এমপি হান্নানসহ পাঁচজনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ


প্রকাশিত: ০৮:৪৪ পিএম, ২৪ মে ২০১৬

একাত্তরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটক ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনের সংসদ সদস্য এমএ হান্নানসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। পরে মামলার কার্যক্রম আগামী ১২ জুলাই দিন ধার্য করেন আদলত।

এ মামলায় এমএ হান্নান ছাড়া অন্য চারজন হচ্ছেন এম এ হান্নানের ছেলে রফিক সাজ্জাদ, ডা. খন্দকার গোলাম সাব্বির, মিজানুর রহমান মিন্টু ও হরমুজ আলী। পলাতক তিন আসামির পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. আনোয়ারুল হকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন। আদালতের শুনানিতে ছিলেন প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সিমন ও রেজিয়া সুলতানা চমন।

তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করেন প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সিমন। তার সঙ্গে ছিলেন রেজিয়া সুলতানা চমন। পরে প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন জানান, মামলার তদন্ত চলছে। তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়েছে। আগামী ১২ জুলাই চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ ঠিক করা হয়েছে। এর আগে মামলায় আটক আসামিদের সেফহোমে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

২০১৫ সালের ১৯ মে এমপি হান্নানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুর রহমানের স্ত্রী রহিমা খাতুন। ময়মনসিংহের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১নং আমলি আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পাঠিয়ে দেন আদালতের বিচারক আহসান হাবিব।

মামলায় এম এ হান্নান ছাড়াও জামায়াত নেতা ফকরুজ্জামান ও শহরতরীর গোলাম রব্বানীকে আসামি করা হয়। পরে তদন্তে আরো পাঁচজনের সম্পৃক্ততা পাওয়ায় এ মামলার আসামি হয়েছেন মোট আটজন।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে আসামিরা শহরের নতুন বাজারে অবস্থিত এম এ হান্নানের নিজ বাসভবন, জেলা পরিষদ ডাকবাংলো টর্চার সেলের দায়িত্বে থেকে মুক্তিকামী সাধারণ মানুষদের ধরে এনে হত্যা করে মরদেহ ব্রহ্মপুত্র নদের চরে ফেলে রাখেন। আসামিদের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহ অঞ্চলে গণহত্যা, নারী ধর্ষণ, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগসহ ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এফএইচ/বিএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।