একমাত্র ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশে হালাল সনদ দিতে পারে


প্রকাশিত: ০৯:০১ এএম, ১০ মে ২০১৫

সরকারের পক্ষে বাংলাদেশে হালাল সনদ প্রদানের একমাত্র অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান ইসলামিক ফাউন্ডেশন। রোববার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক শামীম মোহাম্মদ আফজাল।

‘ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে হালাল সনদ প্রদানের কোনো বিধান নেই’ শিরোনামে সম্প্রতি একটি পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়। এর প্রেক্ষিতে এ সংবাদ সম্মেলনটি আয়োজন করা হয়।

এসময় লিখিত বক্তব্যে মহাপরিচালক বলেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন আইন ১৯৭৫- অনুযায়ী ইসলামিক ফাউন্ডেশন হালাল সনদ দিতে পারবে। ২০১৩ সালের আগস্ট মাসের বোর্ড অব গভর্নরসের ১৮৯তম সভায় হালাল সনদ আইন ও নীতিমালা সরকার কর্তৃক অনুমোদিত না হওয়া পর্যন্ত ইসলামিক ফাউন্ডেশন নিজেদের কমিটির মাধ্যমে হালাল সার্টিফিকেট প্রদান করবে। কমিটির মধ্যে রয়েছে সরকারিভাবে অনুমোদিত ও বেতনভুক্ত মুফতি, মুফাসসির এবং মুহাদ্দিস। পণ্যের হালাল সনদ ও লোগো প্রদানে তাদের সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত।

তবে হালাল-হারাম যাচাই-বাছাইয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নিজস্ব ল্যাব আছে কি-না জানতে চাইলে ড. খিজির হায়াৎ বলেন, নিজস্ব গবেষণাগার নেই। তবে বিভিন্ন মাননিয়ন্ত্রক সংস্থার রিপোর্ট যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এজন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ৬০ জন ডাক্তার ও মুফতি রয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন হালাল সনদ কার্যক্রম শুরু করার পর এ পর্যন্ত মোট ১৫টি প্রতিষ্ঠানকে হালাল সনদ দিয়েছে বলে জানান তিনি। এতে সরকার রাজস্ব পেয়েছে প্রায় ১০ লাখ টাকা।

সংবাদ সম্মেলনে শামীম মোহাম্মদ আফজাল বলেন, বিশ্বে প্রায় ১৫৮টি দেশে মুসলিম সম্প্রদায়ের লোক বাস করে। হালাল সনদ দিয়ে দেশের হালাল পণ্যগুলোকে বিদেশে রফতানি করলে গার্মেন্টস সেক্টর থেকেও বেশি রেমিটেন্স আসা সম্ভব।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন ধর্মমন্ত্রী মো. মতিউর রহমান ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব চৌধুরী মো. বাবুল হাসান।

এআর/বিএ/এমএস/আরআই

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।