গোপালগঞ্জের শ্রমিক নেতা বাসু হত্যা মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:২৪ এএম, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
বুধবার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন/প্রতীকী ছবি

গোপালগঞ্জ মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমান বাসু হত্যা মামলায় পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং আরও ১১ জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

আদালত জানিয়েছেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা চাইলে রায়ের বিরুদ্ধে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে পারবেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- বুলবুল শেখ, হেদায়েত শেখ, তফসির শেখ, ঝন্টু শেখ ও কিবরিয়া আল কাজী।

আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামি হলেন- মিন্টু শেখ, কেনাই মোল্লা, আলীমুজ্জামান বিটু ও প্রিন্স খান।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ইকবাল খাঁ, টুটুল শেখ, রনি শেখ, আকরাম আলী, হাবিল কাজী, বুলগান কাজী, সজিব শেখ, পনির শেখ, সিহাব শেখ, রাশেদ শেখ ওরফে রাশেদ খাঁ এবং শওকত শেখ।

আসামিদের মধ্যে রায় ঘোষণার সময় ১৭ জন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপক্ষ জানায়, ২০১৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে গোপালগঞ্জের কুয়াডাঙ্গা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় থেকে বাড়ি ফেরার পথে মৌলভীপাড়া এলাকায় সাইদুর রহমান বাসুর ওপর হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা তাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (নিটোর-পঙ্গু হাসপাতাল) এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় ১৯ ফেব্রুয়ারি নিহত বাসুর ছোট ভাই জাসু শেখ গোপালগঞ্জ সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরের বছর আদালত ২৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলায় মোট ২৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

এমডিএএ/ইএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।