আন্দোলন চাঙা করতে সারা দেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মঘট

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৩৬ পিএম, ২১ জানুয়ারি ২০১৮ | আপডেট: ০৫:৪২ পিএম, ২১ জানুয়ারি ২০১৮

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চলছে তিন দিনের ধর্মঘট। জাতীয়করণ আন্দোলনকে চাঙা করতে রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হয়েছে। দেশের সব জেলার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তালা ঝুলিয়ে এ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। কর্মসূচি চলবে মঙ্গলবার পর্যন্ত।

রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আমরণ অনশনে অংশ নিতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শিক্ষক নেতারা। ফলে প্রতিষ্ঠানে তালা ঝুলিয়ে ঢাকামুখী হচ্ছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।

গত কয়েকদিন ধরে টানা অনশনের ফলে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জাতীয়করণ আন্দোলন কিছুটা স্থবির হয়ে পড়েছে। বেসরকারি শিক্ষা জাতীয়করণ লিয়াজোঁ ফোরামের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জসিম উদ্দীন বলেন, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ (রোববার) থেকে দেশের সব জেলার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ধর্মঘট পালিত হচ্ছে। জাতীয়করণের আন্দোলন তীব্রতর করতে সব জেলার এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা প্রতিষ্ঠানে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলনে যোগ দিচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, রোববার বিভিন্ন জেলা থেকে নতুন করে শিক্ষক-কর্মচারী আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন। আগামী দু’দিন আরও অনেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আমরণ অনশনে যোগ দিবেন।

বেসরকারি শিক্ষা জাতীয়করণের এক দফা দাবিতে আমরণ অনশন অব্যাহত রয়েছে। রোববার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ৭ম দিনের মতো অনশন পালিত হচ্ছে। এতে শতাধিক শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। কয়েকজন ভর্তি রয়েছেন হাসপাতালে। কেউ সুস্থ হয়ে আবার আন্দোলন যোগ দিচ্ছেন। কেউবা বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন।

শিক্ষকদের ছয়টি সংগঠন জোট ‘বেসরকারি শিক্ষা জাতীয়করণ লিয়াজোঁ ফোরামের’ ব্যানারে এ আন্দোলন পরিচালিত হচ্ছে।

আন্দোলনকারী শিক্ষকরা বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থায় বৈষম্য দূরীকরণে এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষকরা জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন। দেশের প্রায় পাঁচ লাখ শিক্ষক-কর্মচারী এ আন্দোলনে যুক্ত রয়েছেন।

তারা বলেন, দেশের ৯৭ শতাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বেসরকারিভাবে পরিচালিত হচ্ছে। কিন্তু তারা নামে মাত্র বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। অথচ ৩ শতাংশ সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা উচ্চমানের বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। এ কারণে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করতে হবে। এ দাবিতে আমরা রাজপথে নেমেছি।

এমএইচএম/এএইচ/জেআইএম

আপনার মতামত লিখুন :