আইপিএলের সেই বিতর্কিত রাত, আবারও আলোচনায় শাহরুখ

বিনোদন ডেস্ক
বিনোদন ডেস্ক বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:৩৬ পিএম, ০১ মে ২০২৬
শাহরুখ খান। ছবি: সংগৃহীত

২০১২ সালের আইপিএলের এক ম্যাচ শেষে মুম্বইয়ের ওয়ানখেড়ে স্টেডিয়ামে ঘটে যাওয়া বহুল আলোচিত ঘটনাটি আবারও সামনে এসেছে। কলকাতা নাইট রাইডার্সের জয় উদযাপন করতে গিয়ে নিরাপত্তারক্ষীর সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন দলের অন্যতম কর্ণধার শাহরুখ খান। সেই ঘটনার জেরে মুম্বই ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (এমসিএ) পাঁচ বছরের জন্য স্টেডিয়ামে তার প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়।

দীর্ঘ সময় পর সেই রাতের ঘটনা নিয়ে নতুন করে কথা বলেছেন মুম্বাই পুলিশের সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার ইকবাল শেখ। তিনি জানান, ওই সময় ওয়ানখেড়ে এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন তিনি।

ইকবাল শেখ বলেন, ‘ম্যাচ শেষ হওয়ার পর আমি যখন প্রধান কক্ষের সামনে পৌঁছাই, তখন এমসিএর এক কর্মী জানান, শাহরুখ খান ঝামেলায় জড়িয়েছেন। ততক্ষণে বেশিরভাগ দর্শক স্টেডিয়াম ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন এবং অনেক আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়েছিল।’

জানা যায়, ওই রাতে মাঠে কিছু শিশুদের উপস্থিতি নিয়ে আপত্তি জানানোকে কেন্দ্র করেই শুরু হয় তর্ক। সে সময় শাহরুখ তার সন্তানসহ কয়েকজন শিশুর সঙ্গে মাঠে ছিলেন। নিরাপত্তাকর্মীর আপত্তির জেরে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ইকবাল শেখ নিজেই এগিয়ে আসেন। তার ভাষ্য, ‘ঘটনা বাড়তে থাকায় আমি শাহরুখকে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করি।’

তবে ঘটনাটি ঘিরে ভিন্ন অভিযোগও ওঠে। এক নিরাপত্তারক্ষীর দাবি ছিল, শাহরুখ খান মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেন অভিনেতা। বরং তিনি দাবি করেন, নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীরাই শিশুদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছিলেন, যার প্রতিবাদ করতেই তিনি ক্ষুব্ধ হন।

আরও পড়ুন:
ভোটের বন্যায় ভাসলেন থালাপতি বিজয়, প্রথম নির্বাচনেই বাজিমাত 
মুখ্যমন্ত্রী হলে তামিলনাড়ুর ভাগ্য বদলাতে যা যা করবেন থালাপতি বিজয় 

ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে ক্ষুব্ধ অবস্থায় শাহরুখকে তর্ক করতে দেখা যায়। সেই ঘটনার পর প্রায় তিন বছর ওয়ানখেড়ে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে পারেননি এই তারকা।

এমএমএফ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।