শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন পরিচয়ে ভয়ভীতি-চাঁদা আদায়, গ্রেফতার ৩
শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন পরিচয়দানকারী প্রতারকচক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপির সিরিয়াস ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন বিভাগ। তারা হলেন- মো. বেলায়েত হোসেন ওরফে ইলিয়াস (৪৮), মো. কাইয়ুম মিয়া ওরফে বাবুল ওরফে মোস্তফা (৪৯) এবং মো. জুয়েল মিয়া (৩০)।
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর দারুস সালাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে সিরিয়াস ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন বিভাগের শ্যুটিং ইনসিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন টিম। তাদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন, ৭টি সিম, ১টি টেলিফোন নির্দেশিকা ও ১টি ভারতীয় সিম উদ্ধার করা হয়।
সিরিয়াস ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার আশরাফউল্লাহ জানান, অভিযুক্তরা টেলিফোন নির্দেশিকা থেকে টার্গেট ব্যক্তির নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে সীমান্তবর্তী বেনাপোল ও দিনাজপুরের হাকিমপুরে ভারতীয় মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন, আরমান, শহিদসহ অন্য সন্ত্রাসীদের পরিচয় দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা আদায় করত।
তিনি আরও জানান, অভিযুক্তরা বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সুব্রত বাইনের পরিচয় দিয়ে বলে- তাদের কিছু সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত অবস্থায় ভারতে চিকিৎসাধীন আছে। চিকিৎসার জন্য ১৫ লাখ টাকা দরকার। ১০ লাখ সংগ্রহ হয়েছে বাকিটা আপনি দেবেন। এভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিকাশে চাঁদা আদায় করত।
এ ধরনের প্রতারণার ফলে যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে তাদের মধ্যে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা কমিটির সদস্য সচিব আনু মোহাম্মদ, গণফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক লতিফুন বারী হামিম, ঢাকা টাইমস পত্রিকার সম্পাদক, লেকচার পাবলিকেন্স কোম্পানির জেনারেল ম্যানেজার আজহারুল ইসলাম ফরাজীকে ফোন দিয়ে চাঁদা দাবি করা। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে দারুস সালাম থানায় মামলা রুজু হয়েছে।
এআর/বিএ