কাবুলে নারীকে হত্যার দায়ে ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড


প্রকাশিত: ০১:৫৭ পিএম, ০৬ মে ২০১৫

কোরআন পোড়ানোর ‘মিথ্যা’ অভিযোগে ২৭ বছর বয়সী এক তরুণীকে প্রকাশ্যে হত্যার দায়ে চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের এক আদালত।

গত ১৯ মার্চ কোরআন পোড়ানোর ‘মিথ্যা’ অভিযোগ এনে ফারখুন্দা নামের ওই নারীকে প্রথমে গণপিটুনি দেয়া হয়। পরে কাবুল নদীর তীরে শরীরে আগুন ধরিয়ে তাকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। আদালত ওই ঘটনায় চারজনের প্রত্যেককে ১৬ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন। এই মামলায় অভিযুক্ত অপর ১৮ জনের বিরুদ্ধে অপরাধের কোনো সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

সূত্র মতে, এক তাবিজ বিক্রেতা তার বিরুদ্ধে ব্লাসফেমির অভিযোগ আনেন। এরপরই উন্মত্ত জনগণ মেয়েটির ওপর চড়াও হন।
এর আগে মেয়েটি কোনো কারণে ওই তাবিজ বিক্রেতাকে বকা দিয়েছিল বলে জানা গেছে।

তার এই মৃত্যুর ঘটনাটি নিয়ে আফগানিস্তানসহ বিশ্বের কয়েকটি দেশে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। এর ফলে আফগানিস্তানে নারীদের ওপর অমানবিক আচরণ বিশ্ববাসীর সামনে উঠে আসে।

এই ঘটনায় ৪৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এদের মধ্যে মেয়েটিকে রক্ষা করতে না পারায় ১৯ পুলিশের বিরুদ্ধে
দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতারও অভিযোগ আনা হয়।

তিনদিনব্যাপী এই বিচারে অভিযুক্তরা হত্যা, হামলা ও অন্যকে হামলায় প্ররোচিত করার অভিযোগের সম্মুখীন হন।

বিচারক সফিউল্লাহ মোজাদ্দিদি রায় প্রদানকালে জয়নুল আবিদিন, মোহাম্মদ ইয়াকুব, মোহাম্মদ শরিফ ও আব্দুল বশিরকে ফাঁসিতে ঝুঁলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আদেশ দেন।

একে/আরআই

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।