শাহরুখ, অক্ষয়দের প্রতিযোগী মনে করেন না জন আব্রাহাম

বিনোদন ডেস্ক
বিনোদন ডেস্ক বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭:১৮ পিএম, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শাহরুখ, অক্ষয়দের প্রতিযোগী মনে করেন না জন আব্রাহাম

বলিউডের সুপারস্টার জন আব্রাহাম। ভারতের শিল্পজগতে এক অনন্য উদাহরণ তিনি। বিশেষ করে যারা প্রতিভার জোরে নিজেদের নামকে বড় তারকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম জন। কোনাে চলচ্চিত্র পরিবারের সদস্য না হয়েও তিনি বহু বড় অভিনেতার সঙ্গে কাজ করেছেন। এখন তাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের মধ্যে গণ্য হন তিনি।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জন বলেন, তিনি পুরুষ সহকর্মীদের সঙ্গে খুব ভালো সম্পর্ক তৈরি করতে পারেন। যেমন শাহরুখ খান, অক্ষয় কুমার বা অভিষেক বচ্চন। তাদের কাউকে তিনি প্রতিযোগী মনে করেন না।

২০০৩ সালে ‘জিসম’ সিনেমা দিয়ে যাত্রা শুরু করে জন আব্রাহাম প্রমাণ করেছেন যে তিনি দক্ষ ও শক্তিশালী অভিনেতা। বছরের পর বছর ধরে তিনি বিশেষভাবে পুরুষ সহকর্মীদের সঙ্গে দৃঢ় বন্ধন তৈরি করেছেন, কারণ তিনি মানসিকভাবে নিজেকে প্রশিক্ষিত করেছেন যে তিনি তাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করছেন না, বরং তাদের সম্পূরক হিসেবে কাজ করছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি পুরুষ সহকর্মীদের সঙ্গে অনেক ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারি। আমি অক্ষয় কুমার, শাহরুখ খান, বরুণ ধাওয়ান এবং অভিষেক বচ্চনের মতো বড় অভিনেতাদের সঙ্গে পর্দা ভাগ করেছি। আমি তো অভিষেককেও চুম্বনও করেছি।’

জনের প্রতিদ্বন্দ্বীরাও তাকে একইভাবে গ্রহণ করেন। তাই তিনি কখনও প্রতিযোগিতার মনোভাব দেখান না। তিনি বলেন, ‘আমি পুরুষদের সঙ্গে খুব স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি, আর সেই সৌন্দর্য ছবিতে ফুটে ওঠে।’

বছরের পর বছর ধরে বহু সফল চলচ্চিত্রে অভিনয় করে জন প্রমাণ করেছেন যে তিনি বলিউডে সম্পূর্ণভাবে প্রতিষ্ঠিত। তবে ২০০৩ সালে যাত্রা শুরু করার সময়, তিনি সম্ভবত তার সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সমালোচিত হয়েছেন। জন বলেন, ‘আমি যে পরিমাণ সমালোচনা সহ্য করেছি, আমার সময়ের অন্য কেউ তা দেখেনি।’

কিন্তু সব নেতিবাচকতা এবং সমালোচনা তার কাজকে প্রভাবিত করতে পারেনি। জন একটি সহজ পদ্ধতি গ্রহণ করেছিলেন। সেটি হলো প্রতিনিয়ত সামনে তাকানো। এইভাবে তিনি শুধুমাত্র সামনে যা ঘটছে তা দেখতে পেতেন। অনেকে যেমন পাবলিসিস্ট রাখেন, তিনি তা করেননি।

জন আব্রাহামের এই মনোভাব এবং সততা তাকে বলিউডে এক স্বতন্ত্র অবস্থান দিয়েছে।

 

এলআইএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।