চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণে নিহত রানীর দাফন সম্পন্ন
চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরে এক বাসায় রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে নিহত নুরজাহান আক্তার রানীকে (৪০) তার পৈত্রিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাত দুইটায় নগরীর আগ্রাবাদের মিস্ত্রিপাড়ার পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
মায়ের দাফন হওয়ার পর মঙ্গলবার সকালে মারা যায় একই বিস্ফোরণে দগ্ধ নুরজাহানের ছেলে মো. শাওন (১৭)। মঙ্গলবার দুপুরে মারা যান নুরজাহানের দেবর পর্তুগাল প্রবাসী শামীম আহমেদ সুমন (৪০)।
এ দুর্ঘটনায় পরিবারের আরও ৬ জন ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
আরও পড়ুন
চট্টগ্রামে রান্নাঘরে গ্যাস জমে বিস্ফোরণ, নারী-শিশুসহ দগ্ধ ৯
চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ আরও একজনের মৃত্যু
গতকাল সোমবার ভোর ৫টার দিকে নগরীর হালিশহরের এইচ ব্লকের হালিমা মঞ্জিল নামে ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ফ্ল্যাটে জমে থাকা গ্যাসে এ বিস্ফোরণ হতে পারে বলে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস। এ ঘটনায় একই পরিবারের তিন শিশুসহ নয়জন দগ্ধ হন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে দগ্ধদের জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়েছে। ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই রানীর মৃত্যু হয়।
ভোরে বিস্ফোরণের পর বিকট শব্দে পুরো বাসায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিবেশীরা জানান, শরীরে আগুন নিয়ে বাসার সদস্যরা একে একে বাইরে বের হয়ে আসেন। স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিস পৌঁছানোর আগেই দগ্ধদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এখনো যারা চিকিৎসাধীন আছেন তারা হলেন- শাখাওয়াত হোসেন (৪৬), শিপন (৩০), আনাস (৭), আইমান (৯), আয়েশা আক্তার (৪) ও পাখি আক্তার (৩৫)।
এমডিআইএইচ/কেএসআর