মানবতাবিরোধী অপরাধ

মুক্তাগাছার ৫ জনের বিরুদ্ধে পরবর্তী সাক্ষ্য ৪ অক্টোবর

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:৫১ এএম, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩

একাত্তরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার পাঁচজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের ২০তম সাক্ষীর জবানবন্দি পেশ করার কথা থাকলেও সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি। তাই মামলায় পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৪ অক্টোবর দিন ঠিক করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি আবু আহমেদ জমাদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম।

আদালতে এদিন রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন প্রসিকিউটর আবুল কালাম। উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী সৈয়দ হায়দার আলী, ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল ও ব্যারিস্টার শেখ মুসফেক কবীর। অন্যদিকে আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার পালোয়ান।

এর আগে গত ৩০ মে মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠনের মধ্যদিয়ে বিচারিক কাজ শুরু হয়। আর মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ১৯ জন সাক্ষী তাদের জবানবন্দি পেশ করেছেন।

এ বিষয়ে প্রসিকিউটর আবুল কালাম জাগো নিউজকে বলেন, মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করার জন্য আদালতে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আনা চারটি অভিযোগের ভিত্তিতে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) জমা দেওয়ার পর এ বিষয়ে অভিযোগ গঠন করেন। এরপর ওপেনিং স্টেটমেন্টের মাধ্যমে মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করেন ট্রাইব্যুনাল।

তিনি বলেন, এ মামলায় মোট আসামি ছিলেন সাতজন। তাদের মধ্যে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন তিন আসামি। মো. রেজাউল করিম, মো. শহীদুল্লাহ ফকির, হাবিবুর রহমান ওরফে মেনু মিয়া ও মো. আবদুল হান্নান ওরফে হান্নান মুন্সি। এ চারজন জামিনে রয়েছেন। আর দুজন মারা গেছেন এবং পলাতক একজন আসামির নাম প্রকাশ করা করা হয়নি।

এর আগে ২০২১ সালের ২১ অক্টোবর রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে নিজ নিজ এলাকা থেকে মামলার দুই আসামিকে গ্রেফতার করে। পরদিন ২২ অক্টোবর সকালে তাদের ময়মনসিংহ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

গ্রেফতারদের মধ্যে মো. তারা মিয়া যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ভাতাভোগী ছিলেন। পরে ময়মনসিংহ আদালতে হাজির করলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে ২০২১ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার কালিবাড়ি রোড এলাকা থেকে একই অভিযোগে মো. শহীদুল্লাহ ফকিরকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ঈশ্বরগঞ্জের সাত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। ওই মামলায় এরই মধ্যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

২০২১ সালের ৩ আগস্ট ময়মনসিংহের সাতজনের বিরুদ্ধে তদন্তে পাঁচটি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এটি তদন্ত সংস্থার ৮৫তম প্রতিবেদন।

এফএইচ/এমকেআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।