আল-কায়েদার ছয় মতাদর্শীর ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:৩১ পিএম, ০২ জানুয়ারি ২০২৩

বাংলাদেশে সশস্ত্র জিহাদ করার পরিকল্পনার অভিযোগে গ্রেফতার ছয়জনের ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেছে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)।

সোমবার (২ জানুয়ারি) তাদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর যাত্রাবাড়ী থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদের ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করে সিটিটিসি। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রশিদুল আলমের আদালতে এ রিমান্ড শুনানি হবে।

যাদের রিমান্ড নিতে আবেদন করা হয়েছে তারা হলেন সৌদি প্রবাসী আব্দুর রব, সাকিব, শামীম হোসেন, নাদিম শেখ, আবছার ও সাইদ উদ্দিন।

এর আগে রোববার (১ জানুয়ারি) রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল, চট্টগ্রাম ও টেকনাফ থেকে এই ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়।

সিটিটিসির দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা জানিয়েছেন, তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইনভিত্তিক অ্যাপসে যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে দল গঠন করেন। পরে স্থানীয় সহযোগীদের সঙ্গে প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে জঙ্গিবাদের জন্য টেকনাফে হিজরত করে অবস্থান করছিলেন। আল-কায়েদার মতাদর্শে উদ্বুদ্ধ ছিলেন গ্রেফতাররা।

ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (সিটিটিসি) মো. আসাদুজ্জামান সংবাদ সম্মেলনে বলেন, গ্রেফতার আব্দুর রব সমন্বয়ক হিসেবে সবাইকে অনলাইনে একত্রিত করে শরিয়াহভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন ও জিহাদ নিয়ে আলোচনা করতেন। পরবর্তী সময়ে অনলাইনে বিদেশে অবস্থানরত এক বাংলাদেশি সহযোগীর সঙ্গে তাদের পরিচয় হয় এবং অডিও-ভিডিও কলের মাধ্যমে তারা ভার্চুয়ালি যোগাযোগ স্থাপন করেন। বিদেশে অবস্থানরত ওই ব্যক্তি সবাইকে হিজরত করে জিহাদের জন্য উদ্বুদ্ধ করেন।

সিটিটিসি জানায়, পরবর্তী সময়ে সেই সদস্য লিবিয়ায় অবস্থানরত আরও এক বাংলাদেশি এবং টেকনাফের স্থানীয় একজনের সঙ্গে সবার পরিচয় করিয়ে দেন। সম্মিলিত আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয় আব্দুর রব, শামীম, সাকিব, নাদিম, সাইদসহ অন্য যারা হিজরতে রাজি তারা প্রথমে টেকনাফ গিয়ে তাদের স্থানীয় সহযোগীদের মাধ্যমে ট্রেনিং নেবেন। পরে তারা বাংলাদেশে ইসলামি শাসন কায়েমের জন্য জিহাদ করবেন।

জেএ/জেডএইচ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।