মেয়রের দ্রুত পদক্ষেপে জলাবদ্ধতা কমে স্বস্তি চট্টগ্রাম নগরীতে 

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক চট্টগ্রাম
প্রকাশিত: ০৩:১১ পিএম, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন নগরীর বিভিন্ন জলাবদ্ধতা-প্রবণ এলাকা পরিদর্শন করেন

খাল সংস্কার প্রকল্প চলাকালীন সৃষ্ট সাময়িক জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার পর চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পানি নেমে গিয়ে স্বস্তি ফিরেছে। অস্থায়ী বাঁধ অপসারণের ফলে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়েছে।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন নগরীর বিভিন্ন জলাবদ্ধতা-প্রবণ এলাকা পরিদর্শন করেন। তিনি প্রবর্তক মোড়, কাতালগঞ্জ, চকবাজার, জামালখান, মুরাদপুর ও বহদ্দারহাটসহ বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনের সময় দেখা যায়, অধিকাংশ এলাকায় জমে থাকা পানি নেমে গেছে এবং সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

আরও পড়ুন
চট্টগ্রামে বৃষ্টিতে সড়কে হাঁটুপানি, দুর্ভোগে নগরবাসী 
চট্টগ্রামে নিচু এলাকায় এখনো পানি পুরোপুরি নামেনি, ভোগান্তিতে নগরবাসী 

এর আগে মেয়রের নির্দেশনায় হিজরা খাল, জামালখান খাল ও মুরাদপুর বক্স কালভার্ট এলাকায় স্থাপিত অস্থায়ী বাঁধ অপসারণ করা হয়। এতে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হয়ে দ্রুত পানি নিষ্কাশন সম্ভব হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) অধীনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার ব্রিগেড খাল খনন ও অবকাঠামো উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করছে। কাজ চলমান থাকায় কিছু এলাকায় অস্থায়ী বাঁধ দেওয়া হয়েছিল, যা ভারী বর্ষণে পানি নিষ্কাশনে সাময়িক প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে।

jagonews24.com

তবে সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে এসব বাঁধ অপসারণের পর পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি ঘটে এবং নগরবাসীর ভোগান্তি কমে আসে।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চলমান উন্নয়ন কাজের কারণে কিছুটা সমস্যা হলেও সমন্বয়ের মাধ্যমে তা দ্রুত সমাধান করা হয়েছে। উন্নয়ন কাজ দ্রুত শেষ হলে স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব হবে।

এসময় তিনি সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বয় বাড়িয়ে কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দেন, যেন আসন্ন বর্ষা মৌসুমে নগরবাসীকে ভোগান্তি থেকে মুক্ত রাখা যায়।

এমআরএএইচ/কেএসআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।