উপকারী পশু এখন থেকে বিবেচিত হবে ‘প্রাণী’ হিসেবে
বাংলাদেশ প্রাণি ও প্রাণিজাত পণ্য সংঘনিরোধ অধ্যাদেশ, ২০২৬- এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এর ফলে এখন থেকে ‘পশু ও পশুজাত’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘প্রাণী ও ‘প্রাণীজাত’ শব্দ ব্যবহার করা হবে।
বিভ্রান্তিকর ও নেতিবাচক অর্থবোধক শব্দ পরিহার করতেই এই নাম পরিবর্তন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আরও পড়ুন
সরকারি কর্মচারীরা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর প্রচার চালাতে পারবেন না
ব্যালট বক্স ছিনতাই হলে কেউ রক্ষা পাবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
খসড়া অধ্যাদেশ অনুযায়ী, বিদ্যমান আইনের ধারা ১৫- এ প্রদত্ত দায়মুক্তির বিধান বিলুপ্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রস্তাবিত অধ্যাদেশ কার্যকর হলে পশু ও পশুজাত পণ্য সংঘনিরোধ আইন, ২০০৫ সম্পূর্ণ রহিত হবে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, ‘পশু ও পশুজাত’ শব্দের পরিবর্তে ‘প্রাণী ও প্রাণীজাত’ শব্দ ব্যবহার অধিক মানবিক ও গ্রহণযোগ্য। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গেও এটি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
নতুন অধ্যাদেশের মাধ্যমে প্রাণী ও প্রাণীজাত পণ্যের অবৈধ সংঘন রোধে আইনগত কাঠামো আরও কঠোর ও স্পষ্ট হবে। একই সঙ্গে দায়মুক্তির সুযোগ বাতিল হওয়ায় প্রয়োগকারী সংস্থার জবাবদিহি বাড়বে।
এমইউ/কেএসআর