অভিবাসীদের সাহায্য না করার নির্দেশ ইন্দোনেশিয়ার


প্রকাশিত: ০২:১৩ পিএম, ১৮ মে ২০১৫

সাগরে ভাসমান অভিবাসীদের নৌকাগুলোর আরোহীদের কোন রকম সাহায্য না করতে দেশের জেলেদের নির্দেশ দিয়েছে ইন্দোনেশিয়া। অপরদিকে মিয়ানমার এবং বাংলাদেশ থেকে আসা অভিবাসী ভর্তি আরো নৌকা ইন্দোনেশিয়ার দিকে যাওয়া অব্যাহত রেখেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি।

দক্ষিণ থাইল্যান্ডের জেলেরা বলেছে, তারা কমপক্ষে দুটি নৌকা ইন্দোনেশিয়ার উপকূলের দিকে যেতে দেখেছেন। জানা গেছে- ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং থাইল্যান্ড- এই তিনটি দেশের উপকূলের কাছে আন্দামান সাগরে এখনও ভাসছে হাজার হাজার লোকভর্তি নৌযান। এই অভিবাসীদের বেশির ভাগই মিয়ানমারের রোহিঙ্গা এবং বাংলাদেশি, যারা মানব পাচারকারী চক্রের মাধ্যম নৌপথে মালয়েশিয়া পাড়ি জমাতে দেশ ছেড়েছিলেন।

সম্প্রতি থাইল্যান্ডের জঙ্গলে অভিবাসীদের গোপন শিবির, গণকবর এবং বহু মৃতদেহ পাওয়া যাওয়ার পর এ নিয়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। তারপর থেকে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়া এই অভিবাসীদের বহনকারী নৌকাগুলো তীরে ভিড়তে দিচ্ছে না। তবে কয়েকশ’ লোক ইন্দোনেশিয়ার আচেহ দ্বীপের শিবিরে আশ্রয় পেয়েছে।

ইন্দোনেশিয়ার কর্তৃপক্ষ বলে দিয়েছে যেন- শুধুমাত্র কোন নৌকা ডুবে যেতে থাকলে বা লোকজন সাগরে পড়ে গেলেই তাদের সাহায্য করা হয়। জাতিসংঘ এর আগে খাবার ও পানির অভাবের মধ্যে থাকা এসব অভিবাসীকে তীরে ভিড়তে দেবার আহ্বান জানিয়েছিল। কিন্তু এখন জাতিসংঘ বলছে, কোন দেশই তা মানছে না।

জাতিসংঘের একজন মুখপাত্র ভিনসেন্ট ট্যান বলেছেন, ইন্দোনেশিয়ায় শুক্রবার কয়েকশ লোক অবতরণ করার পর থেকে আর কোন অভিবাসীই পারে নামতে পারে নি। তিনি বলেন, ‘সময় দ্রুত পেরিয়ে যাচ্ছে।’

সংবাদদাতা ও অভিবাসীদের কাছ থেকে পাওয়া খবরে জানা যায়- বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের উপকূল থেকে যাত্রা শুরুর পর খাদ্য ও পানির অভাবে, রোগে, পানিতে ডুবে বা অভিবাসীদের মধ্যে মারামারিতে কয়েকশ’ লোক নৌকার ওপরই মারা গেছে।

এসএইচএস/এসকেডি/আরআই

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।