পতিতালয়ের দালালরা এখন নেপালে
যৌনকর্মী সরবরাহের কেন্দ্রভূমিতে পরিণত হয়েছে ভূমিকম্প-বিধ্বস্ত নেপাল। ভূমিকম্পপীড়িত অসহায় দুর্গত নারীদের ঘিরে রমরমা সেক্স-বাণিজ্যের পসার সাজিয়েছে মানব পাচারকারীরা। এশিয়ার বড় বড় পতিতালয়ের দালালরা নেপালের এই দুর্দিনকে নিজেদের ‘আখের গোছানোর ফাঁদ’ হিসেবে ব্যবহার করছে। খবর দ্য গার্ডিয়ান ও ডেইলি মেইল।
খবরে বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে পতিতালয় নেটওয়ার্কের দালালরা নেপালের দুর্যোগের এই সুযোগ কাজে লাগাতে ওঠেপড়ে লেগেছে। উদ্ধারকর্মী ও ত্রাণদাতার ছদ্মবেশে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের নারী ও বালিকাদের টার্গেট করেছে পাচারকারী চক্র।
নারী পাচার রোধে কাজ করা কাঠমান্ডুর একটি বেসরকারি সংস্থার পরিচালক সুনিতা দানুবার বলেন, আমরা খবর পেয়েছি, ইতিমধ্যে কয়েক জায়গায় এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে।
জাতিসংঘ ও স্থানীয় বেসরকারি সংস্থার তথ্যমতে, নেপাল থেকে বছরে ১৫ হাজার নারীকে যৌনকর্মী হিসেবে পাচার করা হয়। এদের অধিকাংশই নেয়া হয় ভারতের পতিতালয়ে।
এ ছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার পতিতালয়েও পাচার করা হচ্ছে নেপালি নারীদের। গার্ডিয়ান বলছে, এ অঞ্চলের নারী পাচার ও পতিতালয় নেটওয়ার্কের এই অপরাধ জগৎ নিয়ন্ত্রণ করা হয় ভারত থেকে। ভারতের শিলিগুড়ি, মুম্বাই, কলকাতা, গোয়ায় পতিতাবৃত্তি বেশ রমরমা। এই দালালদের মাধ্যমেই আবার পাচার করা হয় দক্ষিণ কোরিয়ায়।
এদিকে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতেই রয়েছে কয়েকশ’ বার ও ম্যাসাজ পার্লার। এখানকার নারীকর্মীদের প্রতিষ্ঠানের ক্লায়েন্টদের সঙ্গে যৌনকর্মে বাধ্য করা হয়। ভূমিকম্পের পর টাকার জন্য অনেক নারী সেচ্চায় সেসব পার্লারে যাচ্ছেন বলে খবর পেয়েছে শক্তিসমূহ।
এএইচ/পিআর