান ইউপিতে সেলিম রেজা মাস্টার নির্বাচিত হন।

এদিকে বাগাতিপাড়া উপজেলা নির্বাচন সমন্বয়কারী খন্দকার ফরহাদ আহম্মদ জানান, উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আমজাদ হোসেন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

পাবনা:
পাবনায় ১০ ইউনিয়ন পরিষদ (ফরিদপুর উপজেলার ৬ এবং ভাঙ্গুড়া উপজেলা ৪) নির্বাচনে ৭টিতে আওয়ামী লীগ এবং ৩টিতে বিএনপির প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

পাবনা থেকে একে জামান জানান, বৃহস্পতিবার পাবনার ফরিদপুর উপজেলার ৬ এবং ভাঙ্গুড়া উপজেলা ৪ ইউনিয়নে নির্বাচন অনু্ষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ফরিদপুর উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নে সরোয়ার হোসেন (আওয়ামী লীগ), ডেমরা ইউনিয়নে মাহফুজুর রহমান (আওয়ামী লীগ),বনওয়ারীনগর ইউনিয়নে জিয়াউর রহমান (ধানের শীষ), পুঙ্গলী ইউনিয়নে আমিনুর রহমান সরকার (আওয়ামী লীগ), বিএলবাড়ি ইউনিয়নে জাহাঙ্গীর আলম মল্লিক (ধানের শীষ), হাদল ইউনিয়নে সেলিম রেজা (আওয়ামী লীগ) জয় লাভ করেছেন।

ভাঙ্গুড়া উপজেলায় খানমরিচ ইউনিয়নে আসাদুর রহমান (আওয়ামী লীগ), পারভাঙ্গুড়া ইউনিয়নে হেদায়েত উল্লাহ (আওয়ামী লীগ), দিলপাশার ইউনিয়নে অশোক কুমার ঘোষ (আওয়ামী লীগ)এবং অষ্টমনিষা ইউনিয়নে মো. আয়নুল হক (বিএনপি) জয়ী হয়েছেন।

বগুড়া :
দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে বৃহস্পতিবার বগুড়ার শিবগঞ্জ ও সোনাতলা উপজেলার ১৮টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে ১০টিতে আওয়ামী লীগ, ২টিতে বিএনপি এবং ৬টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

বগুড়া থেকে লিমন বাসার জানান, শিবগঞ্জের ১২টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ফলাফলে ৪টিতে আওয়ামী লীগ, ২টিতে বিএনপি এবং ৬টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়লাভ করেছে। এর মধ্যে ময়দানহাট্টা ইউনিয়নে এসএম রূপম (আওয়ামী লীগ), কিচক ইউনিয়নে এবিএম নাজমুল কাদির চৌধুরী (আওয়ামী লীগ), আটমূল ইউনিয়নে মোজাফ্ফর হোসেন (স্বতন্ত্র), পিরব ইউনিয়নে সফিকুল ইসলাম সফিক (বিএনপি), মাঝিহট্ট ইউনিয়নে মির্জা গোলাম হাফিজ সোহাগ (স্বতন্ত্র), বুড়িগঞ্জ ইউনিয়ন আবদুল গফুর মন্ডল (আওয়ামী লীগ), বিহার ইউনিয়নে মহিদুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ), শিবগঞ্জ ইউনিয়নে তোফায়েল আহম্মেদ সাবু (বিএনপি), দেউলি ইউনিয়ন আব্দুল হাই (স্বতন্ত্র), সৈয়দপুর ইউনিয়ন মাহমুদ হোসেন তৌফিক (স্বতন্ত্র), রায়নগর ইউনিয়নে ফিরোজ আহম্মেদ রিজু (স্বতন্ত্র), মোকামতলা ইউনিয়নের মোকলেছার রহমান (বিএনপি) বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

এছাড়াও সোনাতলার ৬টি ইউনিয়নেই আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। তারা হলেন, সোনাতলার তেকানি চুকাইনগর ইউনিয়নে শামছুল হক, পাকুল্লা ইউনিয়নে জুলফিকার রহমান শান্ত, দিগদাইড় ইউনিয়নে আলী তৈয়ব শামীম, জোড়গাছা ইউনিয়নে রোস্তম আলী, সোনাতলা সদর ইউনিয়নে মাহবুুবুল আলম ও মধুপুর ইউনিয়নে অসীম কুমার জৈন নির্বাচিত হয়েছে।

সিরাজগঞ্জ :
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ১০টি মধ্যে ৬টি আওয়ামী লীগ, ২টি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জয়লাভ করেছে। অপর ২টির মধ্যে ১টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে একটি কেন্দ্র স্থগিত হবার কারনে ফলাফল ঘোষণা করা হয়নি এবং অপরটি সীমানা বিরোধকে কেন্দ্র করে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।

এদিকে আওয়ামী লীগের পাওয়া ৬টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫টিতে সরাসরি ও একটিতে একক প্রার্থী থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হয়েছে।

মেছড়া ইউনিয়ন:
আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মজিদ নৌকা প্রতীক নিয়ে ৫ হাজার ৩৫১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলম শেখ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৩৮৩ ভোট।

কালিয়া হরিপুর ইউনিয়ন:
আওয়ামী লীগ মনোনীত আব্দুল সবুর খান বিজয়ী হয়েছেন। নৌকা প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৮ হাজার ২১৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আনিসুর রহমান ধানের শীষ নিয়ে পেয়েছেন ৮ হাজার ১৪৯ ভোট।

বাগবাটি ইউনিয়ন:
আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম নৌকা প্রতীক নিয়ে ২৩ হাজার ৮৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আব্দুল আওয়াল ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৮৯০ভোট।

খোকশাবাড়ি ইউনিয়ন:
আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী রাশেদুল ইসলাম নৌকা প্রতীক নিয়ে ৭ হাজার ১৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীকে স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচন করা মঞ্জুর রহমান বকুল পেয়েছেন ৫ হাজার ৬১৮ ভোট।

ছোনগাছা ইউনিয়ন:
আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শহীদুল ইসলাম নৌকা প্রতীক নিয়ে ১৭ হাজার ৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আব্দুস সালাম ধানের শীষে নিয়ে পেয়েছেন ৩ হাজার ৫৯ ভোট।

কাওয়াখোলা ইউনিয়ন:
আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আব্দুল আলিম ভুইয়া নৌকা প্রতীক নিয়ে ৪ হাজার ৮১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শাহাদত হোসেন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৩৭ ভোট।

শিয়ালকোল ইউনিয়ন:
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মান্নান ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ১০ হাজার ৯৭৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী গোলাম আজম তালুকদার বাবলু নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৭ হাজার ৯৫৬ ভোট।

বহুলী ইউনিয়ন:
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রুহুল আমিন সরকার ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ৯ হাজার ৬৩৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হায়দার আলী নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৩৪ ভোট।

রতনকান্দি ইউনিয়ন:
আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী গোলাম মোস্তফা খান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

সয়দাবাদ ইউনিয়ন:
হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।

একে/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।