গুরুতর রোগীর চিকিৎসা নিশ্চিতে ‘আইসিইউ হটলাইন’ চালুর নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:০৪ পিএম, ১৫ জুন ২০২০

করোনাভাইরাসের এ দুর্যোগকালে অক্সিজেন সিলিন্ডারের মূল্য নির্ধারণ, বেসরকারি হাসপাতাল মনিটরিংসহ সকল রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা নিয়ে ১০ দফা নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এ সংক্রান্ত পৃথক পৃথক কয়েকটি রিট আবেদনের শুনানির পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (১৫ জুন) হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমের বেঞ্চ (ভার্চুয়াল) এসব নির্দেশনা দেন।

নির্দেশনাগুলো হলো-

>> স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জারিকৃত নির্দেশনাসমূহ যথাযথভাবে পালিত হচ্ছে কি না, তা আগামী ৩০ জুন স্বাস্থ্য সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের আদালতে দাখিল করতে হবে।

>> উপরোক্ত নির্দেশনাসমূহ পালনে ব্যর্থ ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত কোনো ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে কি না প্রতিবেদনে তা উল্লেখ করতে হবে।

>> স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জারিকৃত নির্দেশনা অনুসারে ৫০ শয্যার অধিক বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহে ১৫ জুন পর্যন্ত কতজন কোভিড এবং নন-কোভিড রোগীর চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে সে সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরকে এ নির্দেশ পালন করতে হবে। পাশাপাশি ৫০ শয্যার অধিক বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহের একটি তালিকা চেয়েছেন আদালত।

>> বর্তমান প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশনাসমূহ বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ যথাযথভাবে প্রতিপালন করছে কি না, সে বিষয়ে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহের কর্তৃপক্ষকে ১৫ দিন পর পর একটি প্রতিবেদন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতরকে পাঠাতে হবে। ওই সকল প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ১৫ দিন পর পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরকে এ প্রতিবেদন আদালতে পাঠাতে বলা হয়েছে।

>> ঢাকা মহানগর ও জেলা, চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলাসহ বিভাগীয় শহরের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ যাতে কোভিড ও নন-কোভিড সকল রোগীকে পরিপূর্ণ চিকিৎসা সেবা প্রদান করে সে বিষয়ে সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতরকে একটি মনিটরিং সেল গঠনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

>> কোনো সরকারি বা বেসরকারি হাসপাতালে গুরুতর অসুস্থ কোনো রোগীকে চিকিৎসা সেবা প্রদানে অনীহা দেখালে এবং এতে করে ওই রোগীর মৃত্যু ঘটলে ‘তা অবহেলাজনিত মৃত্যু’ হিসেবে বিবেচিত অর্থাৎ ‘ফৌজদারি অপরাধ’ হিসেবে বিবেচিত হবে। দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার প্রদত্ত নির্দেশনা যথাযথভাবে দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

>> স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত সরকারি হাসপাতালে আইসিইউ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমকে অধিকতর জবাবদিহিমূলক ও বিস্তৃত করতে হবে। ভুক্তভোগীরা যাতে এ সেবা দ্রুত ও সহজভাবে পেতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে। কোন হাসপাতালের আইসিইউ-তে কতজন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং কতটি আইসিইউ শয্যা কী অবস্থায় আছে তার আপডেট প্রতিদিনের প্রচারিত স্বাস্থ্য বুলেটিন এবং অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ ও প্রচারের ব্যবস্থা নিতে হবে। আইসিইউ ব্যবস্থাপনা ও মনিটরিং সেলে ভুক্তভোগীরা যাতে সহজেই যোগাযোগ করতে পারে সেজন্য পৃথকভাবে ‘আইসিইউ হটলাইন’ নামে পৃথক হটলাইন চালু এবং হটলাইন নম্বরগুলো প্রতিদিন বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচার করতে হবে।

>> আইসিইউতে চিকিৎসাধীন কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসার ক্ষেত্রে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ মাত্রাতিরিক্ত বা অযৌক্তিক ফি আদায় যেন না করতে পারে সে বিষয়ে মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।

>> অক্সিজেন সিলিন্ডারের খুচরা মূল্য এবং রিফিলিংয়ের মূল্য নির্ধারণ করে দিতে খুচরা বিক্রেতাদের সিলিন্ডারের নির্ধারিত মূল্য প্রতিষ্ঠান/দোকানে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করতে হবে। কৃত্রিম সংকট রোধে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র এবং রোগীর পরিচয়পত্র ব্যতীত অক্সিজেন সিলিন্ডারের খুচরা বিক্রয় বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিবেচনা করতে পারে। অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রয় ব্যবস্থা মনিটরিং জোরদার করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরকে এ নির্দেশ পালন করতে বলা হয়েছে।

>> সরকার ইতিমধ্যে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা বিবেচনায় লাল, হলুদ ও সবুজ জোনে বিভক্ত করে পর্যায়ক্রমে লকডাউনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে। এমতাবস্থায় বর্তমান পর্যায়ে লকডাউনের বিষয়ে কোনো আদেশ দেয়া সঙ্গত হবে না মর্মে আদালত মনে করে।

উল্লেখ্য, গত ১১ মে সকল হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য বিভাগ কয়েকদফা নির্দেশনা দিয়ে নোটিশ জারি করে।

গত ১১ মে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে-

>> সকল সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল/ক্লিনিকে সন্দেহভাজন কোভিড রোগীদের চিকিৎসার জন্য পৃথক ব্যবস্থা থাকতে হবে।

>> চিকিৎসা সুবিধা থাকা সত্ত্বেও জরুরি চিকিৎসার জন্য আগত কোনো রোগীকে ফেরত দেয়া যাবে না। রেফার করতে হলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের ‘কোভিড হাসপাতাল নিয়ন্ত্রণ কক্ষের’ সঙ্গে যোগাযোগ করে রোগীর চিকিৎসার বিষয়টি সুনিশ্চিত করে রেফার করতে হবে।

>> দীর্ঘদিন ধরে যে সকল রোগী কিডনি ডায়ালাইসিসসহ বিভিন্ন চিকিৎসা গ্রহণ করছেন তারা কোভিড আক্রান্ত না হয়ে থাকলে তাদের চিকিৎসা অব্যাহত রাখতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, দেশের কোনো সরকারি বা বেসরকারি হাসপাতালে উল্লিখিত নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রচলিত বিধান অনুসারে লাইসেন্স বাতিলসহ প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে, করোনা পরিস্থিতিতে আইসিইউ, লকডাউন, সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন দাবিতে একাধিক রিট দায়ের করা হয়। ওই সব রিটের শুনানি শেষে আদালত আজকে এসব নির্দেশনা দেন।

আদালতে পৃথক পৃথক রিটের পক্ষে ছিলেন- আইনজীবী মনজিল মোরসেদ, আইনজীবী ইয়াদিয়া জামান, ব্যারিস্টার অনীক আর হক, আইনজীবী অ্যাডভোকেট এ এম জামিউল হক, মো. নাজমুল হুদা, মোহাম্মাদ মেহেদী হাসান এবং ব্যারিস্টার এ কে এম এহসানুর রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন- অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।

এর আগে, সরকারকে বেসরকারি হাসপাতালগুলোর আইসিইউ অধিগ্রহণ ও কেন্দ্রীয়ভাবে একটি সেন্ট্রাল বেড ব্যুরো গঠন করার নির্দেশনা চেয়ে একটি রিট করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের ডেপুটি রেজিস্ট্রার ডা. শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুনের পক্ষে আইনজীবী ইয়াদিয়া জামান।

করোনা রোগীদের চিকিৎসায় বেসরকারি হাসপাতালগুলোর প্রতি সরকার একটি নির্দেশনা দিয়েছেন। কিন্তু এ নির্দেশনার বাইরে গিয়ে তারা অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছে। এটা যেন না নিতে পারে, সে জন্য একটি রিট করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আইনুন্নাহার সিদ্দিকা। তার পক্ষে এই আবেদন করেন অপর আইনজীবী ব্যারিস্টার অনীক আর হক।

এর আগে গত ২৯ এপ্রিল বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে করোনাভাইরাস পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছে সরকার। এ জন্য সরকার ফি-ও নির্ধারণ করে দেয়। বেসরকারি হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো আন্তঃবিভাগ ও বহির্বিভাগে নমুনা পরীক্ষার জন্য ৩ হাজার ৫০০ টাকা নিতে পারবে। তবে কোনো প্রতিষ্ঠান বাড়িতে গিয়ে রোগীর নমুনা সংগ্রহ করলে বাড়তি এক হাজার টাকা (৪৫০০ টাকা) নিতে পারবে।

২৯ এপ্রিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের থেকে এমন তথ্য জানিয়ে আরও বলা হয়, তারা শুধু তাদের হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের নমুনা পরীক্ষা করতে পারবেন।

এফএইচ/এফআর/পিআর

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৪,৩৬,১৫,৬৫১
আক্রান্ত

১১,৬২,৪২১
মৃত

৩,২০,৫৯,৫০৯
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৪,০০,২৫১ ৫,৮১৮ ৩,১৬,৬০০
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৮৯,১২,৬৫০ ২,৩০,৬৪৯ ৫৭,৮৮,৮৩৩
ভারত ৭৯,৪৫,৭৭৭ ১,১৯,৫৩৪ ৭১,৯৮,৬৬০
ব্রাজিল ৫৩,৯৫,৯২০ ১,৫৭,২২৬ ৪৮,৩৫,৯১৫
রাশিয়া ১৫,৩১,২২৪ ২৬,২৬৯ ১১,৪৬,০৯৬
ফ্রান্স ১১,৬৫,২৭৮ ৩৫,০১৮ ১,১১,৩৪৭
স্পেন ১১,১০,৩৭২ ৩৪,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
আর্জেন্টিনা ১০,৯০,৫৮৯ ২৮,৮৯৬ ৮,৯৪,৮১৯
কলম্বিয়া ১০,১৫,৮৮৫ ৩০,১৫৪ ৯,১৫,৪৫১
১০ যুক্তরাজ্য ৮,৯৪,৬৯০ ৪৬,৭০৬ ৩৪৪
১১ মেক্সিকো ৮,৯১,১৬০ ৮৮,৯২৪ ৬,৫০,৩৫৫
১২ পেরু ৮,৮৮,৭১৫ ৩৪,১৪৯ ৮,০৭,৬৩৬
১৩ দক্ষিণ আফ্রিকা ৭,১৫,৮৬৮ ১৮,৯৬৮ ৬,৪৬,১৭০
১৪ ইরান ৫,৭৪,৮৫৬ ৩২,৯৫৩ ৪,৫৯,২৫০
১৫ ইতালি ৫,৪২,৭৮৯ ৩৭,৪৭৯ ২,৬৮,৬২৬
১৬ চিলি ৫,০৩,৫৯৮ ১৪,০০৩ ৪,৭৯,৮৭৭
১৭ ইরাক ৪,৫৫,৩৯৮ ১০,৬৭১ ৩,৮৪,৫৯৩
১৮ জার্মানি ৪,৪৬,৮০৫ ১০,১৭০ ৩,২১,৬০০
১৯ ইন্দোনেশিয়া ৩,৯২,৯৩৪ ১৩,৪১১ ৩,১৭,৬৭২
২০ ফিলিপাইন ৩,৭১,৬৩০ ৭,০৩৯ ৩,২৮,২৫৮
২১ তুরস্ক ৩,৬৩,৯৯৯ ৯,৮৭৪ ৩,১৬,০০৮
২২ ইউক্রেন ৩,৪৮,৯২৪ ৬,৪৬৪ ১,৪২,৫৩৭
২৩ সৌদি আরব ৩,৪৫,২৩২ ৫,৩১৩ ৩,৩১,৬৯১
২৪ পাকিস্তান ৩,২৮,৬০২ ৬,৭৩৯ ৩,১১,০৭৫
২৫ বেলজিয়াম ৩,২১,০৩১ ১০,৮১০ ২৩,০৮৭
২৬ ইসরায়েল ৩,১০,৬০০ ২,৪৪০ ২,৯৪,৭৮২
২৭ নেদারল্যান্ডস ৩,০১,৫৯৭ ৭,০৭২ ২৫০
২৮ পোল্যান্ড ২,৬৩,৯২৯ ৪,৪৮৩ ১,১৫,৩০২
২৯ চেক প্রজাতন্ত্র ২,৬৩,৫৭২ ২,৩৩৭ ৯৮,৩৬৯
৩০ কানাডা ২,১৭,৭৬৩ ৯,৯৬২ ১,৮৩,১০২
৩১ রোমানিয়া ২,১২,৪৯২ ৬,৪৭০ ১,৫১,৮১১
৩২ মরক্কো ১,৯৯,৭৪৫ ৩,৩৭৩ ১,৬৫,৯২২
৩৩ ইকুয়েডর ১,৬১,৬৩৫ ১২,৫৫৩ ১,৪১,৭৫৯
৩৪ নেপাল ১,৫৯,৮৩০ ৮৬২ ১,১৫,৬৭৫
৩৫ বলিভিয়া ১,৪০,৮৫৩ ৮,৬৪৫ ১,০৮,৬৫৮
৩৬ কাতার ১,৩১,৪৩২ ২৩০ ১,২৮,৩৪৩
৩৭ পানামা ১,২৯,২০০ ২,৬৩৩ ১,০৫,২৩১
৩৮ সংযুক্ত আরব আমিরাত ১,২৬,২৩৪ ৪৮০ ১,২০,৭৫০
৩৯ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,২৪,৮৪৩ ২,২২৫ ১,০৩,০৮১
৪০ কুয়েত ১,২২,৩১৭ ৭৪৯ ১,১৩,৩৯১
৪১ পর্তুগাল ১,২১,১৩৩ ২,৩৪৩ ৬৯,৯৫৬
৪২ সুইজারল্যান্ড ১,২১,০৯৩ ২,১৪৫ ৬১,৭০০
৪৩ ওমান ১,১৩,৩৫৪ ১,১৯০ ৯৯,৬৬৮
৪৪ সুইডেন ১,১০,৫৯৪ ৫,৯৩৩ ৪,৯৭১
৪৫ কাজাখস্তান ১,১০,৫৪২ ১,৭৯৬ ১,০৫,৬৭৫
৪৬ মিসর ১,০৬,৫৪০ ৬,১৯৯ ৯৮,৯০৩
৪৭ গুয়াতেমালা ১,০৪,৮৯৪ ৩,৬৫১ ৯৪,৫৩০
৪৮ কোস্টারিকা ১,০৩,০৮৮ ১,২৮২ ৬২,০৩৭
৪৯ জাপান ৯৭,০৭৪ ১,৭১৮ ৮৯,৭০৯
৫০ বেলারুশ ৯৩,৭০৭ ৯৬১ ৮৩,৭৪৮
৫১ ইথিওপিয়া ৯৩,৭০৭ ১,৪৩৭ ৪৮,১৫০
৫২ হন্ডুরাস ৯৩,২১৪ ২,৬২৩ ৩৭,৯৯৬
৫৩ ভেনেজুয়েলা ৮৯,৫৬৫ ৭৭৩ ৮৪,৭২০
৫৪ চীন ৮৫,৮১০ ৪,৬৩৪ ৮০,৯১১
৫৫ অস্ট্রিয়া ৮৩,২৬৭ ৯৯২ ৫৯,০৩৬
৫৬ বাহরাইন ৮০,২৫৫ ৩১৫ ৭৬,৭৭৬
৫৭ আর্মেনিয়া ৭৮,৮১০ ১,১৯৬ ৫১,১৬২
৫৮ লেবানন ৭২,১৮৬ ৫৭৯ ৩৫,৫৪৫
৫৯ মলদোভা ৭১,৮১১ ১,৭০০ ৫২,৭৩০
৬০ উজবেকিস্তান ৬৫,৫৭৭ ৫৫২ ৬২,৭৪২
৬১ নাইজেরিয়া ৬১,৯৯২ ১,১৩০ ৫৭,৪৬৫
৬২ হাঙ্গেরি ৬১,৫৬৩ ১,৪৭২ ১৬,৪৯১
৬৩ প্যারাগুয়ে ৫৯,৫৯৪ ১,৩০৯ ৩৯,৭৩৫
৬৪ আয়ারল্যান্ড ৫৮,০৬৭ ১,৮৮৫ ২৩,৩৬৪
৬৫ সিঙ্গাপুর ৫৭,৯৭৩ ২৮ ৫৭,৮৭৯
৬৬ লিবিয়া ৫৭,২২৩ ৮০১ ৩১,৫১৫
৬৭ আলজেরিয়া ৫৬,৪১৯ ১,৯২২ ৩৯,২৭৩
৬৮ কিরগিজস্তান ৫৬,১৭০ ১,৪৯৮ ৪৭,৮৪৩
৬৯ জর্ডান ৫৫,০৫৫ ৬২৪ ৭,৫০৮
৭০ তিউনিশিয়া ৫২,৩৯৯ ৯৮৩ ৫,০৩২
৭১ ফিলিস্তিন ৫০,৯৫২ ৪৫৪ ৪৪,০৫৫
৭২ আজারবাইজান ৫০,৪৮৬ ৬৭৯ ৪১,৪১০
৭৩ কেনিয়া ৪৯,৯৯৭ ৯২০ ৩৪,৪২৯
৭৪ ঘানা ৪৭,৬৯০ ৩১৬ ৪৬,৮৮৭
৭৫ মায়ানমার ৪৬,২০০ ১,১২২ ২৬,০০৭
৭৬ স্লোভাকিয়া ৪৫,১৫৫ ১৬৫ ১০,১৩০
৭৭ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৪১,৫৯৬ ১,১০৪ ২৬,৫৪২
৭৮ ডেনমার্ক ৪১,৪১২ ৭০৮ ৩২,২৩৭
৭৯ আফগানিস্তান ৪০,৯৩৭ ১,৫১৮ ৩৪,১৫০
৮০ সার্বিয়া ৩৯,৮২৭ ৭৯৩ ৩১,৫৩৬
৮১ বুলগেরিয়া ৩৭,৮৮৯ ১,০৯৪ ১৮,৩৫৪
৮২ ক্রোয়েশিয়া ৩৭,২০৮ ৪৫২ ২৫,৮৩৭
৮৩ এল সালভাদর ৩২,৯২৫ ৯৫৩ ২৮,৫৮২
৮৪ গ্রীস ৩১,৪৯৬ ৫৮১ ৯,৯৮৯
৮৫ জর্জিয়া ৩০,৩০৩ ২১৫ ১১,৩৭০
৮৬ মালয়েশিয়া ২৭,৮০৫ ২৩৬ ১৭,৮২৫
৮৭ অস্ট্রেলিয়া ২৭,৫২৮ ৯০৫ ২৫,১৯৯
৮৮ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২৭,১৯৯ ৯৩৪ ১৮,৯৪৮
৮৯ দক্ষিণ কোরিয়া ২৫,৯৫৫ ৪৫৭ ২৩,৯০৫
৯০ স্লোভেনিয়া ২৪,০৮০ ২৫১ ৮,৫৮২
৯১ ক্যামেরুন ২১,৫৭০ ৪২৫ ২০,১১৭
৯২ আইভরি কোস্ট ২০,৪৭০ ১২২ ২০,১৬৬
৯৩ আলবেনিয়া ১৯,৪৪৫ ৪৮০ ১০,৭০৫
৯৪ নরওয়ে ১৮,১১০ ২৭৯ ১১,৮৬৩
৯৫ মাদাগাস্কার ১৬,৯৬৮ ২৪৪ ১৬,৩০১
৯৬ মন্টিনিগ্রো ১৬,৯০৯ ২৭০ ১৩,০১৬
৯৭ জাম্বিয়া ১৬,২০০ ৩৪৮ ১৫,৪৪৫
৯৮ সেনেগাল ১৫,৫৬৫ ৩২২ ১৪,৩১৬
৯৯ ফিনল্যাণ্ড ১৪,৯৭০ ৩৫৫ ৯,৮০০
১০০ লুক্সেমবার্গ ১৪,৩৯৯ ১৪৭ ৯,৫৭০
১০১ সুদান ১৩,৭৪৭ ৮৩৭ ৬,৭৬৪
১০২ নামিবিয়া ১২,৬৬০ ১৩৩ ১০,৭৭৯
১০৩ মোজাম্বিক ১২,১৬১ ৮৮ ৯,২৫৪
১০৪ গিনি ১১,৬৩৫ ৭১ ১০,৪৭৪
১০৫ উগান্ডা ১১,৫৫৭ ১০১ ৭,৩৫১
১০৬ মালদ্বীপ ১১,৫৩২ ৩৭ ১০,৫৬৩
১০৭ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১১,১৭৪ ৩০৫ ১০,৪৬৮
১০৮ লিথুনিয়া ১০,৯৪৯ ১৩৬ ৪,১৬৬
১০৯ তাজিকিস্তান ১০,৮১৯ ৮১ ৯,৯৫১
১১০ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ১০,৩৮৫ ৬৯ ৯,৯৯৫
১১১ অ্যাঙ্গোলা ৯,৩৮১ ২৬৮ ৩,৫০৮
১১২ হাইতি ৯,০২৬ ২৩২ ৭,৩৭৩
১১৩ গ্যাবন ৮,৯১৯ ৫৪ ৮,৫১২
১১৪ জ্যামাইকা ৮,৭৪৯ ১৯২ ৪,৩০৩
১১৫ শ্রীলংকা ৮,৪১৩ ১৬ ৩,৯৩৩
১১৬ কেপ ভার্দে ৮,৩৯৬ ৯৪ ৭,২৮৫
১১৭ জিম্বাবুয়ে ৮,২৭৬ ২৩৭ ৭,৭৯৭
১১৮ মৌরিতানিয়া ৭,৬৬৪ ১৬৩ ৭,৩৮৫
১১৯ গুয়াদেলৌপ ৭,৩২৯ ১১৫ ২,১৯৯
১২০ কিউবা ৬,৫৯৫ ১২৮ ৬,০২৯
১২১ বাহামা ৬,৪১০ ১৩২ ৩,৯৪৮
১২২ বতসোয়ানা ৬,২৮৩ ২১ ৪,৪৩৮
১২৩ মালাউই ৫,৮৯৪ ১৮৩ ৫,২৯৪
১২৪ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৫,৮৫৯ ২০ ৩,৬৮৫
১২৫ ইসওয়াতিনি ৫,৮৫৪ ১১৬ ৫,৫০২
১২৬ মালটা ৫,৫৭৮ ৫৩ ৩,৬৩০
১২৭ জিবুতি ৫,৫৪১ ৬১ ৫,৪০৯
১২৮ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৫,৫১১ ১০৫ ৪,০৮৫
১২৯ নিকারাগুয়া ৫,৪৩৪ ১৫৫ ৪,২২৫
১৩০ সিরিয়া ৫,৪০৮ ২৬৯ ১,৭৫৩
১৩১ রিইউনিয়ন ৫,৩৬১ ২০ ৪,৬৩০
১৩২ হংকং ৫,৩০৪ ১০৫ ৫,০৫০
১৩৩ কঙ্গো ৫,২৫৩ ১১৪ ৩,৮৮৭
১৩৪ সুরিনাম ৫,১৭০ ১০৯ ৫,০৩২
১৩৫ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,০৭৯ ৮৩ ৪,৯৬২
১৩৬ রুয়ান্ডা ৫,০৬৬ ৩৪ ৪,৮৩০
১৩৭ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৮৬২ ৬২ ১,৯২৪
১৩৮ লাটভিয়া ৪,৭৫৭ ৬০ ১,৩৫৭
১৩৯ আইসল্যান্ড ৪,৫০৪ ১১ ৩,৪৬৩
১৪০ এস্তোনিয়া ৪,৪২৮ ৭৩ ৩,৫০৫
১৪১ আরুবা ৪,৪২০ ৩৬ ৪,২০৯
১৪২ এনডোরা ৪,৩২৫ ৭২ ২,৯৫৭
১৪৩ মায়োত্তে ৪,৩২১ ৪৪ ২,৯৬৪
১৪৪ গায়ানা ৪,০২৩ ১১৯ ২,৯৭০
১৪৫ সোমালিয়া ৩,৯৪১ ১০৪ ৩,১৮৫
১৪৬ থাইল্যান্ড ৩,৭৪৩ ৫৯ ৩,৫৪৩
১৪৭ গাম্বিয়া ৩,৬৬০ ১১৯ ২,৬৬০
১৪৮ সাইপ্রাস ৩,৫৪৫ ২৫ ১,৮৮২
১৪৯ মালি ৩,৪৯৯ ১৩৩ ২,৬৬৪
১৫০ বেলিজ ৩,১৪৫ ৫০ ১,৯৬১
১৫১ দক্ষিণ সুদান ২,৮৮৩ ৫৬ ১,২৯০
১৫২ উরুগুয়ে ২,৮৫১ ৫৩ ২,৩৫১
১৫৩ বেনিন ২,৫৫৭ ৪১ ২,৩৩০
১৫৪ বুর্কিনা ফাঁসো ২,৪৫১ ৬৫ ২,০১৯
১৫৫ গিনি বিসাউ ২,৪০৩ ৪১ ১,৮১৮
১৫৬ সিয়েরা লিওন ২,৩৪৬ ৭৪ ১,৭৮৭
১৫৭ মার্টিনিক ২,২৫৭ ২৪ ৯৮
১৫৮ টোগো ২,২০০ ৫২ ১,৬০০
১৫৯ ইয়েমেন ২,০৬০ ৫৯৯ ১,৩৬০
১৬০ নিউজিল্যান্ড ১,৯৪০ ২৫ ১,৮৪১
১৬১ লেসোথো ১,৯৪০ ৪৩ ৯৭০
১৬২ চাদ ১,৪৩৭ ৯৬ ১,২৬৮
১৬৩ লাইবেরিয়া ১,৩৯৩ ৮২ ১,২৭৮
১৬৪ নাইজার ১,২১৫ ৬৯ ১,১২৮
১৬৫ ভিয়েতনাম ১,১৬৯ ৩৫ ১,০৬১
১৬৬ কিউরাসাও ৮৭৩ ৫৯০
১৬৭ সান ম্যারিনো ৮৫২ ৪৫ ৭১৬
১৬৮ চ্যানেল আইল্যান্ড ৭৯৬ ৪৮ ৬৭১
১৬৯ সিন্ট মার্টেন ৭৮৪ ২২ ৭০৫
১৭০ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫৯
১৭১ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৭০১ ৬৮৯
১৭২ জিব্রাল্টার ৬৭০ ৫৩২
১৭৩ পাপুয়া নিউ গিনি ৫৮৮ ৫৪৬
১৭৪ বুরুন্ডি ৫৫৭ ৫১১
১৭৫ তাইওয়ান ৫৫০ ৪৯৭
১৭৬ সেন্ট মার্টিন ৫৩৮ ৪২২
১৭৭ কমোরস ৫১৭ ৪৯৪
১৭৮ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৭৯ ফারে আইল্যান্ড ৪৯০ ৪৭৮
১৮০ ইরিত্রিয়া ৪৬১ ৪০৫
১৮১ মরিশাস ৪৩৫ ১০ ৩৮৬
১৮২ লিচেনস্টেইন ৪০২ ২১০
১৮৩ আইল অফ ম্যান ৩৫১ ২৪ ৩২১
১৮৪ ভুটান ৩৪২ ৩০৭
১৮৫ মঙ্গোলিয়া ৩৩৯ ৩১২
১৮৬ মোনাকো ৩০৬ ২৪৪
১৮৭ কম্বোডিয়া ২৮৭ ২৮৩
১৮৮ কেম্যান আইল্যান্ড ২৩৯ ২১৫
১৮৯ বার্বাডোস ২২৭ ২০৮
১৯০ বারমুডা ১৯০ ১৭৫
১৯১ সিসিলি ১৫৩ ১৪৯
১৯২ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১৫০ ১২১
১৯৩ ব্রুনাই ১৪৮ ১৪৩
১৯৪ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১২৪ ১০৮
১৯৫ সেন্ট বারথেলিমি ৭৭ ৬৬
১৯৬ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৭৩ ৬৬
১৯৭ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৭১ ৭০
১৯৮ সেন্ট লুসিয়া ৫৪ ২৭
১৯৯ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
২০০ ডোমিনিকা ৩৮ ২৯
২০১ ফিজি ৩৩ ৩০
২০২ পূর্ব তিমুর ২৯ ৩১
২০৩ গ্রেনাডা ২৮ ২৪
২০৪ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২৭ ২৭
২০৫ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২০৬ লাওস ২৪ ২২
২০৭ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৯ ১৯
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ১৭ ১৬
২০৯ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১৬ ১২
২১০ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২১১ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২১২ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৩ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৪ সলোমান আইল্যান্ড
২১৫ এ্যাঙ্গুইলা
২১৬ ওয়ালিস ও ফুটুনা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]