EN
  1. Home/
  2. আন্তর্জাতিক

করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা প্রমাণে সময় লাগবে ৩ মাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৪:৫৪ পিএম, ৩১ জানুয়ারি ২০২০

চীনের প্রাণঘাতী নোভেল করোনাভাইরাস প্রতিরোধী ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা প্রমাণ করতে এখনও অন্তত তিনমাস সময় লেগে যাবে। এমনটাই ধারণা করছেন দেশটির নামকরা রোগতত্ত্ববিদ লি লানজুয়ান।

বুধবার চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়াকে দেয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এমনটি জানিয়েছেন।

চাইনিজ একাডেমি অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের একজন একাডেমিশিয়ান লি। তিনি একই সঙ্গে, চীনের কেন্দ্রীয় রোগ নির্ণয় ও সংক্রামক রোগের চিকিৎসা গবেষণাগারেরও প্রধান।

লি বলেছেন, ‘বুধবার পর্যন্ত আমরা ভাইরাসটিকে পাঁচভাবে বিন্যাস করতে সক্ষম হয়েছি। তার মধ্যে দুই ধরনের বিন্যাস ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা বাড়াতে সহায়ক।’

চীনে করোনাভাইরাস ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এ পর্যন্ত দেশটিতে ২০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এই ভাইরাসে। গত ৩১ ডিসেম্বর চীনের মধ্যাঞ্চলীয় হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম করোনাভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ২০টির মতো দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এই প্রাণঘাতী ভাইরাস।

চীনের হুবেই প্রদেশের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার আরও ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার ফলে ভাইরাসটির কেন্দ্রস্থল উহান শহরে মৃতের সংখ্যা ২০৪ জনে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের বাল্টিমোর শহরে অবস্থিত জন হপকিনস ইউনিভার্সিটি একটি রিয়েল-টাইম ম্যাপ তৈরি করেছে। এই ম্যাপের সর্বশেষ (৩০ জানুয়ারি) দেয়া তথ্যে বলা হয়েছে, এ পর্যন্ত বিশ্বে নিশ্চিত মোট ৯ হাজার ৭৭৬ জনের করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চীনে আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ৬৫৮ জন। থাইল্যান্ডে ১৪, হংকংয়ে ১২, জাপানে ১১, সিঙ্গাপুরে ১০, অস্ট্রেলিয়ায় ৯, তাইওয়ানে ৯, মালয়েশিয়ায় ৮, ম্যাকাওয়ে ৭, দক্ষিণ কোরিয়ায় ৬, যুক্তরাষ্ট্রে ৬, ফ্রান্সে ৬ ও জার্মানিতে ৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

এ রোগে আক্রান্ত হয়ে সর্বমোট মারা গেছেন ২১৩ জন। মারা যাওয়া ব্যক্তি সব চীনের। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৮৭ জন।

প্রাণঘাতী এই রোগটি নিয়ে কঠিন এক সময় পার করছে চীন। প্রতিদিনই মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। তবে প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণমূলক বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়ার কারণে ভবিষ্যতে আক্রান্তের সংখ্যা তাৎপর্যপূর্ণভাবে কমে যাবে বলে মনে করেন রোগতত্ত্ববিদ লি লানজুয়ান।

এসআর/পিআর