সুগার ও হার্টের যত্নে পান করুন তেজপাতার চা

লাইফস্টাইল ডেস্ক
লাইফস্টাইল ডেস্ক লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ০২:৪২ পিএম, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬

রান্নার স্বাদ বাড়ানোর জন্যই শুধু নয়, স্বাস্থ্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে তেজপাতা। বিশেষ করে যাদের কোলেস্টেরল বেশি বা টাইপ ২ ডায়াবিটিসের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের জন্য তেজপাতা যেন প্রাকৃতিক ওষুধের মতো। পাশাপাশি এটি অন্ত্রের সমস্যা কমাতে ও শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে। তবে শুধু রান্নায় তেজপাতা ব্যবহারে এই সুফল পাওয়া সম্ভব নয়; এজন্য তেজপাতার চা নিয়মিত পান করতে হবে।

তেজপাতার চায়ের গুণ

তেজপাতা শুধু স্বাদই বাড়ায় না, বরং শরীরের জন্যও অসাধারণ উপকারী। এতে থাকে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, ভিটামিন এ, আয়রন, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম। নিয়মিত চা হিসেবে খেলে তেজপাতা শরীরের নানা সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক: নিয়মিত তেজপাতার চা পান করলে শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা ভারসাম্য রাখতে সাহায্য করে। টাইপ ২ ডায়াবিটিসের রোগীদের জন্য এটি বিশেষভাবে কার্যকর।

আরও পড়ুন:
ওজন কমাতে জুড়ি নেই করলার রসের
খোসাসহ আমন্ডেই মিলবে আসল সুফল
শীতেও শসা খাওয়া নিরাপদ, জানুন সঠিক নিয়ম

রক্ত পরিশোধন: শরীর থেকে ক্ষতিকর পদার্থ বের করতে তেজপাতার চা কার্যকর। এটি রক্ত পরিশুদ্ধ রাখতে সাহায্য করে।

পাচনতন্ত্রের সহায়ক: খাবার হজমে তেজপাতা বিশেষ ভূমিকা রাখে। দ্রুত খাবার ভাঙতে সাহায্য করে, ফলে অন্ত্রের সমস্যায় ভুগছেন এমন মানুষরা নিয়মিত তেজপাতার চা খেতে পারেন।

হার্ট সুস্থ রাখে: তেজপাতায় থাকা ক্যাফেক অ্যাসিড হৃদ‌্‌যন্ত্রকে শক্তিশালী করে। এটি কোলেস্টেরল কমাতে ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক।

সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়ক: তেজপাতায় অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল ও মাইক্রোবায়োলজিকাল উপাদান থাকে, যা ক্ষত সারাতে ও সর্দি-কাশির সময়ে আরাম দিতে সাহায্য করে।

তেজপাতার চা বানানোর সহজ পদ্ধতি

একটি পাত্রে পানি গরম করুন। এতে চারটি তেজপাতা ও সামান্য দারচিনির গুঁড়ো যোগ করুন। প্রায় ৫ মিনিট ভালোভাবে ফুটিয়ে নিন। এরপর ছেঁকে কাপে নিন এবং ইচ্ছে অনুযায়ী লেবু ও মধু মিশিয়ে পান করুন। নিয়মিত তেজপাতার চা পান করলে শুধু স্বাদই বাড়বে না, বরং শরীরও হবে সুস্থ ও সতেজ।

জেএস/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।