আজ প্রাক্তনের অপছন্দের কাজ করে নিজের আনন্দ খুঁজুন

লাইফস্টাইল ডেস্ক
লাইফস্টাইল ডেস্ক লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ০২:৫৪ পিএম, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ছবি: এআই

ভালোবাসা দিবসেচারপাশে লাল গোলাপ, চকচকে কার্ড, প্রেমিক যুগলের হাসি-মুখ। এই দৃশ্যগুলো অনেকের জন্য আনন্দের উৎস, কিন্তু যাদের সম্প্রতি ব্রেকআপের মধ্যে আছেন, তাদের জন্য এই দিনটা চাপ ও একাকীত্বের প্রতিচ্ছবি হয়ে ওঠে। সোশ্যাল মিডিয়ার নেটওয়ার্কে ঘুরে ফিরে হ্যাপি কাপলদের ছবি দেখা, বন্ধুরা প্রেমের গল্প শেয়ার করেও সবকিছুতে নিজের একাকীত্বকে আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।

এই পরিস্থিতিতে কার্যকর কৌশল হলো দূরে থাকুন সোশ্যাল মিডিয়া থেকে প্রাক্তনের অপছন্দের পথে চলুন।

ভ্যালেন্টাইনস ডে তে সোশ্যাল মিডিয়ার বাইরে থাকলে কিছুটা মুক্তি পাওয়া যায়। আমরা জানি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা ছবিগুলো কেবল মুহূর্তের, বাস্তবের পুরো ছবি নয়। কিন্তু মনস্তত্ত্ব বলছে, যখন আমরা বারবার সেই ছবির সঙ্গে নিজের বাস্তব জীবন তুলনা করি, তখন সামাজিকভাবে আমাদের আবেগকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে।

হতাশা, একাকীত্বের অনুভূতি বাড়ায়। তাই নিজেকে কিছুদিনের জন্য এই চক্র থেকে মুক্তি দেওয়া মানে নিজের মনের জন্য নিরাপদ জোন তৈরি করা। এই বিরতি দিয়ে আমরা নিজের আবেগগুলোকে প্রক্রিয়াকরণ করতে পারি, মানসিক চাপ কমাতে পারি এবং সত্যিই প্রয়োজনীয় কাজে মন দিতে পারি।

এছাড়া এমন কাজগুলো করুন যেগুলো আপনার এক্স অপছন্দ করত। রিলেশনশিপের সময় আমরা অনেক কম্প্রোমাইজ করতে হয়েছে। যেমন কিছু খাবার না খাওয়া, কিছু জায়গায় না যাওয়া, এমনকি নিজের পছন্দের কিছু কাজও বাদ দেওয়া। তাই সম্পর্ক থাকাকালীন সময় আপনার জন্য যা নিষেধ ছিল ,তাই ভ্যালেন্টাইনস ডে তে করে বিচ্ছেদকে উদযাপন করতে পারেন।

এতে মনে শান্তি পাবেন। ব্রেকআপের পর এই দিনটি হতে পারে সেই সব কাজ করে নিজেকে ফিরে পাওয়া, নিজের নিয়ন্ত্রণকে পুনঃস্থাপন করা।মনে রাখবেন সম্পর্কের শেষ মানেই ব্যর্থতা নয়। বরং এটি এক নতুন শুরু। ব্রেকআপের মাধ্যমে আমরা আমাদের নিজস্ব প্রাধান্য, পছন্দ এবং স্বাধীনতা আবার আবিষ্কার করি।

এভাবে দিনটি কাটানো মানে এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক পুনরুজ্জীবন। আমরা নিজের আবেগ, পছন্দ এবং অভ্যাসের পুনর্মূল্যায়ন করি। সোশ্যাল মিডিয়ার ভিড়ে নিজেকে হারানোর পরিবর্তে আমরা নিজের জন্য সময় তৈরি করুন।

ব্যর্থ বা বিচ্ছিন্ন প্রেমের স্মৃতি আমাদেরকে এক নতুন শিক্ষা দেয়। এই দিনটি কেবল কষ্টের নয়; এটি নিজের স্বাধীনতা, নিজস্বতা এবং আনন্দ পুনঃস্থাপনের দিন। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থেকে বই পড়ে, রান্নার নতুন রেসিপি চেষ্টা করে, প্রিয় গান শুনে বা এমন কিছু করা যা আপনাকে আনন্দ দেয় তাই করুন।
তাই বলবোভ্যালেন্টাইনস ডে কোনো চাপের দিন নয়, এটি নিজের সঙ্গে মানসিক শান্তি এবং আনন্দ খুঁজে পাওয়ার দিন।

সূত্র: সাইকোলজি টুডে, কোচিং হেপিনেস

আরও পড়ুন:
বসন্ত মানে হলুদ রং কেন? 
অফিস করেও বিশেষ দিনটি সঙ্গীকে নিয়ে উদযাপন করতে পারেন 

এসএকেওয়াই/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।