করোনার বিরুদ্ধে ব্রিটিশ বাংলাদেশিদের লড়াইয়ের গল্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:২৫ পিএম, ০৩ আগস্ট ২০২০

করোনাভাইরাস মহামারিতে প্রায় থমকে যাওয়া বিশ্বে প্রতিনিয়ত নানা ধরনের সঙ্কটের কথা উঠে আসছে। অনেকেই সেসব সঙ্কট জয়ের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন একাই অথবা অন্যদের সহায়তায় সম্মিলিতভাবে। মহামারির এই কঠিন সময়ে সবাইকে নিয়ে বাঁচার চেষ্টা চলছে সর্বত্র। কিন্তু এই বাঁচার চেষ্টার আড়ালে থেকে যাচ্ছে না বলা অনেক কথা।

করোনাভাইরাসে ইউরোপে প্রথমদিকে যে কয়েকটি দেশ ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছিল; তারমধ্যে অন্যতম যুক্তরাজ্য। এই দেশটিতে বসবাসরত এশিয়ান এবং কৃষ্ণাঙ্গ বংশোদ্ভূতরা করোনায় আক্রান্ত এবং মৃত্যুর বেশি ঝুঁকিতে আছেন বলে ব্রিটেনের একাধিক গবেষণায় উঠে এসেছে। মহামারির শুরুর দিকে দেশটিতে বসবাসরত বাংলাদেশিদেরও অনেকেই আক্রান্ত কিংবা মারা গেছেন করোনায়। বিদেশের মাটিতে একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে করোনা মোকাবিলায় সম্মিলিত চেষ্টা চালিয়েছেন ব্রিটিশ বাংলাদেশিরা।

এমনই একজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নারী শাজনীন আবেদিন। যিনি ওয়েলসের সোয়ানসি এলাকায় পরিবার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। করোনা মহামারির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত সেখানকার বাংলাদেশিরা কীভাবে রয়েছেন, চলছেন সেই গল্প ব্রিটেনের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ওয়েলসঅনলাইনকে বলেছেন শাজনীন।

করোনাভাইরাস যখন ব্রিটেনে প্রথম ধরা পড়ে, তখন শাজনীন নতুন একটি কাজ শুরু করেন। প্রতিবেশিদের খোঁজ নেয়া, তাদের মাঝে খাবার, স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী সরবরাহের জন্য একটি সেবা চালু করেন তিনি। ওয়েলসের সোয়ানসি কাউন্সিলে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের নিয়ে একটি দল গঠন করেন। আত্মীয়-স্বজনদের জন্য নিজের বাসার দরজা খুলে দেন।

সোয়ানসিতে বাংলাদেশি কমিউনিটির কাছে শাজ নামেই পরিচত শাজনীন। বাংলাদেশে বিয়ে করলেও শাজ দীর্ঘদিন ধরে সোয়ানসিতে থাকেন। এই এলাকায় অনেক বাংলাদেশির বসবাস।

shaz-1

এর আগে, দেশটিতে বসবাসরত কৃষ্ণাঙ্গ, এশিয়ান এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের (বিএএমই) সদস্যরা কোভিড-১৯ এর তীব্র ঝুঁকিতে আছেন বলে গবেষণায় ওঠে আসে। ব্রিটেনে করোনার সংকট বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তিনি গবেষণার সেই তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করতে শুরু করেন। আসলে কি ঘটছে সেটি জানার জন্য তিনি বেশ কিছু গবেষণায় গভীরভাবে চোখ বুলাতে শুরু করেন।

শাজ বলেন, ‘আমার একজন চাচাত বোন আছেন; যিনি মরিসন হাসপাতালের জুনিয়র চিকিৎসক। তিনি বলেন, এটা (কোভিড-১৯) এমন কিছু, যা নিয়ে আমাদের অত্যন্ত সতর্ক হওয়া দরকার।’

তিনি বলেন, আমরা স্বাস্থ্যবার্তা এবং ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম নিয়ে সবার দরজায় কড়া নাড়তে শুরু করি। মসজিদসহ সব ধরনের উপাসনালয় সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সেটি ছিল শুরুর দিকের প্রথম ক্ষতি। এটাই ছিল আতঙ্ক এবং আইসোলেশনের ধারণার প্রধান কেন্দ্র।

শাজ বলেন, আমি ফোনে আমার বন্ধুর মায়ের কাঁন্না শুনতে পাই। তিনি ফোনে কোরআনের আয়াত তেলাওয়াত করতেন। তিনি ব্যাখ্যা করতেন, কোরআনে মহামারি এবং সেটি মোকাবিলার উপায় সম্পর্কে বলা আছে।

এপ্রিলের শেষ থেকে মে মাসের শেষে পবিত্র রমজান মাসের সময়টা ছিল একেবারে অচেনা। শাজ বলেন, মসজিদে কোনও নামাজ হচ্ছে না, ইফতারির আয়োজন নেই এবং রমজানের শেষে কোনও উদযাপনও নেই।

সেই সময় সোয়ানসিতে বসবাসরত এক বাংলাদেশি ব্যবসায়ী এবং হোটেল মালিক কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তার ছোট ভাইও করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। এই ঘটনাটি পুরো কমিউনিটির মধ্যে নাড়া দেয়।

shaz-1

শাজ এবার অন্যদের সহায়তার কথা চিন্তা করেন। যা বাড়িতে থেকে শুরু হয়। তার মা এবং স্বামীর সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। তিনজনের সঙ্গে তার ননদ এবং ভাইও যোগ দেন। কিন্তু লকডাউনের কারণে তাদের পরিকল্পনায় ব্যাঘাত ঘটে।

তিনি বলেন, আমাদের অনেক কিছু সমন্বয় করে নিতে হয়েছিল। সোয়ানসি মুসলিম কমিউনিটির অন্যান্য নারীদের নিয়ে তিনি একটি দল গঠন করেন। এই দলের মাধ্যমে সেখানকার ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য বিনামূল্যে খাবার সরবরাহ শুরু করেন শাজ।

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূদ এই ব্রিটিশ নারী বলেন, আমি পেছনে বসে থাকতে চাইনি। করোনাকে জয়ী হতে দিতে চাইনি। মার্চ, এপ্রিল এবং মে পর্যন্ত খাবার ডেলিভারি দেন শাজ। তার ননদ গর্ভবতী হওয়ায় পরে বাড়িতে বসে কাজের তদারকি করেন তিনি।

শাজের এই প্রকল্প পরিচালনায় সহায়তা করে সোয়ানসি মসজিদ কর্তৃপক্ষ। এই মসজিদের নিজস্ব একটি ফুড ব্যাংক রয়েছে। শাজ বলেন, আমার মাথায় সেই সময় শুধু একটি বিষয়ই ঘুরপাক খাচ্ছিল।

তার ননদের সন্তান জন্মদানের সময় ঘনিয়ে এসেছে। বাড়িতে তিনি একাই থাকেন। এছাড়া তার শারীরিক অন্যান্য সমস্যাও আছে। শাজ তিনটি ব্যাগে খাবার এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ভরে তার বাসায় যান। শাজ বলেন, ‘তিনি খুবই কৃতজ্ঞ ছিলেন। তিনি বলেন, এটা এমন একটা সময় যখন সব দরজা বন্ধ তখন একটি দরজা খুলে গেছে।’

শাজের সহকর্মী আয়শা রায়হানা আমির এক বৃদ্ধের জীবন বাঁচিয়েছিলেন। তিনি দেখছিলেন, ওই প্রতিবেশি অন্যান্য স্বাভাবিক সময়ের মতো দরজা নাড়লে সাড়া দেন না। সেই সময় তিনি আতঙ্কিত হয়ে পুলিশকে টেলিফোনে ওই বৃদ্ধের সম্পর্কে জানান।

পুলিশের কর্মকর্তারা ওই বাড়িতে পৌঁছে দেখেন- তিনি স্ট্রোক করেছেন। পরে সেখান থেকে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। সোয়ানসি কাউন্সিলের প্রজেক্ট ম্যানেজার হিসেবে কাজ করেন শাজ।

shaz-mosque

তিনি বলেন, একজন ম্যানেজার হিসেবে আমাকে এটা নিশ্চিত করতে হয়েছিল যে, কর্মীরা নিরাপদ আছেন। সোয়ানসির কিছ পিছিয়ে পড়া এলাকায় কাজ করেন শাজ। বিশেষ এই এলাকায় যখন কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন, তখন তার অফিসের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানতে চেয়েছিলেন, মারা যাওয়ার ইচ্ছে আছে কিনা।

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শাজ বলেন, আমি এই এলাকায় আসার পর কোনও ধরনের জাতিগত বিদ্বেষ কিংবা বৈষম্যের শিকার হইনি। শাজ নিজেকে একজন ব্রিটিশ ওয়েলস মুসলিম মনে করেন; যিনি তার বাংলাদেশি পরিচয়ের জন্য গর্ব বোধ করেন।

ওয়েলসের সরকারি তথ্য বলছে, সোয়ানসি এলাকায় কৃষ্ণাঙ্গ, এশিয়ান এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রায় ২৬ হাজার ৪০০ মানুষের বসবাস। যা ওয়েলসের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১১ শতাংশ। করোনা মহামারি মোকাবিলায় ব্রিটেনে বসবাসরত বাংলাদেশিরা এভাবে একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে প্রাণ বাঁচানোর লড়াই জারি রেখেছেন। মহামারির এই প্রবল সঙ্কটপূর্ণ সময় একদিন ফুরিয়ে যাবে সেই আশা করছেন সবাই।

রয়টার্সের পরিসংখ্যান বলছে, বিশ্বজুড়ে এখন পর্যন্ত নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ কোটি ৮১ লাখের বেশি মানুষ এবং মারা গেছেন ৬ লাখ ৮৮ হাজারের বেশি। কিছু দেশ করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতি কেটে উঠছে বলে মনে হলেও বর্তমানে সেসব দেশে এই ভাইরাসের পুনরুত্থান দেখা গেছে।

ব্রিটেনে এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লাখ ১৩ হাজার ৪৮৩ জন এবং মারা গেছেন ৪৬ হাজার ২০০ জনের বেশি।

এসআইএস/পিআর

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৩,২০,৯০,৭৯৮
আক্রান্ত

৯,৮১,৯২৭
মৃত

২,৩৬,৭৪,১৭৮
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৩,৫৩,৮৪৪ ৫,০৪৪ ২,৬২,৯৫৩
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৭১,৩৯,৫৫৩ ২,০৬,৫৯৩ ৪৩,৯৮,৯০৭
ভারত ৫৭,৩০,১৮৪ ৯১,১৭৩ ৪৬,৭১,৮৫০
ব্রাজিল ৪৬,২৭,৭৮০ ১,৩৯,০৬৫ ৩৯,৯২,৮৮৬
রাশিয়া ১১,২২,২৪১ ১৯,৭৯৯ ৯,২৩,৬৯৯
কলম্বিয়া ৭,৮৪,২৬৮ ২৪,৭৪৬ ৬,৬২,২৭৭
পেরু ৭,৮২,৬৯৫ ৩১,৮৭০ ৬,৩৬,৪৮৯
মেক্সিকো ৭,১০,০৪৯ ৭৪,৯৪৯ ৫,১০,২৩৭
স্পেন ৬,৯৩,৫৫৬ ৩১,০৩৪ ১,৯৬,৯৫৮
১০ দক্ষিণ আফ্রিকা ৬,৬৫,১৮৮ ১৬,২০৬ ৫,৯৪,২২৯
১১ আর্জেন্টিনা ৬,৬৪,৭৯৯ ১৪,৩৭৬ ৫,২৫,৪৮৬
১২ ফ্রান্স ৪,৮১,১৪১ ৩১,৪৫৯ ৯৩,৫৩৮
১৩ চিলি ৪,৪৯,৯০৩ ১২,৩৪৫ ৪,২৫,১৬৫
১৪ ইরান ৪,৩২,৭৯৮ ২৪,৮৪০ ৩,৬৫,৮৪৬
১৫ যুক্তরাজ্য ৪,০৯,৭২৯ ৪৬,৭০৬ ৩৪৪
১৬ ইরাক ৩,৩২,৬৩৫ ৮,৭৫৪ ২,৬৪,৯৮৮
১৭ সৌদি আরব ৩,৩১,৩৫৯ ৪,৫৬৯ ৩,১৩,৭৮৬
১৮ তুরস্ক ৩,০৮,০৬৯ ৭,৭১১ ২,৭০,৭২৩
১৯ পাকিস্তান ৩,০৭,৪১৮ ৬,৪৩২ ২,৯৩,৯১৬
২০ ইতালি ৩,০২,৫৩৭ ৩৫,৭৫৮ ২,২০,৬৬৫
২১ ফিলিপাইন ২,৯৪,৫৯১ ৫,০৯১ ২,৩১,৩৭৩
২২ জার্মানি ২,৭৯,২০৫ ৯,৫০৮ ২,৪৯,৫০০
২৩ ইন্দোনেশিয়া ২,৫৭,৩৮৮ ৯,৯৭৭ ১,৮৭,৯৫৮
২৪ ইসরায়েল ২,০৪,৬৯০ ১,৩২৫ ১,৪৪,৯৬৩
২৫ ইউক্রেন ১,৮৪,৭৩৪ ৩,৭০৫ ৮১,৬৭০
২৬ কানাডা ১,৪৭,৭৫৬ ৯,২৪৩ ১,২৭,৭৮৮
২৭ বলিভিয়া ১,৩১,৯৯০ ৭,৭৩১ ৯১,৫৫৬
২৮ ইকুয়েডর ১,২৯,৮৯২ ১১,১৭১ ১,০২,৮৫২
২৯ কাতার ১,২৪,১৭৫ ২১২ ১,২১,০০৬
৩০ রোমানিয়া ১,১৬,৪১৫ ৪,৫৫০ ৯৩,৫৫৮
৩১ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,০৯,৭৩৭ ২,০৭৪ ৮৩,৪৩৪
৩২ পানামা ১,০৭,৯৯০ ২,২৯১ ৮৪,৪৩৭
৩৩ মরক্কো ১,০৭,৭৪৩ ১,৯১৮ ৮৮,২৪৪
৩৪ কাজাখস্তান ১,০৭,৪৫০ ১,৬৯৯ ১,০২,০৬৪
৩৫ বেলজিয়াম ১,০৫,২২৬ ৯,৯৯৬ ১৯,০৩৯
৩৬ মিসর ১,০২,৩৭৫ ৫,৮২২ ৯১,৮৪৩
৩৭ কুয়েত ১,০১,২৯৯ ৫৯০ ৯২,৩৪১
৩৮ নেদারল্যান্ডস ১,০০,৫৯৭ ৬,২৯৬ ২৫০
৩৯ ওমান ৯৫,৩৩৯ ৮৭৫ ৮৬,৪৮২
৪০ সুইডেন ৮৯,৭৫৬ ৫,৮৭৬ ৪,৯৭১
৪১ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৮৭,৫৩০ ৪০৬ ৭৬,৯৯৫
৪২ গুয়াতেমালা ৮৭,৪৪২ ৩,১৫৪ ৭৬,৪৫৯
৪৩ চীন ৮৫,৩১৪ ৪,৬৩৪ ৮০,৫১৩
৪৪ পোল্যান্ড ৮১,৬৭৩ ২,৩৪৪ ৬৫,৫৬১
৪৫ জাপান ৭৯,৭৬৮ ১,৫১২ ৭১,৯৮১
৪৬ বেলারুশ ৭৬,৩৫৭ ৭৯৬ ৭৩,৫৬৪
৪৭ হন্ডুরাস ৭২,৩০৬ ২,২০৬ ২৩,২৩০
৪৮ ইথিওপিয়া ৭১,০৮৩ ১,১৪১ ২৯,২৫৩
৪৯ পর্তুগাল ৭০,৪৬৫ ১,৯২৮ ৪৬,২৯০
৫০ ভেনেজুয়েলা ৬৮,৪৫৩ ৫৬৪ ৫৭,৭৭৪
৫১ কোস্টারিকা ৬৮,০৫৯ ৭৮১ ২৬,১৩৬
৫২ নেপাল ৬৭,৮০৪ ৪৩৬ ৪৯,৯৫৪
৫৩ বাহরাইন ৬৭,০১৪ ২৩১ ৬০,১১৭
৫৪ নাইজেরিয়া ৫৭,৭২৪ ১,১০২ ৪৮,৯৮৫
৫৫ সিঙ্গাপুর ৫৭,৬৩৯ ২৭ ৫৭,২৯১
৫৬ চেক প্রজাতন্ত্র ৫৫,৪৬৪ ৫৫৫ ২৬,৭০৯
৫৭ উজবেকিস্তান ৫৩,২৭৫ ৪৪৪ ৪৯,৬৪৯
৫৮ সুইজারল্যান্ড ৫১,১০১ ২,০৬০ ৪২,১০০
৫৯ আলজেরিয়া ৫০,৪০০ ১,৬৯৮ ৩৫,৪২৮
৬০ মলদোভা ৪৮,২৩২ ১,২৪৪ ৩৬,০৭১
৬১ আর্মেনিয়া ৪৭,৮৭৭ ৯৪২ ৪৩,০২৬
৬২ ঘানা ৪৬,১৫৩ ২৯৯ ৪৫,২৯৯
৬৩ কিরগিজস্তান ৪৫,৬৩০ ১,৪৯৮ ৪১,৯০৪
৬৪ অস্ট্রিয়া ৩৯,৯৮৪ ৭৭৭ ৩০,৯৪৯
৬৫ আজারবাইজান ৩৯,৫২৪ ৫৮০ ৩৭,১২২
৬৬ আফগানিস্তান ৩৯,১৪৫ ১,৪৪৬ ৩২,৬১০
৬৭ কেনিয়া ৩৭,৩৪৮ ৬৬৪ ২৪,২৫৩
৬৮ ফিলিস্তিন ৩৭,০৮৩ ২৭২ ২৬,২৮৮
৬৯ প্যারাগুয়ে ৩৫,৫৭১ ৭২৭ ১৯,৮৬৭
৭০ আয়ারল্যান্ড ৩৩,৬৭৫ ১,৭৯৪ ২৩,৩৬৪
৭১ সার্বিয়া ৩৩,০৮০ ৭৪৪ ৩১,৫৩৬
৭২ লেবানন ৩১,৭৯২ ৩২৮ ১৩,৫২৭
৭৩ লিবিয়া ৩০,০৯৭ ৪৬৯ ১৬,৪৩০
৭৪ এল সালভাদর ২৭,৯৫৪ ৮১৯ ২২,১১৩
৭৫ অস্ট্রেলিয়া ২৬,৯৮০ ৮৬১ ২৪,৪১৭
৭৬ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২৬,০৮১ ৭৯০ ১৮,৬৩৪
৭৭ ডেনমার্ক ২৪,৩৫৭ ৬৪৩ ১৮,৩৫৯
৭৮ দক্ষিণ কোরিয়া ২৩,৩৪১ ৩৯৩ ২০,৮৩২
৭৯ ক্যামেরুন ২০,৬৯০ ৪১৬ ১৯,১২৪
৮০ হাঙ্গেরি ২০,৪৫০ ৭০২ ৪,৬৪৪
৮১ আইভরি কোস্ট ১৯,৪৩০ ১২০ ১৮,৮৭৫
৮২ বুলগেরিয়া ১৯,২৮৩ ৭৭৯ ১৩,৮৬৭
৮৩ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১৭,০৪৯ ৭১০ ১৪,১৮৬
৮৪ গ্রীস ১৬,২৮৬ ৩৫৭ ৯,৯৮৯
৮৫ মাদাগাস্কার ১৬,১৬৭ ২২৬ ১৪,৭৮৮
৮৬ ক্রোয়েশিয়া ১৫,৩৪০ ২৫৭ ১৩,৮১৫
৮৭ সেনেগাল ১৪,৭৯৫ ৩০৩ ১১,৭১৮
৮৮ জাম্বিয়া ১৪,৪৪৩ ৩৩২ ১৩,৬২৯
৮৯ সুদান ১৩,৫৭৮ ৮৩৬ ৬,৭৬০
৯০ নরওয়ে ১৩,২৭৭ ২৬৭ ১০,৩৭১
৯১ আলবেনিয়া ১২,৭৮৭ ৩৭০ ৭,১৩৯
৯২ তিউনিশিয়া ১২,৪৭৯ ১৭৪ ২,৩৮৬
৯৩ নামিবিয়া ১০,৬৬৩ ১১৭ ৮,৪৩১
৯৪ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১০,৫৩৭ ২৭১ ১০,০৪১
৯৫ মালয়েশিয়া ১০,৫০৫ ১৩৩ ৯,৬০২
৯৬ গিনি ১০,৪৩৪ ৬৫ ৯,৮০১
৯৭ মালদ্বীপ ৯,৮৮৫ ৩৪ ৮,৫৩০
৯৮ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৯,৭৬২ ৬৫ ৯,৪৩১
৯৯ তাজিকিস্তান ৯,৪৭৫ ৭৪ ৮,২৪৪
১০০ মন্টিনিগ্রো ৯,৪২৮ ১৫১ ৫,৭২৮
১০১ ফিনল্যাণ্ড ৯,২৮৮ ৩৪৩ ৭,৮৫০
১০২ গ্যাবন ৮,৭১৬ ৫৪ ৭,৯০৬
১০৩ হাইতি ৮,৬৪৬ ২২৫ ৬,৫৫১
১০৪ লুক্সেমবার্গ ৮,০৯০ ১২৪ ৭,১৪০
১০৫ মায়ানমার ৭,৮২৭ ১৩৩ ২,০৮৫
১০৬ জিম্বাবুয়ে ৭,৭২৫ ২২৭ ৬,০০৭
১০৭ মৌরিতানিয়া ৭,৪২৫ ১৬১ ৭,০২৮
১০৮ স্লোভাকিয়া ৭,২৬৯ ৪১ ৩,৮৮৮
১০৯ মোজাম্বিক ৭,২৬২ ৪৯ ৪,৩৫০
১১০ উগান্ডা ৬,৮৭৯ ৬৯ ২,৯৬১
১১১ জর্ডান ৬,০৪২ ৩৫ ৩,৮১২
১১২ মালাউই ৫,৭৪৬ ১৭৯ ৪,১৪০
১১৩ কেপ ভার্দে ৫,৪১২ ৫৪ ৪,৮৩৭
১১৪ জিবুতি ৫,৪০৭ ৬১ ৫,৩৩৮
১১৫ জ্যামাইকা ৫,৩৯৫ ৭৬ ১,৪৪৪
১১৬ ইসওয়াতিনি ৫,৩৪৩ ১০৮ ৪,৬৯৩
১১৭ কিউবা ৫,২৭০ ১১৮ ৪,৫৮২
১১৮ নিকারাগুয়া ৫,০৭৩ ১৪৯ ২,৯১৩
১১৯ হংকং ৫,০৫০ ১০৩ ৪,৭৪৯
১২০ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,০১৮ ৮৩ ৪,৫০৯
১২১ কঙ্গো ৫,০০৫ ১১৪ ৩,৮৮৭
১২২ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৮০২ ৬২ ১,৮৩০
১২৩ রুয়ান্ডা ৪,৭৭৯ ২৭ ২,৯৯৫
১২৪ সুরিনাম ৪,৭৭৯ ১০১ ৪,৫৬০
১২৫ স্লোভেনিয়া ৪,৬৯৪ ১৪৩ ৩,১৬৮
১২৬ গুয়াদেলৌপ ৪,৪৮৭ ৪২ ২,১৯৯
১২৭ অ্যাঙ্গোলা ৪,৩৬৩ ১৫৯ ১,৪৭৩
১২৮ জর্জিয়া ৪,১৪০ ২৫ ১,৬৪৩
১২৯ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৪,১৩৬ ৬৭ ১,৯৬০
১৩০ লিথুনিয়া ৩,৯৩২ ৮৭ ২,২৪৬
১৩১ সিরিয়া ৩,৯২৪ ১৮১ ৯৯৮
১৩২ আরুবা ৩,৭২১ ২৫ ২,৫০১
১৩৩ বাহামা ৩,৬১৮ ৮০ ১,৯১৫
১৩৪ গাম্বিয়া ৩,৫৪২ ১১০ ২,০১১
১৩৫ মায়োত্তে ৩,৫৪১ ৪০ ২,৯৬৪
১৩৬ থাইল্যান্ড ৩,৫১৪ ৫৯ ৩,৩৪৫
১৩৭ রিইউনিয়ন ৩,৫০১ ১৫ ২,৪৮২
১৩৮ সোমালিয়া ৩,৪৬৫ ৯৮ ২,৮৭৭
১৩৯ শ্রীলংকা ৩,৩২৪ ১৩ ৩,১২৯
১৪০ মালি ৩,০৩৪ ১৩০ ২,৩৮২
১৪১ এস্তোনিয়া ৩,০৩৩ ৬৯ ২,৩৮৭
১৪২ মালটা ২,৮৫৬ ২৫ ২,১৭৩
১৪৩ দক্ষিণ সুদান ২,৬৬৪ ৪৯ ১,২৯০
১৪৪ বতসোয়ানা ২,৫৬৭ ১৩ ৬২৪
১৪৫ গায়ানা ২,৫৩৫ ৬৯ ১,৪৬৪
১৪৬ আইসল্যান্ড ২,৪৭৬ ১০ ২,১৪২
১৪৭ বেনিন ২,৩২৫ ৪০ ১,৯৫৪
১৪৮ গিনি বিসাউ ২,৩২৪ ৩৯ ১,৫৪৯
১৪৯ সিয়েরা লিওন ২,১৮৩ ৭২ ১,৬৬৫
১৫০ ইয়েমেন ২,০২৯ ৫৮৬ ১,২৪৫
১৫১ উরুগুয়ে ১,৯৪৬ ৪৭ ১,৬৬১
১৫২ বুর্কিনা ফাঁসো ১,৯২৯ ৫৬ ১,২৫২
১৫৩ নিউজিল্যান্ড ১,৮২৪ ২৫ ১,৭৩৭
১৫৪ এনডোরা ১,৭৫৩ ৫৩ ১,২০৩
১৫৫ টোগো ১,৭০১ ৪১ ১,২৯৭
১৫৬ বেলিজ ১,৬৬৯ ২১ ১,০০৪
১৫৭ সাইপ্রাস ১,৬৫৪ ২২ ১,৩৬৯
১৫৮ লাটভিয়া ১,৫৭২ ৩৬ ১,২৪৮
১৫৯ লেসোথো ১,৫০৭ ৩৫ ৭৬৬
১৬০ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১,৩৯৪ ১,১৭০
১৬১ লাইবেরিয়া ১,৩৩৭ ৮২ ১,২১৯
১৬২ মার্টিনিক ১,২৯০ ২০ ৯৮
১৬৩ নাইজার ১,১৯৩ ৬৯ ১,১০৭
১৬৪ চাদ ১,১৬৪ ৮২ ৯৯৭
১৬৫ ভিয়েতনাম ১,০৬৯ ৩৫ ৯৯১
১৬৬ সান ম্যারিনো ৭৩৫ ৪৫ ৬৬৯
১৬৭ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৬৮ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৬৭২ ৫৮১
১৬৯ চ্যানেল আইল্যান্ড ৬৫৪ ৪৮ ৫৭৫
১৭০ সিন্ট মার্টেন ৫৯৪ ২০ ৫১২
১৭১ পাপুয়া নিউ গিনি ৫২৭ ২৩২
১৭২ তাইওয়ান ৫০৯ ৪৮০
১৭৩ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৭৪ বুরুন্ডি ৪৭৬ ৪৬২
১৭৫ কমোরস ৪৭০ ৪৫৩
১৭৬ ফারে আইল্যান্ড ৪৫১ ৪১৬
১৭৭ মরিশাস ৩৬৭ ১০ ৩৩৯
১৭৮ সেন্ট মার্টিন ৩৬৭ ২৭৩
১৭৯ ইরিত্রিয়া ৩৬৪ ৩০৯
১৮০ জিব্রাল্টার ৩৫৭ ৩২৪
১৮১ আইল অফ ম্যান ৩৪০ ২৪ ৩১২
১৮২ মঙ্গোলিয়া ৩১৩ ৩০২
১৮৩ কিউরাসাও ৩০১ ১০৪
১৮৪ কম্বোডিয়া ২৭৫ ২৭৪
১৮৫ ভুটান ২৬১ ১৯৫
১৮৬ কেম্যান আইল্যান্ড ২১০ ২০৫
১৮৭ মোনাকো ১৯৯ ১৬৫
১৮৮ বার্বাডোস ১৮৯ ১৭৪
১৮৯ বারমুডা ১৮১ ১৬৭
১৯০ ব্রুনাই ১৪৫ ১৪২
১৯১ সিসিলি ১৪৩ ১৩৬
১৯২ লিচেনস্টেইন ১১৬ ১১০
১৯৩ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৯৭ ৯২
১৯৪ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৬৯ ৪৮
১৯৫ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ৬৯ ২১
১৯৬ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৬৪ ৬৪
১৯৭ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
১৯৮ সেন্ট বারথেলিমি ৪৫ ২৫
১৯৯ ফিজি ৩২ ২৮
২০০ সেন্ট লুসিয়া ২৭ ২৬
২০১ পূর্ব তিমুর ২৭ ২৭
২০২ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২৬ ২৬
২০৩ ডোমিনিকা ২৪ ১৮
২০৪ গ্রেনাডা ২৪ ২৪
২০৫ লাওস ২৩ ২২
২০৬ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৯ ১৭
২০৭ গ্রীনল্যাণ্ড ১৪ ১৪
২০৮ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২০৯ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২১০ ভ্যাটিকান সিটি ১২ ১২
২১১ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১২
২১২ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৩ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৪ এ্যাঙ্গুইলা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]