গুরুতর রোগীর চিকিৎসা নিশ্চিতে ‘আইসিইউ হটলাইন’ চালুর নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:০৪ পিএম, ১৫ জুন ২০২০

করোনাভাইরাসের এ দুর্যোগকালে অক্সিজেন সিলিন্ডারের মূল্য নির্ধারণ, বেসরকারি হাসপাতাল মনিটরিংসহ সকল রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা নিয়ে ১০ দফা নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এ সংক্রান্ত পৃথক পৃথক কয়েকটি রিট আবেদনের শুনানির পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (১৫ জুন) হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমের বেঞ্চ (ভার্চুয়াল) এসব নির্দেশনা দেন।

নির্দেশনাগুলো হলো-

>> স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জারিকৃত নির্দেশনাসমূহ যথাযথভাবে পালিত হচ্ছে কি না, তা আগামী ৩০ জুন স্বাস্থ্য সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের আদালতে দাখিল করতে হবে।

>> উপরোক্ত নির্দেশনাসমূহ পালনে ব্যর্থ ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত কোনো ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে কি না প্রতিবেদনে তা উল্লেখ করতে হবে।

>> স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জারিকৃত নির্দেশনা অনুসারে ৫০ শয্যার অধিক বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহে ১৫ জুন পর্যন্ত কতজন কোভিড এবং নন-কোভিড রোগীর চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে সে সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরকে এ নির্দেশ পালন করতে হবে। পাশাপাশি ৫০ শয্যার অধিক বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহের একটি তালিকা চেয়েছেন আদালত।

>> বর্তমান প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশনাসমূহ বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ যথাযথভাবে প্রতিপালন করছে কি না, সে বিষয়ে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহের কর্তৃপক্ষকে ১৫ দিন পর পর একটি প্রতিবেদন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতরকে পাঠাতে হবে। ওই সকল প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ১৫ দিন পর পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরকে এ প্রতিবেদন আদালতে পাঠাতে বলা হয়েছে।

>> ঢাকা মহানগর ও জেলা, চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলাসহ বিভাগীয় শহরের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ যাতে কোভিড ও নন-কোভিড সকল রোগীকে পরিপূর্ণ চিকিৎসা সেবা প্রদান করে সে বিষয়ে সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতরকে একটি মনিটরিং সেল গঠনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

>> কোনো সরকারি বা বেসরকারি হাসপাতালে গুরুতর অসুস্থ কোনো রোগীকে চিকিৎসা সেবা প্রদানে অনীহা দেখালে এবং এতে করে ওই রোগীর মৃত্যু ঘটলে ‘তা অবহেলাজনিত মৃত্যু’ হিসেবে বিবেচিত অর্থাৎ ‘ফৌজদারি অপরাধ’ হিসেবে বিবেচিত হবে। দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার প্রদত্ত নির্দেশনা যথাযথভাবে দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

>> স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত সরকারি হাসপাতালে আইসিইউ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমকে অধিকতর জবাবদিহিমূলক ও বিস্তৃত করতে হবে। ভুক্তভোগীরা যাতে এ সেবা দ্রুত ও সহজভাবে পেতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে। কোন হাসপাতালের আইসিইউ-তে কতজন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং কতটি আইসিইউ শয্যা কী অবস্থায় আছে তার আপডেট প্রতিদিনের প্রচারিত স্বাস্থ্য বুলেটিন এবং অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ ও প্রচারের ব্যবস্থা নিতে হবে। আইসিইউ ব্যবস্থাপনা ও মনিটরিং সেলে ভুক্তভোগীরা যাতে সহজেই যোগাযোগ করতে পারে সেজন্য পৃথকভাবে ‘আইসিইউ হটলাইন’ নামে পৃথক হটলাইন চালু এবং হটলাইন নম্বরগুলো প্রতিদিন বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচার করতে হবে।

>> আইসিইউতে চিকিৎসাধীন কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসার ক্ষেত্রে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ মাত্রাতিরিক্ত বা অযৌক্তিক ফি আদায় যেন না করতে পারে সে বিষয়ে মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।

>> অক্সিজেন সিলিন্ডারের খুচরা মূল্য এবং রিফিলিংয়ের মূল্য নির্ধারণ করে দিতে খুচরা বিক্রেতাদের সিলিন্ডারের নির্ধারিত মূল্য প্রতিষ্ঠান/দোকানে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করতে হবে। কৃত্রিম সংকট রোধে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র এবং রোগীর পরিচয়পত্র ব্যতীত অক্সিজেন সিলিন্ডারের খুচরা বিক্রয় বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিবেচনা করতে পারে। অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রয় ব্যবস্থা মনিটরিং জোরদার করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরকে এ নির্দেশ পালন করতে বলা হয়েছে।

>> সরকার ইতিমধ্যে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা বিবেচনায় লাল, হলুদ ও সবুজ জোনে বিভক্ত করে পর্যায়ক্রমে লকডাউনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে। এমতাবস্থায় বর্তমান পর্যায়ে লকডাউনের বিষয়ে কোনো আদেশ দেয়া সঙ্গত হবে না মর্মে আদালত মনে করে।

উল্লেখ্য, গত ১১ মে সকল হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য বিভাগ কয়েকদফা নির্দেশনা দিয়ে নোটিশ জারি করে।

গত ১১ মে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে-

>> সকল সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল/ক্লিনিকে সন্দেহভাজন কোভিড রোগীদের চিকিৎসার জন্য পৃথক ব্যবস্থা থাকতে হবে।

>> চিকিৎসা সুবিধা থাকা সত্ত্বেও জরুরি চিকিৎসার জন্য আগত কোনো রোগীকে ফেরত দেয়া যাবে না। রেফার করতে হলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের ‘কোভিড হাসপাতাল নিয়ন্ত্রণ কক্ষের’ সঙ্গে যোগাযোগ করে রোগীর চিকিৎসার বিষয়টি সুনিশ্চিত করে রেফার করতে হবে।

>> দীর্ঘদিন ধরে যে সকল রোগী কিডনি ডায়ালাইসিসসহ বিভিন্ন চিকিৎসা গ্রহণ করছেন তারা কোভিড আক্রান্ত না হয়ে থাকলে তাদের চিকিৎসা অব্যাহত রাখতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, দেশের কোনো সরকারি বা বেসরকারি হাসপাতালে উল্লিখিত নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রচলিত বিধান অনুসারে লাইসেন্স বাতিলসহ প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে, করোনা পরিস্থিতিতে আইসিইউ, লকডাউন, সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন দাবিতে একাধিক রিট দায়ের করা হয়। ওই সব রিটের শুনানি শেষে আদালত আজকে এসব নির্দেশনা দেন।

আদালতে পৃথক পৃথক রিটের পক্ষে ছিলেন- আইনজীবী মনজিল মোরসেদ, আইনজীবী ইয়াদিয়া জামান, ব্যারিস্টার অনীক আর হক, আইনজীবী অ্যাডভোকেট এ এম জামিউল হক, মো. নাজমুল হুদা, মোহাম্মাদ মেহেদী হাসান এবং ব্যারিস্টার এ কে এম এহসানুর রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন- অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।

এর আগে, সরকারকে বেসরকারি হাসপাতালগুলোর আইসিইউ অধিগ্রহণ ও কেন্দ্রীয়ভাবে একটি সেন্ট্রাল বেড ব্যুরো গঠন করার নির্দেশনা চেয়ে একটি রিট করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের ডেপুটি রেজিস্ট্রার ডা. শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুনের পক্ষে আইনজীবী ইয়াদিয়া জামান।

করোনা রোগীদের চিকিৎসায় বেসরকারি হাসপাতালগুলোর প্রতি সরকার একটি নির্দেশনা দিয়েছেন। কিন্তু এ নির্দেশনার বাইরে গিয়ে তারা অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছে। এটা যেন না নিতে পারে, সে জন্য একটি রিট করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আইনুন্নাহার সিদ্দিকা। তার পক্ষে এই আবেদন করেন অপর আইনজীবী ব্যারিস্টার অনীক আর হক।

এর আগে গত ২৯ এপ্রিল বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে করোনাভাইরাস পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছে সরকার। এ জন্য সরকার ফি-ও নির্ধারণ করে দেয়। বেসরকারি হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো আন্তঃবিভাগ ও বহির্বিভাগে নমুনা পরীক্ষার জন্য ৩ হাজার ৫০০ টাকা নিতে পারবে। তবে কোনো প্রতিষ্ঠান বাড়িতে গিয়ে রোগীর নমুনা সংগ্রহ করলে বাড়তি এক হাজার টাকা (৪৫০০ টাকা) নিতে পারবে।

২৯ এপ্রিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের থেকে এমন তথ্য জানিয়ে আরও বলা হয়, তারা শুধু তাদের হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের নমুনা পরীক্ষা করতে পারবেন।

এফএইচ/এফআর/পিআর

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১,৩০,৩৬,৫৮৭
আক্রান্ত

৫,৭১,৫৭৪
মৃত

৭৫,৮২,৪২৬
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ১,৮৩,৭৯৫ ২,৩৫২ ৯৩,৬১৪
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৩৪,১৩,৯৯৫ ১,৩৭,৭৮২ ১৫,১৭,০৮৪
ব্রাজিল ১৮,৬৬,১৭৬ ৭২,১৫১ ১২,১৩,৫১২
ভারত ৮,৭৯,৪৬৬ ২৩,১৮৭ ৫,৫৪,৪২৯
রাশিয়া ৭,২৭,১৬২ ১১,৩৩৫ ৫,০১,০৬১
পেরু ৩,২৬,৩২৬ ১১,৮৭০ ২,১৭,১১১
চিলি ৩,১৫,০৪১ ৬,৯৭৯ ২,৮৩,৯০২
যুক্তরাজ্য ৩,১৩,৪৮৩ ৪৪,৮১৯ ৩৪৪
স্পেন ৩,০০,৯৮৮ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
১০ মেক্সিকো ২,৯৯,৭৫০ ৩৫,০০৬ ১,৮৪,৭৬৪
১১ দক্ষিণ আফ্রিকা ২,৭৬,২৪২ ৪,০৭৯ ১,৩৪,৮৭৪
১২ ইরান ২,৫৭,৩০৩ ১২,৮২৯ ২,১৯,৯৯৩
১৩ পাকিস্তান ২,৪৮,৮৭২ ৫,১৯৭ ১,৫৬,৭০০
১৪ ইতালি ২,৪৩,০৬১ ৩৪,৯৫৪ ১,৯৪,৯২৮
১৫ সৌদি আরব ২,৩২,২৫৯ ২,২২৩ ১,৬৭,১৩৮
১৬ তুরস্ক ২,১২,৯৯৩ ৫,৩৬৩ ১,৯৪,৫১৫
১৭ জার্মানি ১,৯৯,৯৫০ ৯,১৩৪ ১,৮৪,৬০০
১৮ ফ্রান্স ১,৮৯,২২০ ৩০,০০৪ ৭৮,৩৮৮
১৯ কলম্বিয়া ১,৫০,৪৪৫ ৫,৩০৭ ৬৩,৪৫১
২০ কানাডা ১,০৭,৫৯০ ৮,৭৮৩ ৭১,৪৬৭
২১ কাতার ১,০৩,৫৯৮ ১৪৭ ৯৯,৭৪৩
২২ আর্জেন্টিনা ১,০০,১৬৬ ১,৮৪৫ ৪২,৬৯৪
২৩ চীন ৮৩,৬০২ ৪,৬৩৪ ৭৮,৬৪৮
২৪ মিসর ৮২,০৭০ ৩,৮৫৮ ২৪,৪১৯
২৫ ইরাক ৭৭,৫০৬ ৩,১৫০ ৪৪,৭২৪
২৬ ইন্দোনেশিয়া ৭৫,৬৯৯ ৩,৬০৬ ৩৫,৬৩৮
২৭ সুইডেন ৭৪,৮৯৮ ৫,৫২৬ ৪,৯৭১
২৮ ইকুয়েডর ৬৭,৮৭০ ৫,০৪৭ ৩০,২৮৩
২৯ বেলারুশ ৬৪,৯৩২ ৪৬৪ ৫৫,৩৮০
৩০ বেলজিয়াম ৬২,৭০৭ ৯,৭৮২ ১৭,১৯৬
৩১ কাজাখস্তান ৫৮,২৫৩ ৪৮৯ ৩৫,১৩৭
৩২ ফিলিপাইন ৫৬,২৫৯ ১,৫৩৪ ১৬,০৪৬
৩৩ ওমান ৫৬,০১৫ ২৫৭ ৩৬,০৯৮
৩৪ কুয়েত ৫৪,৮৯৪ ৩৯০ ৪৪,৬১০
৩৫ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৫৪,৮৫৪ ৩৩৩ ৪৫,১৪০
৩৬ ইউক্রেন ৫৩,৫২১ ১,৩৮৩ ২৬,১১৮
৩৭ নেদারল্যান্ডস ৫১,০২২ ৬,১৩৭ ২৫০
৩৮ বলিভিয়া ৪৮,১৮৭ ১,৮০৭ ১৪,৮৪৩
৩৯ পর্তুগাল ৪৬,৫১২ ১,৬৬০ ৩০,৯০৭
৪০ সিঙ্গাপুর ৪৫,৯৬১ ২৬ ৪২,২৮৫
৪১ পানামা ৪৫,৬৩৩ ৯০৯ ২৩,০৩৯
৪২ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৪৪,৫৩২ ৮৯৭ ২১,৪৫৯
৪৩ ইসরায়েল ৩৮,৬৭০ ৩৬২ ১৯,০০৮
৪৪ পোল্যান্ড ৩৭,৮৯১ ১,৫৭১ ২৭,১৪৮
৪৫ আফগানিস্তান ৩৪,৪৫১ ১,০১০ ২১,২১৬
৪৬ বাহরাইন ৩২,৯৪১ ১০৮ ২৮,৪২৫
৪৭ সুইজারল্যান্ড ৩২,৮৮৩ ১,৯৬৮ ২৯,৬০০
৪৮ নাইজেরিয়া ৩২,৫৫৮ ৭৪০ ১৩,৪৪৭
৪৯ রোমানিয়া ৩২,৫৩৫ ১,৮৮৪ ২১,৫৪৫
৫০ আর্মেনিয়া ৩১,৯৬৯ ৫৬৫ ১৯,৬৩৩
৫১ গুয়াতেমালা ২৯,৩৫৫ ১,২১৯ ৪,২১৪
৫২ হন্ডুরাস ২৮,০৯০ ৭৭৪ ২,৯৫৭
৫৩ আয়ারল্যান্ড ২৫,৬২৮ ১,৭৪৬ ২৩,৩৬৪
৫৪ ঘানা ২৪,৫১৮ ১৩৯ ২০,১৮৭
৫৫ আজারবাইজান ২৪,০৪১ ৩০৬ ১৫,০৯৩
৫৬ জাপান ২১,৫০২ ৯৮২ ১৮,০০৩
৫৭ মলদোভা ১৯,৩৮২ ৬৪২ ১২,৬৬৭
৫৮ আলজেরিয়া ১৯,১৯৫ ১,০১১ ১৩,৭৪৩
৫৯ অস্ট্রিয়া ১৮,৮৯৭ ৭০৮ ১৬,৯৫২
৬০ সার্বিয়া ১৮,৩৬০ ৩৯৩ ১৩,৮৭৬
৬১ নেপাল ১৬,৮০১ ৩৮ ৮,৫৮৯
৬২ মরক্কো ১৫,৭৪৫ ২৫০ ১২,২৮৩
৬৩ ক্যামেরুন ১৫,১৭৩ ৩৫৯ ১১,৯২৮
৬৪ দক্ষিণ কোরিয়া ১৩,৪৭৯ ২৮৯ ১২,২০৪
৬৫ চেক প্রজাতন্ত্র ১৩,১৭৪ ৩৫৩ ৮,২৪৭
৬৬ উজবেকিস্তান ১২,৯৯৭ ৬০ ৭,৮৫২
৬৭ ডেনমার্ক ১২,৯৪৬ ৬০৯ ১২,০৭৭
৬৮ আইভরি কোস্ট ১২,৭৬৬ ৮৪ ৬,৬৫৪
৬৯ কিরগিজস্তান ১০,৬২৯ ১৩২ ৩,৩৮৭
৭০ সুদান ১০,২৫০ ৬৫০ ৫,৩৪১
৭১ কেনিয়া ১০,১০৫ ১৮৫ ২,৮৮১
৭২ অস্ট্রেলিয়া ৯,৯৮০ ১০৮ ৭,৭৬৮
৭৩ এল সালভাদর ৯,৬৭৪ ২৬০ ৫,৬৩৪
৭৪ ভেনেজুয়েলা ৯,৪৬৫ ৮৯ ২,৬৭১
৭৫ নরওয়ে ৮,৯৮১ ২৫২ ৮,১৩৮
৭৬ মালয়েশিয়া ৮,৭১৮ ১২২ ৮,৫১৯
৭৭ সেনেগাল ৮,১৩৫ ১৪৮ ৫,৪৪৬
৭৮ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৮,১১১ ৩৮২ ৪,২০৩
৭৯ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৮,০৩৩ ১৮৯ ৩,৬১৫
৮০ কোস্টারিকা ৭,৫৯৬ ৩০ ২,২৩৯
৮১ ইথিওপিয়া ৭,৫৬০ ১২৭ ২,৪৩০
৮২ ফিনল্যাণ্ড ৭,২৯৪ ৩২৯ ৬,৮০০
৮৩ বুলগেরিয়া ৭,২৫২ ২৬৮ ৩,৩১৯
৮৪ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৬,৮৭৭ ২২১ ৩,১১৫
৮৫ হাইতি ৬,৭২৭ ১৩৯ ২,৯২৪
৮৬ তাজিকিস্তান ৬,৫৫২ ৫৫ ৫,২২৮
৮৭ ফিলিস্তিন ৬,২৩০ ৩৬ ৯৪২
৮৮ গিনি ৬,১৪১ ৩৭ ৪,৮৬২
৮৯ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৫,৯৪৯ ২৬ ২,৯৮১
৯০ গ্যাবন ৫,৯৪২ ৪৬ ৩,০০৪
৯১ মৌরিতানিয়া ৫,৩৫৫ ১৪৭ ২,৩৬৩
৯২ জিবুতি ৪,৯৭২ ৫৬ ৪,৭১২
৯৩ লুক্সেমবার্গ ৪,৯২৫ ১১১ ৪,০৮৬
৯৪ মাদাগাস্কার ৪,৮৬৭ ৩৫ ২,৩৭৮
৯৫ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,২৮৮ ৫৩ ১,১৪৫
৯৬ হাঙ্গেরি ৪,২৩৪ ৫৯৫ ৩,০৩৬
৯৭ গ্রীস ৩,৮০৩ ১৯৩ ১,৩৭৪
৯৮ ক্রোয়েশিয়া ৩,৭২২ ১১৯ ২,৪৮৬
৯৯ আলবেনিয়া ৩,৪৫৪ ৯৩ ১,৯৪৬
১০০ থাইল্যান্ড ৩,২১৭ ৫৮ ৩,০৮৮
১০১ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৩,০৭১ ৫১ ৮৪২
১০২ সোমালিয়া ৩,০৫৯ ৯৩ ১,২৬৪
১০৩ প্যারাগুয়ে ২,৯৪৮ ২২ ১,২৭৫
১০৪ নিকারাগুয়া ২,৮৪৬ ৯১ ১,৯৯৩
১০৫ মালদ্বীপ ২,৭৩১ ১৩ ২,২৮৪
১০৬ মায়োত্তে ২,৭১১ ৩৭ ২,৪৮০
১০৭ শ্রীলংকা ২,৬১৭ ১১ ১,৯৮১
১০৮ কিউবা ২,৪২৬ ৮৭ ২,২৫৮
১০৯ মালি ২,৪১১ ১২১ ১,৬৯৪
১১০ মালাউই ২,৩৬৪ ৩৮ ৫৫৭
১১১ লেবানন ২,৩৩৪ ৩৬ ১,৪২০
১১২ কঙ্গো ২,০২৮ ৪৭ ৫৮৯
১১৩ দক্ষিণ সুদান ২,০২১ ৩৮ ৩৩৩
১১৪ এস্তোনিয়া ২,০১৪ ৬৯ ১,৮৯৫
১১৫ স্লোভাকিয়া ১,৯০১ ২৮ ১,৪৯৩
১১৬ আইসল্যান্ড ১,৮৯৬ ১০ ১,৮৬৫
১১৭ জাম্বিয়া ১,৮৯৫ ৪২ ১,৪১২
১১৮ লিথুনিয়া ১,৮৬৯ ৭৯ ১,৫৭৯
১১৯ গিনি বিসাউ ১,৮৪২ ২৬ ৭৭৩
১২০ স্লোভেনিয়া ১,৮৪১ ১১১ ১,৪৬৯
১২১ সিয়েরা লিওন ১,৬৩৫ ৬৩ ১,১৫৪
১২২ কেপ ভার্দে ১,৬২৩ ১৯ ৭৪৮
১২৩ নিউজিল্যান্ড ১,৫৪৪ ২২ ১,৪৯৭
১২৪ হংকং ১,৪৭০ ১,২১৪
১২৫ ইয়েমেন ১,৪৬৫ ৪১৭ ৬৫৯
১২৬ লিবিয়া ১,৪৩৩ ৩৯ ৩৪১
১২৭ বেনিন ১,৩৭৮ ২৬ ৫৫৭
১২৮ ইসওয়াতিনি ১,৩৫১ ২০ ৬৬৮
১২৯ রুয়ান্ডা ১,৩৩৭ ৬৮৪
১৩০ তিউনিশিয়া ১,২৬৩ ৫০ ১,০৭৬
১৩১ মন্টিনিগ্রো ১,২২১ ২৩ ৩২৫
১৩২ জর্ডান ১,১৭৯ ১০ ৯৯৭
১৩৩ লাটভিয়া ১,১৭৩ ৩০ ১,০১৯
১৩৪ মোজাম্বিক ১,১৫৭ ৩৬৪
১৩৫ নাইজার ১,০৯৯ ৬৮ ৯৯২
১৩৬ বুর্কিনা ফাঁসো ১,০৩৬ ৫৩ ৮৬৯
১৩৭ উগান্ডা ১,০২৫ ৯৭২
১৩৮ সাইপ্রাস ১,০২১ ১৯ ৮৩৯
১৩৯ লাইবেরিয়া ১,০১০ ৫১ ৪২৩
১৪০ উরুগুয়ে ৯৮৭ ৩১ ৮৯৬
১৪১ জর্জিয়া ৯৮৬ ১৫ ৮৫৭
১৪২ জিম্বাবুয়ে ৯৮৫ ১৮ ৩২৮
১৪৩ চাদ ৮৮০ ৭৫ ৭৯০
১৪৪ এনডোরা ৮৫৫ ৫২ ৮০৩
১৪৫ নামিবিয়া ৭৮৫ ২৬
১৪৬ জ্যামাইকা ৭৫৮ ১০ ৬২০
১৪৭ সুরিনাম ৭৪১ ১৮ ৪৯৫
১৪৮ টোগো ৭২০ ১৫ ৫১৩
১৪৯ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৫০ সান ম্যারিনো ৬৯৯ ৪৫ ৬৫৬
১৫১ মালটা ৬৭৪ ৬৬০
১৫২ রিইউনিয়ন ৫৯৩ ৪৭২
১৫৩ চ্যানেল আইল্যান্ড ৫৭৭ ৪৮ ৫২৮
১৫৪ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৫৫ অ্যাঙ্গোলা ৪৮৩ ২৫ ১১৮
১৫৬ তাইওয়ান ৪৫১ ৪৩৮
১৫৭ বতসোয়ানা ৩৯৯ ৩৮
১৫৮ সিরিয়া ৩৯৪ ১৬ ১২৬
১৫৯ ভিয়েতনাম ৩৭২ ৩৫০
১৬০ মরিশাস ৩৪২ ১০ ৩৩০
১৬১ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩১২
১৬২ মায়ানমার ৩৩১ ২৬১
১৬৩ কমোরস ৩১৭ ২৯৬
১৬৪ গায়ানা ২৯৭ ২৩ ১৫৪
১৬৫ মার্টিনিক ২৫৫ ১৫ ৯৮
১৬৬ লেসোথো ২৩৩ ৩২
১৬৭ ইরিত্রিয়া ২৩২ ১০৭
১৬৮ মঙ্গোলিয়া ২৩০ ২০৩
১৬৯ কেম্যান আইল্যান্ড ২০১ ১৯৭
১৭০ বুরুন্ডি ১৯১ ১১৮
১৭১ গুয়াদেলৌপ ১৯০ ১৪ ১৫৭
১৭২ ফারে আইল্যান্ড ১৮৮ ১৮৮
১৭৩ জিব্রাল্টার ১৮০ ১৭৬
১৭৪ কম্বোডিয়া ১৫৬ ১৩৩
১৭৫ বারমুডা ১৫০ ১৩৭
১৭৬ ব্রুনাই ১৪১ ১৩৮
১৭৭ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১৩৩ ১২০
১৭৮ বাহামা ১১১ ১১ ৮৯
১৭৯ মোনাকো ১০৯ ৯৭
১৮০ আরুবা ১০৫ ৯৯
১৮১ বার্বাডোস ১০৩ ৯০
১৮২ সিসিলি ১০০ ১১
১৮৩ লিচেনস্টেইন ৮৬ ৮১
১৮৪ ভুটান ৮২ ৭৬
১৮৫ সিন্ট মার্টেন ৭৮ ১৫ ৬৩
১৮৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৭৪ ৫৭
১৮৭ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৭১ ১১
১৮৮ গাম্বিয়া ৬৪ ৩৪
১৮৯ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬২ ৬০
১৯০ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৯১ ম্যাকাও ৪৬ ৪৫
১৯২ সেন্ট মার্টিন ৪৩ ৩৭
১৯৩ বেলিজ ৩৭ ২০
১৯৪ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৩৫ ২৯
১৯৫ ফিজি ২৬ ১৮
১৯৬ কিউরাসাও ২৫ ২৪
১৯৭ পূর্ব তিমুর ২৪ ২৪
১৯৮ গ্রেনাডা ২৩ ২৩
১৯৯ সেন্ট লুসিয়া ২২ ১৯
২০০ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২১ ২১
২০১ লাওস ১৯ ১৯
২০২ ডোমিনিকা ১৮ ১৮
২০৩ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৭ ১৫
২০৪ গ্রীনল্যাণ্ড ১৩ ১৩
২০৫ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২০৬ ভ্যাটিকান সিটি ১২ ১২
২০৭ মন্টসেরাট ১২ ১০
২০৮ পাপুয়া নিউ গিনি ১১
২০৯ পশ্চিম সাহারা ১০
২১০ জান্ডাম (জাহাজ)
২১১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২১২ সেন্ট বারথেলিমি
২১৩ এ্যাঙ্গুইলা
২১৪ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]