পারস্য উপসাগরে ইরানের সামরিক মহড়া
নিজেদের সামরিক শক্তি প্রদর্শন ও দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় সক্ষমতার প্রমাণ দিতে পারস্য উপসাগরে সামরিক মহড়া শুরু করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী বাহিনীর নৌ শাখা।
বুধবার (২ আগস্ট) আবু মুসা দ্বীপে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি আইআরজিসির প্রধান কমান্ডার মেজর জেনারেল হোসেন সালামি ও আইআরজিসি নৌবাহিনীর কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী-রেজা তাংসিরিসহ একদল সামরিক কমান্ডার-কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মহড়া শুরু হয়।
আরও পড়ুন>শ্রীলঙ্কায় ১০ মাসে মূল্যস্ফীতি কমলো ১০ গুণ, জনগণের স্বস্তি
এই মহড়ায় অপারেশনাল কমব্যাট, ভেসেল, মিসাইল, ড্রোন, এয়ার-সি, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার ও র্যাপিড রেসপন্স ইউনিট অংশ নিয়েছে।
আইআরজিসি নৌবাহিনীর ইমাম মুহাম্মদ বাকির অপারেশনাল ঘাঁটির কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী ওজমাই বলেছেন, ৬০০ কিলোমিটার পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সজ্জিত শহীদ হোজাজি স্পেশাল ইউনিটের জাহাজ মহড়ায় অংশ নিয়েছে।
ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট-লঞ্চিং জাহাজ ছাড়াও হেলিকপ্টার ও যুদ্ধবিমানও মহড়ায় অংশ নিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আরও পড়ুন>করাচিতে প্রকাশ্যে নারীকে যৌন হয়রানি
এই ইরানি কমান্ডার বলেন, মহড়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ফিচার হলো ড্রোন ও মনুষ্যবিহীন জাহাজের ব্যবহার, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে আপগ্রেড করা হয়েছে।
মহড়ার আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো হেলিকপ্টার ও বিমান ব্যবহার করে ১৫ মিনিটেরও কম সময়ে মূল ভূখণ্ড থেকে আবু মুসা দ্বীপ ও বৃহত্তর তুনবে সৈন্য স্থানান্তর।
তিনি সতর্ক করে বলেন, পারস্য উপসাগরে ট্রান্স-রিজিওনাল দেশগুলোর কোনো স্থান নেই ও তাদের এই অঞ্চল ছেড়ে চলে যেতে হবে।
এমএসএম