মন্ত্রিসভায় কোস্টাল শিপিং এগ্রিমেন্ট খসড়া অনুমোদন
বাংলাদেশ ও ভারতের উপকূলে মধ্যে-পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলের জন্য চুক্তির খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এই চুক্তির মেয়াদ ৫ বছর হবে। তবে মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে তা নবায়ন হবে। তবে কেউ চুক্তি বাতিল করতে চাইলে ছয় মাস আগে নোটিশ দিতে হবে।
সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে ‘এগ্রিমেন্ট অন কোস্টাল শিপিং বিটুইন দ্য গভর্নমেন্ট অব পিপলস রিপাবলিক অব বাংলাদেশ অ্যান্ড দ্য গভর্নমেন্ট অব দ্য রিপাবলিক অব ইন্ডিয়া’ শীর্ষক খসড়া চুক্তিটি অনুমোদন দেয়া হয়।
এ চুক্তির ফলে দুই দেশের নৌপথ ব্যবহার করে সরাসরি পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল করতে পারবে বলে জানান মন্ত্রিপিরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূঁইঞা। সচিব বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সফরে এলে চুক্তিটি স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে। এ চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও কানেকটিভিটি বাড়বে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ থেকে ভারতে ও ভারত থেকে বাংলাদেশে পণ্যবাহী জাহাজ আসতে দুই থেকে তিন সপ্তাহ সময় লাগে। চুক্তি সই হলে চার থেকে ছয় দিনের মধ্যে পণ্যবাহী জাহাজ যাওয়া-আসা সম্ভব। সময়ের সঙ্গে কমে আসবে পরিবহন ব্যয়ও।
চুক্তির আওতায় দুই দেশের পণ্যবাহী জাহাজ সমান সুবিধা ভোগ করবে জানিয়ে তিনি বলেন, দুই দেশ একে অপরের সমুদ্র ও নদীপথ ব্যবহার করতে পারবে। যুদ্ধ জাহাজ, জরিপকারী জাহাজ ও মাছ ধরার জাহাজ চুক্তির আওতায় আসবে না।
দুই দেশের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি জয়েন্ট শিপিং কমিটি থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, এ কমিটি পর্যালোচনায় বসে কোনো অসুবিধা থাকলে দূর করবে এবং কোনো বিষয় যুক্ত করতে হলে তার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
এসএ/বিএ/পিআর/আরআই