অনলাইন ক্লাস-পরীক্ষায় অভাবনীয় সাফল্য চট্টগ্রাম সরকারী সিটি কলেজের

ইমাম হোসাইন সোহেল
ইমাম হোসাইন সোহেল ইমাম হোসাইন সোহেল , স্পোর্টস এডিটর
প্রকাশিত: ০৮:৪০ পিএম, ১৮ অক্টোবর ২০২০

করোনাভাইরাস কত কিছুই না বদলে দিয়েছে। মানুষের জীবনের গতিই বলতে গেলে পাল্টে দিয়েছে চোখে না দেখতে পাওয়া ক্ষুদ্র এই অণুজীবটি। অন্য অনেক কিছুর মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষাদান কার্যক্রমেও ভিন্নতা এনে দিয়েছে করোনাভাইরাস। প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের ক্লাসমুখী করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। সারাবিশ্বেই অনলাইনের মাধ্যমে নেয়া হচ্ছে শিক্ষার্থীদের ক্লাস এবং পরীক্ষা।

করোনার প্রাদুর্ভাব বাংলাদেশে শুরু হতে না হতেই গত মার্চে সারাদেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয় সরকার। শুরুতে লকডাউনের কারণে সারাদেশই বলতে গেলে স্থবির হয়ে পড়েছিল। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে উঠে প্রযুক্তির সাহায্যে শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে শুরু করে।

এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমি উদাহরণ স্থাপন করেছে চট্টগ্রাম সরকারী সিটি কলেজ। ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ১৬ হাজার। এত বিশালসংখ্যক শিক্ষার্থীর প্রায় ৯০ থেকে ৯৫ ভাগকে অনলাইন ক্লাসের আওতায় নিয়ে আসা এবং তাদের পরীক্ষা গ্রহণ করার ক্ষেত্রে যুগান্তকারী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে এই কলেজটি।

অধ্যক্ষ অধ্যাপক মঞ্জুর আহমেদের সুদক্ষ পরিচালনায় গত ৬ থেকে ৭টি মাস নিরলসভাবে প্রায় ১২০জন শিক্ষক কলেজের শিক্ষার্থীদেরকে ডিজিটাল ক্লাসে সম্পৃক্ত করে এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেয়ার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। মূলতঃ বিকল্প উপায়ে ডিজিটাল ফ্ল্যাটফর্মে শিক্ষাকার্যক্রম এগিয়ে নিতে গত এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি থেকে অনলাইন ক্লাস চালু করে চট্টগ্রাম সরকারী সিটি কলেজ।

দেশের অন্য অনেক কলেজ যখন তাদের নিজস্ব ক্যাম্পাসে স্থাপিত স্টুডিওতে রেকর্ডকৃত ভিডিও ইউটিউব বা ফেসবুকে আপলোড দিয়ে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করছে, সেখানে চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজের শিক্ষকরা জুম এবং গুগল মিট-এর ফ্রি ভার্সন ব্যবহার করে লাইভ ক্লাসে শিক্ষার্থীদের নিয়ে ইন্টারেকটিভ ক্লাস পরিচালনা করে আসছেন।

আবার লাইভ ক্লাস শেষে এর রেকর্ড করা ভিডিওগুলো কলেজের ফেসবুক গ্রুপে শেয়ার করা হচ্ছে। ফলে লাইভ ক্লাস মিস করা শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি চট্টগ্রাম শহর ও শহরের বাইরে অন্য কলেজের শিক্ষার্থীরাও এ ক্ষেত্রে বেশ উপকৃত হচ্ছে। প্রথমে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণীর জন্য অনলাইন ক্লাস চালু করা হলেও পরবর্তীতে কলেজে অধ্যয়নরত অনার্স ও মাস্টার্সের প্রায় ১৬,০০০ শিক্ষার্থীকে এই প্রক্রিয়ার আওতায় নিয়ে আসা হয়।

নিয়মিত অনলাইন ক্লাস পরিচালনার পাশাপাশি গত ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষাও অনলাইনে নেয়া হয়। কলেজটির একাদশ শ্রেণীতে মোট শিক্ষার্থী রয়েছেন ২১০০ জন। এর মধ্যে অনলাইন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে প্রায় ৯৬ ভাগ শিক্ষার্থী।

চট্টগ্রাম সিটি কলেজে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের উল্লেখযোগ্য একটা অংশ পার্বত্য চট্টগ্রাম (বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি), বাঁশখালি এবং মহেষখালির মত দুর্গম ও অপেক্ষাকৃত অনুন্নত এলাকায় বসবাস করার ফলে প্রায় ৪ ভাগ অনলাইন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেননি বলে জানিয়েছেন অধ্যক্ষ অধ্যাপক মঞ্জুর আহমেদ।

জাগো নিউজকে তিনি বলেন, ‘আমাদের কলেজে পার্বত্য চট্টগ্রাম, বাঁশখালি, কক্সবাজারের মহেষখালির মত দুর্গম এলাকার অনেক শিক্ষার্থী ভর্তি হন। সরকারি কলেজ হওয়ার কারণে, আর্থিকভাবে অসচ্ছ্বল পরিবারের অনেক ছেলে-মেয়ে এখানে শিক্ষালাভের সুযোগ পায়। কিন্তু করোনার মধ্যে তারা তো প্রত্যন্ত গ্রামে বসে প্রযুক্তির সুবিধা নিয়ে অনলাইন পরীক্ষায় সাড়া দিতে পারেনি। এ কারণেই মূলতঃ কিছু সংখ্যক শিক্ষার্থী আমাদের এই অনলাইন কার্যক্রমের বাইরে থেকে গেছে। আমরা চেষ্টা করছি, শতভাগ শিক্ষার্থী যেন অন্তত পাঠদান কার্যক্রমের বাইরে থেকে না যায়, সেটা নিশ্চিত করতে।’

কিভাবে বাদ পড়া শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাস কিংবা পরীক্ষায় সম্পৃক্ত করা হবে? জানতে চাইলে অধ্যক্ষ অধ্যাপক মঞ্জুর আহমেদ বলেন, ‘আমরা মূলতঃ নির্দিষ্ট শিক্ষককে দিয়ে শিক্ষার্থীদের ভাগ করে দিয়েছি। সংশ্লিষ্ট ওই শিক্ষক হচ্ছেন সেই শিক্ষার্থীদের কাউন্সিলর। আমি কমিটি গঠন করে দিয়েছি, কারা কারা পরীক্ষার বাইরে পড়ে গেছে তাদের খুঁজে বের করতে, তাদের সমস্যা শুনতে এবং তাদেরকে কিভাবে সম্পৃক্ত করা যায়, তার একটা সুপারিশমালা তৈরি করতে। প্রয়োজনে আমরা আরেকবার পরীক্ষা নেবো। তবুও, শিক্ষার্থীরা যাতে শিক্ষা কার্যক্রম থেকে পিছিয়ে না পড়ে, সেটা নিশ্চিত করতে চাই আমরা।’

চট্টগ্রাম সিটি কলেজ প্রথম থেকে এখনও পর্যন্ত জুম, গুগল মিট কিংবা গুগল ক্লাসরুমের ফ্রি ভার্সন ব্যবহার করে অনলাইন ক্লাসের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। লাইভ স্ট্রিমিং সফটওয়্যারগুলোর ফ্রি ভার্সনের সীমাবদ্ধতার মধ্যেও কিভাবে ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে এই কার্যক্রমের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে?

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম সিটি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মঞ্জুর আহমেদ বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই মূলতঃ এভাবে (ফ্রি সফটওয়্যার ব্যবহার করে) করে এসেছি। তবে সমস্যা যে হয়নি তা নয়। অনেক সমস্যার মুখোমুখি হয়েছি আমরা। কলেজের ১২০ জন শিক্ষক। সবাইকে দায়িত্ব দিয়েছি। তারা তাদের সাবজেক্ট কিংবা গ্রুপ ভাগ করে করে ফ্রি সফটওয়্যার ভার্সন ব্যবহার করে ক্লাসের কার্যক্রম এগিয়ে নিয়েছেন। পুরো কলেজের শিক্ষকরা এ কার্যক্রম পরিচালনায় দারুণ সহযোগিতা করেছেন। না হয় এতবড় কর্মযজ্ঞ পালন করা সম্ভব ছিল না।’

jagonews24

অধ্যক্ষ অধ্যাপক মঞ্জুর আহমেদ ও উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সুদীপা দত্ত

অনার্স ও মাস্টার্সে অধ্যয়নরতদের আভ্যন্তরীন পরীক্ষাগুলোও কি অনলাইনে নেয়া হচ্ছে? কিংবা এই পরীক্ষাগুলো গ্রহণের বিষয়ে কি চিন্তা-ভাবনা রয়েছে সিটি কলেজের? জানতে চাইলে অধ্যক্ষ বলেন, ‘এ বিষয়টি নিয়ে আমরা চিন্তা-ভাবনা করছি। একাডেমিক কাউন্সিলে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবো।’

দূরবর্তী ও অনুন্নত এলাকায় বসবাসকারী দরিদ্র শিক্ষার্থীদেরকে অনলাইন কার্যক্রমের আওতায় আনার জন্য একটি স্বমন্বিত পরিকল্পনা প্রনয়নের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সুদীপা দত্ত। তিনি বলেন, ‘আমরা আশাই করিনি যে, অনলাইন ক্লাসে এতটা সাড়া পাবো। কারণ, আমাদের শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক। এর মধ্যে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও অনেক শিক্ষার্থীর বসবাস। তবুও যে সাড়া পেয়েছি তা অভাবনীয়।’

সামনে উচ্চতর প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাছে আরও সহজে পৌঁছানোর চিন্তা রয়েছে বলেও জানান ড. সুদীপা দত্ত। তিনি বলেন, ‘আমরা এ নিয়ে কাজ করছি। গুগল ক্লাসরুমের সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে হয়তো এটা সম্ভব। আমরা এ নিয়ে পরিকল্পনা করছি এবং সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি।’

উপাধ্যক্ষ ড. সুদীপা দত্ত সরকারের কাছেও একটি আহ্বান জানিয়েছেন। সেটা হচ্ছে, ‘অনলাইন ক্লাস এবং পরীক্ষা নেয়ার ক্ষেত্রে বিশাল একটি খরচের ব্যাপার আছে। এখনও পর্যন্ত আমরা কলেজের ব্যবস্থাপনায় অনলাইন ক্লাস ও পরীক্ষার কার্যক্রম চালাচ্ছি। যদি এ বিষয়ে প্রনোদনা থাকতো, তাহলে কাজগুলো আরও সহজ হয়ে যেতো।’ এ বিষয়ে প্রয়োজনে সরকারের কাছে আবেদন করা হবে বলেও জানান তিনি।

অনলাইন ক্লাস গ্রহণের অভিজ্ঞতার কথা জানতে চাইলে কলেজের শিক্ষক পরিষদ সম্পাদক ও সহকারি অধ্যাপক (গণিত) আহমদ ছোবহান বলেন, ‘প্রথমদিকে কিছুটা অস্বস্তিতে ভুগলেও ধীরে ধীরে কলেজের শিক্ষকগণ বেশ দক্ষ হয়ে উঠেছেন।’ তিনি কার্যকর অনলাইন ক্লাসের স্বার্থে শিক্ষকদেরকে ‘ইন্টারনেট ভাতা’ ও ডিজিটাল ডিভাইস প্রদানের জন্য সরকারের কাছে দাবি জনান।

চট্টগ্রাম সিটি কলেজের অনলাইন ক্লাস পরিচালনা কমিটির উপদেষ্ঠা, পদার্থবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক আবু মো: মেহেদী হাছানের কাছে জানতে চাওয়া হয়, এত বিশাল সংখ্যক শিক্ষার্থীর অনলাইন পরীক্ষা কিভাবে সফলভাবে সম্পন্ন করলেন?

জবাবে তিনি বলেন, ‘গুগলের ফ্রি সফটওয়্যার ব্যবহার করে। এগুলো বিনা পয়সার সফটওয়্যার। টাকা লাগেনি। তবে কিছু সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হয়েছি। প্রথমে আমরা এ নিয়ে একটা ভিডিও করেছি। সেটা দেখিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে পরিচিত করেছি। ডেমো পরীক্ষা নিয়ে তাদেরকে অভ্যস্ত করেছি। যে সব অনলাইন ক্লাস হয়েছে, সেগুলোতে মোটিভেশন করছি। এরপরই মূল পরীক্ষা নিয়েছি।’

মেহেদী হাছান জানিয়েছেন, সরকারী কলেজগুলোর নিজস্ব ফান্ড রয়েছে। তবে, অনলাইন ক্লাস-পরীক্ষার জন্য চাইলেই খরচ করার সুযোগ নেই। সরকার যদি কোনো নীতিমালা প্রণয়ন করে, তাহলে কলেজগুলোই নিজস্ব ফান্ড থেকে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যায় করতে পারতো। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, সরকার যদি টেলিটকের নেটওয়ার্ক শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়, তাহলে সেটা অনেক ভালো হবে।

চট্টগ্রাম সরকারী সিটি কলেজের অনলাইন পরীক্ষার টেকনিক্যাল বিষয়াধি নিয়ে নিবিড়ভাবে কাজ করা ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন ও গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আবদুল মান্নান বলেন, ‘আমরা কোন কাস্টোমাইজ সফটওয়্যার কিংবা বণিজ্যিক কোন প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা ছাড়াই গুগলের ফ্রি টুলসগুলোর কার্যকর স্বমন্বয় ঘটিয়ে অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ স্যারের নির্দেশনায় একটি সফল অনলাইন পরীক্ষা সম্পন্ন করেছি। প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য আমরা আলাদা প্রশ্নসেট ব্যবহার করে পরীক্ষা নিয়েছি।’

আইএইচএস/এমএস

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৪,৫২,২৮,২৪০
আক্রান্ত

১১,৮৪,৩০৭
মৃত

৩,২৯,০২,৬৬৫
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৪,০৪,৭৬০ ৫,৮৮৬ ৩,২১,২৮১
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৯১,৮৯,৮৯৬ ২,৩৩,৮৯২ ৫৯,৫৮,৫৮৩
ভারত ৮০,৮৮,০৪৬ ১,২১,১৩১ ৭৩,৭১,৮৯৮
ব্রাজিল ৫৪,৭৪,৮৪০ ১,৫৮,৬১১ ৪৯,৩৪,৫৪৮
রাশিয়া ১৫,৮১,৬৯৩ ২৭,৩০১ ১১,৮৬,০৪১
ফ্রান্স ১২,৮২,৭৬৯ ৩৬,০২০ ১,১৫,২৮৭
স্পেন ১২,৩৮,৯২২ ৩৫,৬৩৯ ১,৯৬,৯৫৮
আর্জেন্টিনা ১১,৩০,৫৩৩ ৩০,০৭১ ৯,৩১,১৪৭
কলম্বিয়া ১০,৪১,৯৩৫ ৩০,৭৫৩ ৯,৪১,৮৭৪
১০ যুক্তরাজ্য ৯,৬৫,৩৪০ ৪৬,৭০৬ ৩৪৪
১১ মেক্সিকো ৯,০৬,৮৬৩ ৯০,৩০৯ ৬,৬৩,৬৩৯
১২ পেরু ৮,৯৪,৯২৮ ৩৪,৩১৫ ৮,১৬,৬৮৮
১৩ দক্ষিণ আফ্রিকা ৭,২১,৭৭০ ১৯,১৬৪ ৬,৪৯,৯৩৫
১৪ ইতালি ৬,১৬,৫৯৫ ৩৮,১২২ ২,৭৯,২৮২
১৫ ইরান ৫,৯৬,৯৪১ ৩৪,১১৩ ৪,৭২,৫৯৮
১৬ চিলি ৫,০৭,০৫০ ১৪,১১৮ ৪,৮৩,৯২২
১৭ জার্মানি ৪,৯৮,১১৩ ১০,৪৩৫ ৩,৩৯,২০০
১৮ ইরাক ৪,৬৭,৭৫৫ ১০,৮১৫ ৩,৯৪,৩৮৬
১৯ ইন্দোনেশিয়া ৪,০৪,০৪৮ ১৩,৭০১ ৩,২৯,৭৭৮
২০ ফিলিপাইন ৩,৭৬,৯৩৫ ৭,১৪৭ ৩,২৯,৮৪৮
২১ তুরস্ক ৩,৭০,৮৩২ ১০,০৯৯ ৩,২০,৭৬২
২২ ইউক্রেন ৩,৭০,৪১৭ ৬,৮৬৮ ১,৫১,৬৩২
২৩ বেলজিয়াম ৩,৬৮,৩৩৭ ১১,১৭০ ২৩,৯৬৯
২৪ সৌদি আরব ৩,৪৬,৪৮২ ৫,৩৬৩ ৩,৩৩,০০৫
২৫ পাকিস্তান ৩,৩১,১০৮ ৬,৭৭৫ ৩,১২,৬৩৮
২৬ নেদারল্যান্ডস ৩,৩০,২৫৫ ৭,২৫৮ ২৫০
২৭ পোল্যান্ড ৩,১৯,২০৫ ৫,১৪৯ ১,২৯,২৬৭
২৮ ইসরায়েল ৩,১৩,১১৪ ২,৫০৮ ২,৯৯,৪৩৯
২৯ চেক প্রজাতন্ত্র ৩,০৩,৯৮৪ ২,৮২৬ ১,২০,২০৫
৩০ রোমানিয়া ২,২৯,০৪০ ৬,৭৬৪ ১,৬৩,৮৫২
৩১ কানাডা ২,২৭,৮২৯ ১০,০৬৮ ১,৯০,৬৬১
৩২ মরক্কো ২,১২,০৩৮ ৩,৫৭২ ১,৭৪,৯১১
৩৩ ইকুয়েডর ১,৬৬,৩০২ ১২,৬২২ ১,৪১,৭৫৯
৩৪ নেপাল ১,৬৪,৭১৮ ৯০৪ ১,২৪,৮৬২
৩৫ সুইজারল্যান্ড ১,৪৫,০৪৪ ২,২০০ ৬৫,১০০
৩৬ বলিভিয়া ১,৪১,৩২১ ৮,৬৯৪ ১,১০,৩০৩
৩৭ পর্তুগাল ১,৩২,৬১৬ ২,৪২৮ ৭৫,৭০২
৩৮ কাতার ১,৩২,১৫০ ২৩১ ১,২৯,১২৪
৩৯ পানামা ১,৩১,২৪৭ ২,৬৬৩ ১,০৭,৩৯১
৪০ সংযুক্ত আরব আমিরাত ১,৩০,৩৩৬ ৪৮৮ ১,২৬,১৪৭
৪১ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,২৫,৯১৩ ২,২৩৪ ১,০৩,৯৪৪
৪২ কুয়েত ১,২৪,৬৬৬ ৭৬৭ ১,১৫,৪৭৫
৪৩ সুইডেন ১,২১,১৬৭ ৫,৯৩৪ ৪,৯৭১
৪৪ ওমান ১,১৪,৪৩৪ ১,২০৮ ১,০৩,০৬০
৪৫ কাজাখস্তান ১,১১,১০০ ১,৮২৫ ১,০৬,০৫৯
৪৬ কোস্টারিকা ১,০৭,৫৭০ ১,৩৫৭ ৬৫,৬৬৬
৪৭ মিসর ১,০৭,০৩০ ৬,২৩৪ ৯৯,১৭৪
৪৮ গুয়াতেমালা ১,০৬,৭৯০ ৩,৭০৪ ৯৬,১৮৭
৪৯ জাপান ৯৮,৮৫২ ১,৭৩৩ ৯১,৩২২
৫০ বেলারুশ ৯৬,৫২৯ ৯৭৩ ৮৫,৩৩২
৫১ ইথিওপিয়া ৯৫,৩০১ ১,৪৫৭ ৫০,৭৫৩
৫২ হন্ডুরাস ৯৫,১৯৯ ২,৬৫২ ৩৯,১২৬
৫৩ অস্ট্রিয়া ৯৩,৯৪৯ ১,০৫৬ ৬৩,৩৬৬
৫৪ ভেনেজুয়েলা ৯০,৮৭৬ ৭৮৪ ৮৫,৪০২
৫৫ চীন ৮৫,৯১৫ ৪,৬৩৪ ৮০,৯৪৩
৫৬ আর্মেনিয়া ৮৫,০৩৪ ১,২৭২ ৫৩,২৫৭
৫৭ বাহরাইন ৮১,০২২ ৩১৭ ৭৭,৬৯৭
৫৮ লেবানন ৭৭,৭৭৮ ৬১০ ৩৯,১২৩
৫৯ মলদোভা ৭৪,২৩৩ ১,৭৪৭ ৫৪,৪৯৫
৬০ হাঙ্গেরি ৬৮,১২৭ ১,৬৩৪ ১৭,৪৬৯
৬১ উজবেকিস্তান ৬৬,৩৯২ ৫৬১ ৬৩,৫৮১
৬২ জর্ডান ৬৫,৩৮৫ ৭৪০ ৭,৫০৮
৬৩ নাইজেরিয়া ৬২,৩৭১ ১,১৩৯ ৫৮,০৯৫
৬৪ প্যারাগুয়ে ৬১,২৯০ ১,৩৫৯ ৪১,২৮৮
৬৫ আয়ারল্যান্ড ৬০,২৯৭ ১,৯০২ ২৩,৩৬৪
৬৬ লিবিয়া ৫৯,৬৫৬ ৮৩১ ৩৩,৫৫০
৬৭ সিঙ্গাপুর ৫৭,৯৯৪ ২৮ ৫৭,৮৯৯
৬৮ কিরগিজস্তান ৫৭,৭৯৮ ১,৪৯৮ ৪৯,০৯৭
৬৯ আলজেরিয়া ৫৭,০২৬ ১,৯৪১ ৩৯,৬৩৫
৭০ তিউনিশিয়া ৫৪,২৭৮ ১,১৫৩ ৫,০৩২
৭১ আজারবাইজান ৫৩,১৫২ ৭০৮ ৪২,৫১৬
৭২ কেনিয়া ৫২,৬১২ ৯৬৪ ৩৫,৬০৪
৭৩ ফিলিস্তিন ৫২,৫৭১ ৪৭৩ ৪৫,৪৪৮
৭৪ স্লোভাকিয়া ৫১,৭২৮ ২০০ ১২,২২৭
৭৫ মায়ানমার ৫০,৪০৩ ১,১৯৯ ৩০,০০৭
৭৬ ঘানা ৪৭,৯৯১ ৩২০ ৪৭,১৩৬
৭৭ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৪৬,৬৩৯ ১,১৮২ ২৭,৫৮০
৭৮ বুলগেরিয়া ৪৫,৪৬১ ১,১৯৭ ১৯,১৫৯
৭৯ ডেনমার্ক ৪৪,০৩৪ ৭১৬ ৩৩,৬০১
৮০ ক্রোয়েশিয়া ৪৩,৭৭৫ ৫১১ ২৯,২৩৩
৮১ সার্বিয়া ৪৩,৫৯২ ৮০৯ ৩১,৫৩৬
৮২ আফগানিস্তান ৪১,২৬৮ ১,৫৩২ ৩৪,২৩৯
৮৩ জর্জিয়া ৩৫,৫৬৭ ২৭৩ ১৬,৯০৪
৮৪ গ্রীস ৩৫,৫১০ ৬১৫ ৯,৯৮৯
৮৫ এল সালভাদর ৩৩,৪৪৫ ৯৬৭ ২৯,১৮৬
৮৬ স্লোভেনিয়া ৩০,৭০৫ ২৯২ ১০,৪০১
৮৭ মালয়েশিয়া ৩০,০৯০ ২৪৬ ১৯,৭৫৭
৮৮ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২৯,৫৫৮ ৯৭৭ ১৯,৯৯৪
৮৯ অস্ট্রেলিয়া ২৭,৫৬৭ ৯০৭ ২৫,২৩৬
৯০ দক্ষিণ কোরিয়া ২৬,২৭১ ৪৬২ ২৪,১৬৮
৯১ ক্যামেরুন ২১,৭৯৩ ৪২৬ ২০,১১৭
৯২ আইভরি কোস্ট ২০,৬২৮ ১২৪ ২০,৩১০
৯৩ আলবেনিয়া ২০,৩১৫ ৪৯৯ ১১,০০৭
৯৪ নরওয়ে ১৯,৩৫৫ ২৮১ ১১,৮৬৩
৯৫ মন্টিনিগ্রো ১৭,৭৪৬ ২৯০ ১৩,৭২৭
৯৬ মাদাগাস্কার ১৬,৯৬৮ ২৪৪ ১৬,৩০১
৯৭ লুক্সেমবার্গ ১৬,৩৫৬ ১৫০ ৯,৮৬৫
৯৮ জাম্বিয়া ১৬,৩২৫ ৩৪৮ ১৫,৫৮৫
৯৯ সেনেগাল ১৫,৫৯৩ ৩২৩ ১৪,৬৬০
১০০ ফিনল্যাণ্ড ১৫,৫৬৬ ৩৫৫ ১১,৩০০
১০১ সুদান ১৩,৭৭২ ৮৩৭ ৬,৭৬৪
১০২ লিথুনিয়া ১৩,০৮৮ ১৫০ ৪,৫৮২
১০৩ নামিবিয়া ১২,৮৫৮ ১৩৩ ১০,৯৭২
১০৪ মোজাম্বিক ১২,৫২৫ ৯১ ১০,০০১
১০৫ উগান্ডা ১২,২০১ ১০৮ ৭,৪৬১
১০৬ গিনি ১২,০২০ ৭১ ১০,৫৫০
১০৭ মালদ্বীপ ১১,৬১৬ ৩৭ ১০,৭৩৩
১০৮ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১১,২১১ ৩০৫ ১০,৫০৯
১০৯ তাজিকিস্তান ১০,৯৩৯ ৮২ ১০,১২৮
১১০ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ১০,৪২৫ ৭০ ৯,৯৯৫
১১১ অ্যাঙ্গোলা ১০,০৭৪ ২৭৫ ৩,৬৯৩
১১২ শ্রীলংকা ৯,৭৯১ ১৯ ৪,১৪২
১১৩ হাইতি ৯,০৪৬ ২৩২ ৭,৪২২
১১৪ গ্যাবন ৮,৯৫৭ ৫৫ ৮,৬১৯
১১৫ জ্যামাইকা ৮,৯২৭ ২০২ ৪,৪২৯
১১৬ কেপ ভার্দে ৮,৬০৩ ৯৫ ৭,৭৯৬
১১৭ জিম্বাবুয়ে ৮,৩৪৯ ২৪২ ৭,৮৬৪
১১৮ মৌরিতানিয়া ৭,৬৮৮ ১৬৩ ৭,৪০১
১১৯ গুয়াদেলৌপ ৭,৬০৫ ১২৬ ২,২৪২
১২০ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৭,২৬২ ২৯ ৪,৮৪২
১২১ কিউবা ৬,৭৬৬ ১২৮ ৬,১৩২
১২২ বতসোয়ানা ৬,৬৪২ ২৪ ৪,৬৭৬
১২৩ বাহামা ৬,৫৪৯ ১৩৬ ৪,১৮২
১২৪ মালাউই ৫,৯১৬ ১৮৪ ৫,৩০৩
১২৫ ইসওয়াতিনি ৫,৮৯৯ ১১৭ ৫,৫৪২
১২৬ মালটা ৫,৮৬৬ ৫৯ ৩,৮৮০
১২৭ সিরিয়া ৫,৬৩৩ ২৮১ ১,৮৯৮
১২৮ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৫,৫৯৪ ১০৭ ৪,২৪৬
১২৯ জিবুতি ৫,৫৫৫ ৬১ ৫,৪২৭
১৩০ নিকারাগুয়া ৫,৫১৪ ১৫৬ ৪,২২৫
১৩১ রিইউনিয়ন ৫,৪৭২ ২২ ৪,৬৩০
১৩২ লাটভিয়া ৫,৩৯৫ ৬৪ ১,৪০৬
১৩৩ হংকং ৫,৩১৪ ১০৫ ৫,০৭৩
১৩৪ কঙ্গো ৫,২৫৩ ১১৪ ৩,৮৮৭
১৩৫ সুরিনাম ৫,১৯২ ১১১ ৫,০৪৬
১৩৬ রুয়ান্ডা ৫,১৩১ ৩৫ ৪,৮৫১
১৩৭ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,০৮৩ ৮৩ ৪,৯৬৪
১৩৮ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৮৬৩ ৬২ ১,৯২৪
১৩৯ আইসল্যান্ড ৪,৭১৯ ১২ ৩,৭০১
১৪০ এস্তোনিয়া ৪,৬৭১ ৭৩ ৩,৬৮৪
১৪১ এনডোরা ৪,৫৬৭ ৭৩ ৩,২৬০
১৪২ আরুবা ৪,৪৭২ ৩৭ ৪,২৮৬
১৪৩ মায়োত্তে ৪,৩৬৬ ৪৪ ২,৯৬৪
১৪৪ গায়ানা ৪,০৭৪ ১২৩ ৩,০৮৩
১৪৫ সোমালিয়া ৩,৯৪১ ১০৪ ৩,১৮৫
১৪৬ সাইপ্রাস ৩,৯৩০ ২৫ ১,৮৮২
১৪৭ থাইল্যান্ড ৩,৭৬৩ ৫৯ ৩,৫৭০
১৪৮ গাম্বিয়া ৩,৬৬৬ ১১৯ ২,৬৬৬
১৪৯ মার্টিনিক ৩,৫৫২ ৩০ ৯৮
১৫০ মালি ৩,৫৩৭ ১৩৬ ২,৬৮৬
১৫১ বেলিজ ৩,২৬১ ৫২ ২,০৭৬
১৫২ উরুগুয়ে ২,৯৮১ ৫৫ ২,৪৮১
১৫৩ দক্ষিণ সুদান ২,৯০৩ ৫৮ ১,২৯০
১৫৪ বেনিন ২,৬৪৩ ৪১ ২,৩৩০
১৫৫ বুর্কিনা ফাঁসো ২,৪৭১ ৬৭ ২,২১১
১৫৬ গিনি বিসাউ ২,৪০৩ ৪১ ১,৮১৮
১৫৭ সিয়েরা লিওন ২,৩৬২ ৭৪ ১,৭৯৫
১৫৮ টোগো ২,২৩৮ ৫৪ ১,৬২০
১৫৯ ইয়েমেন ২,০৬২ ৫৯৯ ১,৩৬৬
১৬০ নিউজিল্যান্ড ১,৯৪৯ ২৫ ১,৮৫৪
১৬১ লেসোথো ১,৯৪৭ ৪৩ ৯৭৫
১৬২ চাদ ১,৪৭৩ ৯৭ ১,৩০৭
১৬৩ লাইবেরিয়া ১,৪২৬ ৮২ ১,২৭৯
১৬৪ নাইজার ১,২১৯ ৬৯ ১,১৩৫
১৬৫ ভিয়েতনাম ১,১৭৭ ৩৫ ১,০৬২
১৬৬ কিউরাসাও ৯০৭ ৬২৩
১৬৭ সান ম্যারিনো ৮৭২ ৪৫ ৭১৬
১৬৮ চ্যানেল আইল্যান্ড ৮৩৬ ৪৮ ৭১০
১৬৯ সিন্ট মার্টেন ৮০৫ ২২ ৭২৪
১৭০ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫৯
১৭১ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৭০৩ ৬৮৯
১৭২ জিব্রাল্টার ৬৮৮ ৫৮৪
১৭৩ পাপুয়া নিউ গিনি ৫৮৮ ৫৪৬
১৭৪ সেন্ট মার্টিন ৫৬৬ ৪৮৮
১৭৫ বুরুন্ডি ৫৫৯ ৫১১
১৭৬ তাইওয়ান ৫৫৩ ৫১৩
১৭৭ কমোরস ৫১৭ ৪৯৪
১৭৮ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৭৯ ফারে আইল্যান্ড ৪৯৪ ৪৭৯
১৮০ লিচেনস্টেইন ৪৭৬ ২৬৫
১৮১ ইরিত্রিয়া ৪৬১ ৪০৫
১৮২ মরিশাস ৪৩৯ ১০ ৩৮৯
১৮৩ আইল অফ ম্যান ৩৫২ ২৪ ৩২৪
১৮৪ ভুটান ৩৪৬ ৩১৫
১৮৫ মঙ্গোলিয়া ৩৪০ ৩১২
১৮৬ মোনাকো ৩৩৭ ২৫৬
১৮৭ কম্বোডিয়া ২৯০ ২৮৩
১৮৮ কেম্যান আইল্যান্ড ২৩৯ ২১৮
১৮৯ বার্বাডোস ২৩৪ ২১৭
১৯০ বারমুডা ১৯৮ ১৭৬
১৯১ সিসিলি ১৫৩ ১৪৯
১৯২ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১৫৩ ১৪৫
১৯৩ ব্রুনাই ১৪৮ ১৪৩
১৯৪ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১২৪ ১১৫
১৯৫ সেন্ট বারথেলিমি ৮৩ ৬৭
১৯৬ সেন্ট লুসিয়া ৭৬ ২৭
১৯৭ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৭৪ ৬৯
১৯৮ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৭১ ৭০
১৯৯ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
২০০ ডোমিনিকা ৩৮ ২৯
২০১ ফিজি ৩৩ ৩১
২০২ পূর্ব তিমুর ৩০ ৩১
২০৩ গ্রেনাডা ২৮ ২৪
২০৪ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২৭ ২৭
২০৫ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২০৬ লাওস ২৪ ২২
২০৭ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৯ ১৯
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ১৭ ১৬
২০৯ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১৬ ১২
২১০ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২১১ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২১২ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৩ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৪ সলোমান আইল্যান্ড
২১৫ এ্যাঙ্গুইলা
২১৬ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৭ ওয়ালিস ও ফুটুনা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]