বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে সহযোগিতা করবে চীন-কোরিয়া


প্রকাশিত: ০১:৩৮ পিএম, ০২ জুন ২০১৫

বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছে কোরিয়া ও চীন। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গে দুই দেশের প্রতিনিধিরা স্বাক্ষাত করে এ আশ্বাস দেন।  

সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে প্রথমে কোরিয়া ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির সদস্য ও কোরিয়া-বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপের চেয়ারম্যান চো ওন-জিনের নেতৃত্বে একটি সংসদীয় প্রতিনিধি দল তার সঙ্গে সাক্ষাত করেন। এসময় ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির সদস্য লিম নেহ-হাইউন, বাংলাদেশে নিযুক্ত কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত লি ইয়ূন-ইয়ং, ডেপুটি চিফ অব মিশন হিউন-জু কিম,  কোরিয়া ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ক্যাং ইয়ূন-মি উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে স্পিকার প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, কোরিয়া বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধু এবং উন্নয়ন অংশীদার। দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্পর্ক বিদ্যমান। এ সম্পর্ককে আরো বৃদ্ধি করে দু’দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। তিনি আরো বলেন, উভয় দেশ পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে একে অপরের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে পারে।

জবাবে প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অব্যাহত সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করে বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে কৃষি, দারিদ্র্য বিমোচন সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে তা সত্যিই বিস্ময়কর। রফতানি বাণিজ্যসহ সব ধরনের বাণিজ্য সম্প্রসারণের আশাবাদ ব্যক্ত করে তারা বলেন, বাংলাদেশ তথ্য-প্রযুক্তি ও শিপ বিল্ডিং সেক্টরে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। ভবিষ্যতে এ দুই খাতসহ বিভিন্ন সেক্টরে দুই দেশের একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। এসময় তারা কোরিয়ার বিভিন্ন সেক্টরে কর্মরত বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতা ও সততার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

এরপরই বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত মা মিংকিয়াং স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে তারা পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন। তারা বাংলাদেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা করেন।

এসএইচএস/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।