রোজার আগে ইফতারের সঠিক প্রস্তুতির টিপস

লাইফস্টাইল ডেস্ক
লাইফস্টাইল ডেস্ক লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:২০ পিএম, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রতীকী ছবি, এআই দিয়ে বানানো

সারাদিন না খেয়ে থাকার পরে ইফতার শরীরকে নতুন করে জ্বালানী, পুষ্টি ও পানি দেয়। এটা শুধু খাওয়া নয়, সুস্থতা ও শক্তি ফিরে পেতে গুরুত্বপূর্ন সময়ও। তাই ইফতার শুরু করার আগে কিছু সঠিক প্রস্তুতি ও অভ্যাস গড়ে রাখা জরুরি যাতে শরীর হঠাৎ চাপ না পায় এবং হজম, হাইড্রেশন ঠিক থাকে। নিচে তেমনই কিছু সহজ কিন্তু কার্যকর টিপস দেওয়া হলো।

ইফতার শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে পানি বা খেজুর দিয়ে রোজা ভাঙা শরীরকে দ্রুত হাইড্রেটেড করে এবং হজমের প্রক্রিয়া সহজ করে। পানি শরীরের ঘাম বা দীর্ঘ রোজায় ক্ষতিগ্রস্ত তরলগুলোকে পূরণ করে।

খেজুর, ফল বা হালকা স্যুপ দিয়ে ইফতার শুরু করলে রক্তে শর্করার মাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ে এবং খাদ্যনালীর ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে না। পুরো ভারী খাবার একবারে খাওয়া হজমে সমস্যা বা গ্যাস সৃষ্টি করতে পারে।

ইফতার থেকে সেহরির মধ্যে পর্যাপ্ত পানি পান করে রাখলে রোজার সময় ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা এড়ানো যায়। খেজুর ও হাইড্রেটিং ফলের মতো পানি-সমৃদ্ধ খাবারও খান।

আরও পড়ুন: 

ভারী, তেলভাজা বা অতিরিক্ত তেতেঁ ও মিষ্টি খাবার হজমে ঝামেলা বাড়ায় এবং রোজার পর শরীর ক্লান্ত করে দেয়। তাই ইফতারে প্রথমে সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর খাবার খান, তারপর প্রয়োজন অনুযায়ী ভারী খাদ্য গ্রহণ করুন।

কফি, চা বা চিনিযুক্ত পানীয় ডিহাইড্রেশনকে তাড়াতাড়ি বাড়িয়ে দেয় এবং শরীর থেকে পানি দ্রুত বের করে দেয়। ইফতারের আগে ও পরে পানি, ফলের স্বাভাবিক জুস বা দই-জাতীয় তরলকে অগ্রাধিকার দিন।

যদি রোজার দিনটি তাপমাত্রা বেশি থাকে বা আপনি শারীরিক কাজ বেশি করেন, তবে ইফতার শুরু করার ঠিক আগে শরীরকে অপেক্ষাকৃত বিশ্রাম দিন, যেন শক্তি ও পানি ঠিকমতো রিফিল হতে পারে।

ইফতার শুধু রোজা ভাঙার সময় নয়, এটা শরীরকে পুনরুজ্জীবিত করার প্রথম ধাপ। তাই ইফতারের আগে পানি, সহজপাচ্য খাবার, ভারসাম্যপূর্ণ পুষ্টি ও হজমের পরিকল্পনা জরুরি। এই প্রস্তুতি শরীরকে হঠাৎ খাবারের চাপ থেকে রক্ষা করে, হজমকে সহজ করে এবং পরের দিনের রোজা আরও সহজ করে তোলে।

তথ্যসূত্র: দ্যা টাইমস অব ইন্ডিয়া

জেএস/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।